
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সরাসরি সামরিক বাহিনী পাঠিয়ে তুলে নিয়ে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রে। ইরানে হামলা চালিয়ে হত্যা করেছেন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে। দুই দেশেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হামলার মূল লক্ষ্যই ছিল সরকার পরিবর্তন।
এবারে আরও একটি দেশে সরকার পতন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে বলে হুমকি দিয়ে রাখলেন ট্রাম্প। কিউবার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ইরানে ‘কাজ’ শেষ হলে কিউবায় সে কাজ হবে ‘সময়ের ব্যাপার’।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ কথা বলেন। এ সময় তিনি জানান, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর কিউবায় মার্কিন পদক্ষেপ শুরু হতে পারে।
কিউবা ইস্যুতে ‘চমৎকার কাজ’ করার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে ধন্যবাদ জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘কিউবায় যা ঘটছে তা আশ্চর্যজনক। আমরা প্রথমে এটি (ইরান) শেষ করতে চাই। এরপর সেটি (কিউবা) হবে কেবল সময়ের ব্যাপার।’
নিজের সামরিক বাহিনীর প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আমার প্রথম মেয়াদে সামরিক বাহিনীকে গড়ে তুলেছি এবং পুনর্গঠন করেছি। সত্যি বলতে, আমি যতটা চাই তার চেয়েও বেশি এটি ব্যবহার করছি। আর যখনই আমরা এটি ব্যবহার করেছি, আমরা দেখেছি যে এটি অবশ্যই কাজ করেছে।’
কিউবাকে নিয়ে ট্রাম্পের এমন হুমকি-ধমকি নতুন কিছু নয়। ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালানোর পরও কিউবাকে আলটিমেটাম দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেছিলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি না করলে কিউবা নিকট ভবিষ্যতেই মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়বে।
রাশিয়ার সঙ্গে তেল আমদানি-রপ্তানির সম্পর্ক যাদের আছে তাদের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। কিউবার ক্ষেত্রেও এমন হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, কোনো দেশ যদি কিউবায় তেল রপ্তানি করে, তাহলে সেই দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সরাসরি সামরিক বাহিনী পাঠিয়ে তুলে নিয়ে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রে। ইরানে হামলা চালিয়ে হত্যা করেছেন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে। দুই দেশেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হামলার মূল লক্ষ্যই ছিল সরকার পরিবর্তন।
এবারে আরও একটি দেশে সরকার পতন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে বলে হুমকি দিয়ে রাখলেন ট্রাম্প। কিউবার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ইরানে ‘কাজ’ শেষ হলে কিউবায় সে কাজ হবে ‘সময়ের ব্যাপার’।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ কথা বলেন। এ সময় তিনি জানান, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর কিউবায় মার্কিন পদক্ষেপ শুরু হতে পারে।
কিউবা ইস্যুতে ‘চমৎকার কাজ’ করার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে ধন্যবাদ জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘কিউবায় যা ঘটছে তা আশ্চর্যজনক। আমরা প্রথমে এটি (ইরান) শেষ করতে চাই। এরপর সেটি (কিউবা) হবে কেবল সময়ের ব্যাপার।’
নিজের সামরিক বাহিনীর প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আমার প্রথম মেয়াদে সামরিক বাহিনীকে গড়ে তুলেছি এবং পুনর্গঠন করেছি। সত্যি বলতে, আমি যতটা চাই তার চেয়েও বেশি এটি ব্যবহার করছি। আর যখনই আমরা এটি ব্যবহার করেছি, আমরা দেখেছি যে এটি অবশ্যই কাজ করেছে।’
কিউবাকে নিয়ে ট্রাম্পের এমন হুমকি-ধমকি নতুন কিছু নয়। ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালানোর পরও কিউবাকে আলটিমেটাম দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেছিলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি না করলে কিউবা নিকট ভবিষ্যতেই মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়বে।
রাশিয়ার সঙ্গে তেল আমদানি-রপ্তানির সম্পর্ক যাদের আছে তাদের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। কিউবার ক্ষেত্রেও এমন হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, কোনো দেশ যদি কিউবায় তেল রপ্তানি করে, তাহলে সেই দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধ অবসানে এক পৃষ্ঠার ১৪ দফার একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের ‘কাছাকাছি’ পৌঁছেছে দুই পক্ষই। এই শান্তি আলোচনার ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের একটি সূত্র আজ বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১২ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধকে ‘অবৈধ’ বলে আখ্যা দিয়েছে চীন। বুধবার (৬ মে) বেইজিংয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এমন মন্তব্য করেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প প্রশাসনের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ অভিযানে সমুদ্রপথে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি। বরং এটি ইরানের পালটা হামলার ঝুঁকি বাড়িয়েছে। হরমুজ এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলাও চালিয়েছে ইরান। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও কয়েকটি ছোট ইরানি নৌযানে হামলা চালিয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এখন উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে থাকা তেলবাহী জাহাজগুলো ধীরে ধীরে চলাচল শুরু করতে পারবে। ফলে বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়তে পারে।
১৪ ঘণ্টা আগে