
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। নেপাল পুলিশের সবশেষ তথ্য বলছে, বুধবারের ওই বন্যার পর এখন পর্যন্ত উদ্ধার অভিযানে এক হাজার ১০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নদীর স্রোতে ভেসে যাওয়া মরদেহের কয়েকটি ভারতের ভূখণ্ড থেকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
নেপাল পুলিশের সর্বশেষ হিসাবের বরাত দিয়ে কাঠমান্ডু পোস্ট ও বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১১টা পর্যন্ত রাশুয়া, নুয়াকোট, ধাদিং, গোরখা, তানাহুন, চিতওয়ান, নওয়ালপরাসি পূর্ব ও নওয়ালপরাসি পশ্চিম— এই আট জেলায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি মরদেহ পাওয়া গেছে ভারতের ভূখণ্ডে।
নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলের ব্রিফিংয়েও এক হাজার ১০টি মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছে। মন্ত্রণালয় বলছে, এখনো প্রায় চার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ১২ হাজার মানুষকে।
বুধবারের এ বন্যার মূল উৎস ছিল উত্তর নেপালের রাশুয়া এলাকা। কিন্তু ভোতে কোশি ও ত্রিশূলী নদীর প্রবল স্রোতে মরদেহ ও ধ্বংসাবশেষ বহু দূর পর্যন্ত ভেসে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে নিম্নাঞ্চলের চিতওয়ান জেলায়।
নেপাল পুলিশ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিভিন্ন এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের হিসাব জানিয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এলাকাভিত্তিক উদ্ধার হওয়া মরদেহের হিসাব এমন—
নদীর স্রোতে ভেসে যাওয়া মরদেহ এখনো বিভিন্ন স্থানে উদ্ধার হচ্ছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উদ্ধার হওয়া মরদেহের বড় অংশ এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ পরিচয় শনাক্তের জন্য ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করছে এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনদের কাছ থেকেও ছবি ও নমুনা নেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া এক হাজার ১০টি মরদেহের মধ্যে ৯৭২টির ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় নথিপত্রের কাজ শেষ হয়েছে এবং ৫৬টি মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ৬২৮টি মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
মৃতের পাশাপাশি নিখোঁজের তালিকাও দীর্ঘ হচ্ছে। নেপাল সরকারের বিভিন্ন সংস্থার হিসাব, প্রায় চার হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ। তাদের মধ্যে বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৩৯টি দেশের প্রায় ৫৯০ বিদেশি নাগরিক এখনো নিখোঁজ। বন্যার পর ৩২৪ বিদেশি নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে।
নিখোঁজদের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তারাও রয়েছেন। নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার ও অনুসন্ধান কার্যক্রমের পাশাপাশি নিখোঁজদের পরিচয় যাচাই এবং মরদেহ ব্যবস্থাপনার কাজও একসঙ্গে চলছে।
বন্যার সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাশুয়া ও নুয়াকোটের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে। আকস্মিক ঢলে কয়েকটি প্রকল্পের অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে এবং টানেলের ভেতর বিপুলসংখ্যক কর্মী আটকা পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে বিভিন্ন টানেলে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। কিছু এলাকায় কাদামাটি ও পাথরের স্তর এতটাই পুরু যে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেও কাজ এগোতে সময় লাগছে। একটি প্রকল্প এলাকায় উদ্ধারকারীরা টানেলের মুখ পর্যন্ত পৌঁছে প্রায় ১০ মিটার কাদা সরিয়ে প্রবেশপথ তৈরির কাজ করেছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে এখনো শত শত মানুষ আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, ধ্বংস হয়ে যাওয়া সড়ক ও সেতু এবং যোগাযোগব্যবস্থা বিপর্যস্ত থাকায় উদ্ধারকাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

প্রাথমিকভাবে প্রবল বৃষ্টিকে বন্যার কারণ মনে করা হলেও পরে পাওয়া তথ্য বলছে, বিপর্যয়ের পেছনে ছিল পাহাড়ের ওপর বরফ, পাথর ও মাটির বিশাল অংশ ধসে পড়ার ঘটনা।
নেপালের আবহাওয়া ও জলবিদ্যা বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চীনের কাছ থেকে পাওয়া স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, নদীর প্রায় ২০ কিলোমিটার উজানে বরফ ও পাথরের ধস নেমে নদীর প্রবাহ আটকে যায়। সেখানে অস্থায়ী একটি জলাধারের মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর সেটি ভেঙে বিপুল পরিমাণ পানি, বরফ, পাথর ও কাদা একসঙ্গে নিচের দিকে ধেয়ে আসে।
বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণেও বলা হয়েছে, ২৬ আগস্টের এই আকস্মিক বন্যাটি স্থানীয় অতিবৃষ্টির চেয়ে বরং বরফ, পাথর ও মাটির বিশাল অংশ ধসে নদী আটকে যাওয়ার পর সেই প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। পাহাড়ি সরু উপত্যকা দিয়ে প্রবল গতিতে নেমে আসা পানির সঙ্গে বিপুল পরিমাণ পাথর ও কাদা মিশে যাওয়ায় এর ধ্বংসক্ষমতা আরও বেড়ে যায়।
বিপর্যয়ের সপ্তম দিনেও স্বজনদের খোঁজে দুর্গত এলাকাগুলোতে মানুষের ভিড় দেখা গেছে। হাসপাতাল, মর্গ ও উদ্ধারকেন্দ্রে ঘুরছেন নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা। অনেক পরিবার উদ্ধার হওয়া মরদেহের ছবি দেখে প্রিয়জনকে শনাক্ত করার চেষ্টা করছে।
অজ্ঞাত মরদেহের সংখ্যা বেশি হওয়ায় পরিচয় শনাক্ত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুলিশ এরই মধ্যে শত শত অজ্ঞাত মরদেহের তথ্য ও ছবি প্রকাশ করেছে এবং ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করছে। মরদেহ শনাক্ত ও পরিবারের কাছে হস্তান্তরের পাশাপাশি যেসব মরদেহ দীর্ঘদিন পড়ে রয়েছে, সেগুলো দ্রুত দাফনের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।
উদ্ধার অভিযান সপ্তম দিনে গড়ালেও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি। নেপালের আবহাওয়া ও জলবিদ্যা বিভাগ নদীর পানির স্তর পর্যবেক্ষণ করছে এবং বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও নদীর পানি বৃদ্ধির সতর্কতা জারি রয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।
ফলে দুর্গত এলাকায় নতুন করে ঢল ও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। এতে একদিকে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে আটকে থাকা মানুষকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার তাগিদও বেড়েছে।

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। নেপাল পুলিশের সবশেষ তথ্য বলছে, বুধবারের ওই বন্যার পর এখন পর্যন্ত উদ্ধার অভিযানে এক হাজার ১০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নদীর স্রোতে ভেসে যাওয়া মরদেহের কয়েকটি ভারতের ভূখণ্ড থেকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
নেপাল পুলিশের সর্বশেষ হিসাবের বরাত দিয়ে কাঠমান্ডু পোস্ট ও বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১১টা পর্যন্ত রাশুয়া, নুয়াকোট, ধাদিং, গোরখা, তানাহুন, চিতওয়ান, নওয়ালপরাসি পূর্ব ও নওয়ালপরাসি পশ্চিম— এই আট জেলায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি মরদেহ পাওয়া গেছে ভারতের ভূখণ্ডে।
নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলের ব্রিফিংয়েও এক হাজার ১০টি মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছে। মন্ত্রণালয় বলছে, এখনো প্রায় চার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ১২ হাজার মানুষকে।
বুধবারের এ বন্যার মূল উৎস ছিল উত্তর নেপালের রাশুয়া এলাকা। কিন্তু ভোতে কোশি ও ত্রিশূলী নদীর প্রবল স্রোতে মরদেহ ও ধ্বংসাবশেষ বহু দূর পর্যন্ত ভেসে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে নিম্নাঞ্চলের চিতওয়ান জেলায়।
নেপাল পুলিশ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিভিন্ন এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের হিসাব জানিয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এলাকাভিত্তিক উদ্ধার হওয়া মরদেহের হিসাব এমন—
নদীর স্রোতে ভেসে যাওয়া মরদেহ এখনো বিভিন্ন স্থানে উদ্ধার হচ্ছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উদ্ধার হওয়া মরদেহের বড় অংশ এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ পরিচয় শনাক্তের জন্য ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করছে এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনদের কাছ থেকেও ছবি ও নমুনা নেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া এক হাজার ১০টি মরদেহের মধ্যে ৯৭২টির ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় নথিপত্রের কাজ শেষ হয়েছে এবং ৫৬টি মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ৬২৮টি মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
মৃতের পাশাপাশি নিখোঁজের তালিকাও দীর্ঘ হচ্ছে। নেপাল সরকারের বিভিন্ন সংস্থার হিসাব, প্রায় চার হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ। তাদের মধ্যে বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৩৯টি দেশের প্রায় ৫৯০ বিদেশি নাগরিক এখনো নিখোঁজ। বন্যার পর ৩২৪ বিদেশি নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে।
নিখোঁজদের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তারাও রয়েছেন। নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার ও অনুসন্ধান কার্যক্রমের পাশাপাশি নিখোঁজদের পরিচয় যাচাই এবং মরদেহ ব্যবস্থাপনার কাজও একসঙ্গে চলছে।
