
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

অমর একুশে বইমেলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত ডাস্টবিন নানামুখী আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এবার সে প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। সমালোচনার বিপরীতে তিনি পালটা প্রশ্ন তুলেছেন— একজন খুনির প্রতি এমন শিষ্টাচার দেখাতে হবে কেন।
রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এমন প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
উপদেষ্টা ফারুকী তার পোস্টে লিখেছেন, ‘ছয় মাস হইলো আমরা একটা খুনি-সাইকোপ্যাথের হাত থেকে মুক্তি পাইছি। জাস্ট ছয় মাস! যে খুনি শত শত মানুষকে গুম করিয়েছে, হাজার হাজার বিরোধী মতের মানুষকে খুন করিয়েছে, জুলাইতে একটা নারকীয় গণহত্যা চালিয়েছে, ইলিয়াস আলিকে গুমের পর হত্যা করে তার মেয়েকে জড়িয়ে ধরে নাটক করেছে, হেলিকপ্টার থেকে গুলি করিয়ে মানুষ মেরেছে, যে এখনো বিচার প্রক্রিয়া পার হওয়া তো দূরের কথা সামান্য অনুশোচনার ভেতর দিয়েও যায় নাই, যে এখনো আরও খুনের হুমকি দিচ্ছে— তার সঙ্গে শিষ্টাচার?’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জার্মান স্বৈরশাসক অ্যাডলফ হিটলারের সঙ্গে তুলনা করে ফারুকী লিখেছেন, “হিটলারের সঙ্গে শিষ্টাচার? আর ইউ সিরিয়াস? সালাম দিয়ে বলতে হবে, ‘প্রিয় খুনি, আপনি আমার প্রণাম গ্রহণ করুন?’”
১ ফেব্রুয়ারি এ বছরের অমর একুশে বইমেলা শুরু হয়েছে। সে দিনই প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ফেসবুকে কয়েকটি ছবি শেয়ার করেন। ওইসব ছবিতে দেখা যায়, প্রেস সচিব বইমেলা প্রাঙ্গণে যে ডাস্টবিনে ময়লা ফেলছেন তাতে শেখ হাসিনার ছবি রয়েছে।
এ ছবি ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। সাবেক একজন প্রধানমন্ত্রীর ছবি এভাবে ডাস্টবিনে দেওয়া কতটা ‘রুচিশীলতা’র পরিচায়ক, তেমন প্রশ্ন তোলেন অনেকে। প্রেস সচিব সরকারের দায়িত্বশীল একটি পদে থেকে এমন ছবি এভাবে শেয়ার করতে পারেন কি না, ওঠে এমন প্রশ্নও। কেউ কেউ বলেন, এভাবে ঘৃণা উসকে দিলে শেষ পর্যন্ত কারও কোনো লাভ হবে না।

অমর একুশে বইমেলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত ডাস্টবিন নানামুখী আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এবার সে প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। সমালোচনার বিপরীতে তিনি পালটা প্রশ্ন তুলেছেন— একজন খুনির প্রতি এমন শিষ্টাচার দেখাতে হবে কেন।
রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এমন প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
উপদেষ্টা ফারুকী তার পোস্টে লিখেছেন, ‘ছয় মাস হইলো আমরা একটা খুনি-সাইকোপ্যাথের হাত থেকে মুক্তি পাইছি। জাস্ট ছয় মাস! যে খুনি শত শত মানুষকে গুম করিয়েছে, হাজার হাজার বিরোধী মতের মানুষকে খুন করিয়েছে, জুলাইতে একটা নারকীয় গণহত্যা চালিয়েছে, ইলিয়াস আলিকে গুমের পর হত্যা করে তার মেয়েকে জড়িয়ে ধরে নাটক করেছে, হেলিকপ্টার থেকে গুলি করিয়ে মানুষ মেরেছে, যে এখনো বিচার প্রক্রিয়া পার হওয়া তো দূরের কথা সামান্য অনুশোচনার ভেতর দিয়েও যায় নাই, যে এখনো আরও খুনের হুমকি দিচ্ছে— তার সঙ্গে শিষ্টাচার?’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জার্মান স্বৈরশাসক অ্যাডলফ হিটলারের সঙ্গে তুলনা করে ফারুকী লিখেছেন, “হিটলারের সঙ্গে শিষ্টাচার? আর ইউ সিরিয়াস? সালাম দিয়ে বলতে হবে, ‘প্রিয় খুনি, আপনি আমার প্রণাম গ্রহণ করুন?’”
১ ফেব্রুয়ারি এ বছরের অমর একুশে বইমেলা শুরু হয়েছে। সে দিনই প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ফেসবুকে কয়েকটি ছবি শেয়ার করেন। ওইসব ছবিতে দেখা যায়, প্রেস সচিব বইমেলা প্রাঙ্গণে যে ডাস্টবিনে ময়লা ফেলছেন তাতে শেখ হাসিনার ছবি রয়েছে।
এ ছবি ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। সাবেক একজন প্রধানমন্ত্রীর ছবি এভাবে ডাস্টবিনে দেওয়া কতটা ‘রুচিশীলতা’র পরিচায়ক, তেমন প্রশ্ন তোলেন অনেকে। প্রেস সচিব সরকারের দায়িত্বশীল একটি পদে থেকে এমন ছবি এভাবে শেয়ার করতে পারেন কি না, ওঠে এমন প্রশ্নও। কেউ কেউ বলেন, এভাবে ঘৃণা উসকে দিলে শেষ পর্যন্ত কারও কোনো লাভ হবে না।

বিএনপি সরকার জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তার কোনোটিই রক্ষা করতে পারেনি। সরকার গ্যাস ও জ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ মোটা দাগে ২৯টি ক্ষেত্রে চরম অব্যবস্থাপনার পরিচয় দিয়েছে।
১ দিন আগে
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন ‘সিন্ডিকেটে’র আশঙ্কার কথা জানিয়েছে সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলগুলো বলছে, সরকারের একটি অসাধু চক্র দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে। কোনো ধরনের সিন্ডিকেট গড়ে ওঠার সুযোগ যেন তৈরি না হয়, সে
১ দিন আগে
সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি হবে তারেক রহমানের প্রথম নিউইয়র্ক সফর। বিএনপি সরকার গঠনের পরও এটিই প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন।
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আজকেই নির্দেশনা দিয়েছি। বিশেষ করে ডিএমপিসহ অন্যান্য মেট্রো এলাকায় যারা এ রকম চাঁদাবাজ, চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, তাদেরকে অতি শিগগির যদি আমরা হেফাজতে না নিতে পারি, আইনের আওতায় না আনতে পারি, তাহলে যারা যারা ব্যর্থ হবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
৩ দিন আগে