
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করবেন না বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত তার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
বৃহস্পতিবার (২২ মে) সন্ধ্যার পর থেকে রাতভর প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের গুঞ্জনের পর শুক্রবার (২৩ মে) তার বিশেষ এই সহকারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইল থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ কথা বলেন।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ক্ষমতা প্রয়োজন নেই, কিন্তু বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক রূপান্তরের (ডেমোক্রেটিক ট্রাঞ্জিশন) জন্য ড. ইউনূস স্যারের দরকার আছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদকে আরও বেশি গতিশীল করার তাগিদ দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার এই বিশেষ সহকারী বলেন, ‘কেবিনেটকে (উপদেষ্টা পরিষদ) আরও গতিশীল হতে হবে। সরকারকে আরও বেশি ফাংশনাল হতে হবে, উপদেষ্টাদের আরও বেশি কাজ করতে হবে, দৃশ্যমান অগ্রগতি জনতার সামনে উপস্থাপন করতে হবে— এ ব্যাপারে কোনো দ্বিমত থাকতে পারে না। আমাদের দেখাতে হবে, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে জনতার সম্মতিতে ক্ষমতায় এসে প্রফেসর সাফল্য দেখিয়েছেন। বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সম্মান আছে, এটা রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।’
দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সরকারের আরও বেশি মতবিনিময় প্রয়োজন বলেও মনে করেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, সরকারকে এখন থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে আলোচনায় বসতে হবে। নিয়মিত বসে এবং বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামত চাইতে হবে। কোনো ধরনের বিচ্ছিন্নতা কাম্য নয়।’
দরকারি প্রস্তুতি শেষ করে আগামী বছরের এপ্রিল বা মে মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে পারে বলে ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ এই সহকারী। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন এপ্রিল বা মে মাসের কোনো এক সময়ে হবে বলেই আশা করি। তবে এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। এ সময়ে সব যৌক্তিক সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে, করতে হবে জুলাই সনদ।’
ভোটের তারিখ প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা করবেন জানিয়ে আহমদ ফয়েজ তৈয়্যব বলেন, ‘তবে ডিসেম্বর থেকে জুনে দেওয়া রোডম্যাপ মতে নির্বাচনের এক্স্যাক্ট ডেট ঘোষণার এখতিয়ার শুধুমাত্র স্যারের (অধ্যাপক ইউনূস)। স্যারের এখতিয়ার অন্য কেউ হাইজ্যাক করতে পারবে না। স্যারকে যখন আনা হয়েছে, তখন বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে স্যার বলেছেন, আমার কথা শুনতে হবে।’
জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত অপরাধের বিচারকাজও এগিয়ে চলেছে বলে জানান আহমদ ফয়েজ তৈয়্যব। তিনি বলেন, ‘জুলাই-আগস্ট ২০২৫-এ আমরা জাতীয়ভাবে দুই মাস জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তির উদযাপন করব, ইনশাল্লাহ। এবং আগস্টের মধ্যেই স্বৈরাচারী খুনি হাসিনার বিচারের প্রথম রায়টি আলোর মুখ দেখতে পাবে বলেও আশা প্রকাশ করি। ইনশাআল্লাহ আমরা হারব না, আমাদের হারানো যাবে না।’
এদিকে এ স্ট্যাটাসের কয়েক ঘণ্টা পর প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আহমদ ফয়েজ তৈয়্যব আরও একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে আগের স্ট্যাটাসকে ‘ব্যক্তিগত অভিমত’ অভিহিত করে তার ভিত্তিতে খবর পরিবেশন না করার অনুরোধ জানান তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করবেন না বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত তার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
