
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ছাত্র শহীদ আবু সাঈদের বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মাকে সান্ত্বনা দিয়েছেন।
শনিবার বেলা ১১টায় তিনি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে পৌঁছে সাঈদের কবর জিয়ারত করেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। সফরে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
এ সময় ড. ইউনূস আবু সাঈদকে স্মরণ করে বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি আবু সাঈদকে স্মরণ করছি, যার ছবি প্রত্যেক বাংলাদেশির হৃদয়ে খোদাই করা আছে। কেউ এটি ভুলতে পারে না। কী অবিশ্বাস্য সাহসী যুবক ছিলেন তিনি! তিনি বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে যান এবং তারপর থেকে আন্দোলনরত তরুণ-তরুণীরা হার মানেননি। সামনে এগিয়ে গেছেন এবং বলেছেন, “যত গুলি মারতে পারো মারো, আমরা এখানে আছি”।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবারই সন্তান আবু সাঈদ। হিন্দু পরিবার হোক, মুসলমান পরিবার হোক, বৌদ্ধ পরিবার হোক– সবার ঘরের সন্তান এই আবু সাঈদ। ছোট ছেলেমেয়েরা বড় হলে পড়বে আবু সাঈদের কথা এবং বলবে, আমিও ন্যায়ের জন্য লড়বো।’
পরে ড. ইউনূস আবু সাঈদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। পীরগঞ্জ থেকে সড়কপথে ড. মুহাম্মদ ইউনূস কোটা সংস্কার আন্দোলনে আহতদের দেখতে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখান থেকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। সেখানে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি রংপুর সার্কিট হাউসে অবস্থান করবেন।
বেরোবির ইংরেজি বিভাগের ছাত্র আবু সাঈদ আন্দোলনের সময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। তিনি বেরোবিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ছিলেন। গত ১৬ জুলাই আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন তিনি। পরদিন পীরগঞ্জ উপজেলায় তাকে দাফন করা হয়। ওই গুলির ভিডিও দেশ-বিদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আন্দোলন নতুন মাত্রা পায়।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ছাত্র শহীদ আবু সাঈদের বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মাকে সান্ত্বনা দিয়েছেন।
শনিবার বেলা ১১টায় তিনি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে পৌঁছে সাঈদের কবর জিয়ারত করেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। সফরে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
এ সময় ড. ইউনূস আবু সাঈদকে স্মরণ করে বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি আবু সাঈদকে স্মরণ করছি, যার ছবি প্রত্যেক বাংলাদেশির হৃদয়ে খোদাই করা আছে। কেউ এটি ভুলতে পারে না। কী অবিশ্বাস্য সাহসী যুবক ছিলেন তিনি! তিনি বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে যান এবং তারপর থেকে আন্দোলনরত তরুণ-তরুণীরা হার মানেননি। সামনে এগিয়ে গেছেন এবং বলেছেন, “যত গুলি মারতে পারো মারো, আমরা এখানে আছি”।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবারই সন্তান আবু সাঈদ। হিন্দু পরিবার হোক, মুসলমান পরিবার হোক, বৌদ্ধ পরিবার হোক– সবার ঘরের সন্তান এই আবু সাঈদ। ছোট ছেলেমেয়েরা বড় হলে পড়বে আবু সাঈদের কথা এবং বলবে, আমিও ন্যায়ের জন্য লড়বো।’
পরে ড. ইউনূস আবু সাঈদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। পীরগঞ্জ থেকে সড়কপথে ড. মুহাম্মদ ইউনূস কোটা সংস্কার আন্দোলনে আহতদের দেখতে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখান থেকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। সেখানে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি রংপুর সার্কিট হাউসে অবস্থান করবেন।
বেরোবির ইংরেজি বিভাগের ছাত্র আবু সাঈদ আন্দোলনের সময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। তিনি বেরোবিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ছিলেন। গত ১৬ জুলাই আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন তিনি। পরদিন পীরগঞ্জ উপজেলায় তাকে দাফন করা হয়। ওই গুলির ভিডিও দেশ-বিদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আন্দোলন নতুন মাত্রা পায়।

জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, 'জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করতে চাননি প্রধানমন্ত্রী, যখন জনগণের কাছ থেকে ডিমান্ড এসেছে। তখনই সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে।
২ দিন আগে
সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ও বিএনপি নেত্রী অ্যাডভোকেট ড. আরিফা জেসমিন নাহিন বলেছেন, একজন মারা গেলে যেমন ফিরে আসে না, সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি মনোনয়ন না পাওয়াটা তার কাছে তেমনি ‘মৃত্যুর মতোই যন্ত্রণাময়’ অনুভূতি।
২ দিন আগে
দেশে আর কোনো দিন মব হবে না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের এমন ঘোষণা দেওয়ার পরেও একটির পর একটি মবের ঘটনা ঘটে চলেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
২ দিন আগে
মনোনয়ন তালিকায় একঝাঁক নতুন ও ত্যাগী নেত্রীর স্থান মিললেও বাদ পড়েছেন রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত একাধিক হেভিওয়েট নেত্রী ও তারকা প্রার্থী। এ নিয়ে দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন, নানা আলোচনা-সমালোচনা।
২ দিন আগে