বন্যার সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাশুয়া ও নুয়াকোটের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে। আকস্মিক ঢলে কয়েকটি প্রকল্পের অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে এবং টানেলের ভেতর বিপুলসংখ্যক কর্মী আটকা পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে বিভিন্ন টানেলে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। কিছু এলাকায় কাদামাটি ও পাথরের স্তর এতটাই পুরু যে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেও কাজ এগোতে সময় লাগছে। একটি প্রকল্প এলাকায় উদ্ধারকারীরা টানেলের মুখ পর্যন্ত পৌঁছে প্রায় ১০ মিটার কাদা সরিয়ে প্রবেশপথ তৈরির কাজ করেছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে এখনো শত শত মানুষ আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, ধ্বংস হয়ে যাওয়া সড়ক ও সেতু এবং যোগাযোগব্যবস্থা বিপর্যস্ত থাকায় উদ্ধারকাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

প্রাথমিকভাবে প্রবল বৃষ্টিকে বন্যার কারণ মনে করা হলেও পরে পাওয়া তথ্য বলছে, বিপর্যয়ের পেছনে ছিল পাহাড়ের ওপর বরফ, পাথর ও মাটির বিশাল অংশ ধসে পড়ার ঘটনা।
নেপালের আবহাওয়া ও জলবিদ্যা বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চীনের কাছ থেকে পাওয়া স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, নদীর প্রায় ২০ কিলোমিটার উজানে বরফ ও পাথরের ধস নেমে নদীর প্রবাহ আটকে যায়। সেখানে অস্থায়ী একটি জলাধারের মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর সেটি ভেঙে বিপুল পরিমাণ পানি, বরফ, পাথর ও কাদা একসঙ্গে নিচের দিকে ধেয়ে আসে।
বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণেও বলা হয়েছে, ২৬ আগস্টের এই আকস্মিক বন্যাটি স্থানীয় অতিবৃষ্টির চেয়ে বরং বরফ, পাথর ও মাটির বিশাল অংশ ধসে নদী আটকে যাওয়ার পর সেই প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। পাহাড়ি সরু উপত্যকা দিয়ে প্রবল গতিতে নেমে আসা পানির সঙ্গে বিপুল পরিমাণ পাথর ও কাদা মিশে যাওয়ায় এর ধ্বংসক্ষমতা আরও বেড়ে যায়।
বিপর্যয়ের সপ্তম দিনেও স্বজনদের খোঁজে দুর্গত এলাকাগুলোতে মানুষের ভিড় দেখা গেছে। হাসপাতাল, মর্গ ও উদ্ধারকেন্দ্রে ঘুরছেন নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা। অনেক পরিবার উদ্ধার হওয়া মরদেহের ছবি দেখে প্রিয়জনকে শনাক্ত করার চেষ্টা করছে।
অজ্ঞাত মরদেহের সংখ্যা বেশি হওয়ায় পরিচয় শনাক্ত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুলিশ এরই মধ্যে শত শত অজ্ঞাত মরদেহের তথ্য ও ছবি প্রকাশ করেছে এবং ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করছে। মরদেহ শনাক্ত ও পরিবারের কাছে হস্তান্তরের পাশাপাশি যেসব মরদেহ দীর্ঘদিন পড়ে রয়েছে, সেগুলো দ্রুত দাফনের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।
উদ্ধার অভিযান সপ্তম দিনে গড়ালেও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি। নেপালের আবহাওয়া ও জলবিদ্যা বিভাগ নদীর পানির স্তর পর্যবেক্ষণ করছে এবং বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও নদীর পানি বৃদ্ধির সতর্কতা জারি রয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।
ফলে দুর্গত এলাকায় নতুন করে ঢল ও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। এতে একদিকে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে আটকে থাকা মানুষকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার তাগিদও বেড়েছে।

কাতারের এলএনজি রপ্তানি মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হওয়ার মধ্যেই এ সিদ্ধান্ত এলো। এর ফলে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ইতালির ক্রেতাদের জন্য নির্ধারিত এলএনজি কার্গো সরবরাহ বাতিলের সময়সীমাও আরও বাড়ল।
১২ ঘণ্টা আগে
নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজরাম বসনেত জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রাসুওয়াগাধি, লাংটাং, চিলিমে, আপার ত্রিশূলী থ্রিএ ও আপার ত্রিশূলী থ্রিবি এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলছিল। এর মধ্যে ত্রিশূলী থ্রিএ প্রকল্প এলাকায় পাহাড়ের ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পথ তৈরি করা হচ্ছে এবং সুড়ঙ্গের ভেতরে বাতাস পাঠানো হচ্ছ
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানি জেনারেল বলেন, “এই যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের সেই ‘হলিউডি মুখোশ’ উন্মোচিত হওয়াটাই ইরানের সবচেয়ে বড় অর্জন। এখন গোটা বিশ্ব স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে, তাদের এই পরাশক্তি আসলে কতটা ভঙ্গুর ও মনোবলহীন।”
১৪ ঘণ্টা আগে
সোমবার মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালির লারাক দ্বীপে ইরানের দুটি রকেট লঞ্চার লক্ষ্য করে হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, এসব লঞ্চার ব্যবহার করে ইরান প্রণালিতে নৌমাইন ছড়িয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। মার্কিন বাহিনী তাদের অভিযানকে ‘সীমিত ও সুনির্দিষ্ট
১৪ ঘণ্টা আগে