বৃহস্পতিবার (২২ মে) সন্ধ্যার পর থেকে রাতভর প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের গুঞ্জনের পর শুক্রবার (২৩ মে) তার বিশেষ এই সহকারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইল থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ কথা বলেন।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ক্ষমতা প্রয়োজন নেই, কিন্তু বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক রূপান্তরের (ডেমোক্রেটিক ট্রাঞ্জিশন) জন্য ড. ইউনূস স্যারের দরকার আছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদকে আরও বেশি গতিশীল করার তাগিদ দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার এই বিশেষ সহকারী বলেন, ‘কেবিনেটকে (উপদেষ্টা পরিষদ) আরও গতিশীল হতে হবে। সরকারকে আরও বেশি ফাংশনাল হতে হবে, উপদেষ্টাদের আরও বেশি কাজ করতে হবে, দৃশ্যমান অগ্রগতি জনতার সামনে উপস্থাপন করতে হবে— এ ব্যাপারে কোনো দ্বিমত থাকতে পারে না। আমাদের দেখাতে হবে, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে জনতার সম্মতিতে ক্ষমতায় এসে প্রফেসর সাফল্য দেখিয়েছেন। বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সম্মান আছে, এটা রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।’
দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সরকারের আরও বেশি মতবিনিময় প্রয়োজন বলেও মনে করেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, সরকারকে এখন থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে আলোচনায় বসতে হবে। নিয়মিত বসে এবং বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামত চাইতে হবে। কোনো ধরনের বিচ্ছিন্নতা কাম্য নয়।’
দরকারি প্রস্তুতি শেষ করে আগামী বছরের এপ্রিল বা মে মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে পারে বলে ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ এই সহকারী। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন এপ্রিল বা মে মাসের কোনো এক সময়ে হবে বলেই আশা করি। তবে এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। এ সময়ে সব যৌক্তিক সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে, করতে হবে জুলাই সনদ।’
ভোটের তারিখ প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা করবেন জানিয়ে আহমদ ফয়েজ তৈয়্যব বলেন, ‘তবে ডিসেম্বর থেকে জুনে দেওয়া রোডম্যাপ মতে নির্বাচনের এক্স্যাক্ট ডেট ঘোষণার এখতিয়ার শুধুমাত্র স্যারের (অধ্যাপক ইউনূস)। স্যারের এখতিয়ার অন্য কেউ হাইজ্যাক করতে পারবে না। স্যারকে যখন আনা হয়েছে, তখন বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে স্যার বলেছেন, আমার কথা শুনতে হবে।’
জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত অপরাধের বিচারকাজও এগিয়ে চলেছে বলে জানান আহমদ ফয়েজ তৈয়্যব। তিনি বলেন, ‘জুলাই-আগস্ট ২০২৫-এ আমরা জাতীয়ভাবে দুই মাস জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তির উদযাপন করব, ইনশাল্লাহ। এবং আগস্টের মধ্যেই স্বৈরাচারী খুনি হাসিনার বিচারের প্রথম রায়টি আলোর মুখ দেখতে পাবে বলেও আশা প্রকাশ করি। ইনশাআল্লাহ আমরা হারব না, আমাদের হারানো যাবে না।’
এদিকে এ স্ট্যাটাসের কয়েক ঘণ্টা পর প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আহমদ ফয়েজ তৈয়্যব আরও একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে আগের স্ট্যাটাসকে ‘ব্যক্তিগত অভিমত’ অভিহিত করে তার ভিত্তিতে খবর পরিবেশন না করার অনুরোধ জানান তিনি।

৪১ সদস্যের এই কমিটিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরও দুই সদস্য সেলিমা রহমান ও শামসুজ্জামান দুদুকে রাখা হয়েছে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে। দলীয় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহকে দেওয়া হয়েছে প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব।
১ দিন আগে
শেখ হাসিনার পলায়ন ও রওশন এরশাদের অনুপস্থিতির পর খালেদা জিয়ার প্রয়াণে দেশের রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বই পর্দার আড়ালে চলে গেল কি না, সে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে— রাজনীতির মাঠে এখন যেসব নারীরা রয়েছেন, তাদের মাধ্যমে কি রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে নারী নেতৃত্বের শূন্যতা আদৌ পূরণ হবে? নাকি রাজনীতি পরিপ
১ দিন আগে
এ সময় জামায়াত আমিরের উপস্থিতিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশের ওপর আলোকপাত করা হয়।
১ দিন আগে
দলের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে নীতিগত দ্বিমত পোষণ করে তিনি লেখেন, ‘সম্প্রতি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন দশ দলীয় জোটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে আমি নীতিগতভাবে একমত নই।’
১ দিন আগে