
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে সামরিক সংঘাতের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন দূতাবাস নতুন নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে নাগরিকদের ‘উচ্চ সতর্কতা’ অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য ফ্লাইট বাতিল, আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং অন্যান্য ভ্রমণ বিঘ্নের জন্যও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সতর্কবার্তা জারি করেছে। এই সতর্কবার্তা এসেছে এমন একসময়ে, যখন এক মাসের বিরতির পর ইরানে আবারও হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ ও মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে ইরানের সাম্প্রতিক হামলাচেষ্টার জবাবে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে নতুন হামলা চালানো হয়েছে। হামলার পর ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের খবরও পাওয়া গেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল হয়ে আছে এবং ‘অপ্রত্যাশিতভাবে পরিস্থিতির অবনতি’ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।
মার্কিন নাগরিকদের সম্ভাব্য ফ্লাইট বাতিল, সাময়িকভাবে আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং অন্যান্য ভ্রমণ বিঘ্নের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে ওই সতর্কবার্তায়। অঞ্চলটিতে যাতায়াতকারী মার্কিন নাগরিকদের বিমানবন্দর ও এয়ারলাইনগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে থাকা মার্কিন নাগরিকদের অঞ্চলটিতে ভ্রমণ বা মধ্যপ্রাচ্য হয়ে যাতায়াতের বিষয়ে সতর্কভাবে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সতর্কবার্তায় শুধু মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার কথাই বলা হয়নি, বরং ইরান ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মার্কিন স্বার্থ ও মার্কিন নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করতে পারে বলেও সতর্ক করেছে ওয়াশিংটন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা, প্রতিষ্ঠান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন স্থাপনাও সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে ঝুঁকিটিকে শুধু যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ হিসেবে দেখছে না মার্কিন প্রশাসন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এর আগে গত জুলাইয়েও একই ধরনের একটি বৈশ্বিক সতর্কবার্তা জারি করেছিল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। তখনো মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা, সম্ভাব্য হামলা, ফ্লাইট বাতিল ও আকাশসীমা বন্ধের আশঙ্কার কথা বলা হয়েছিল। তবে মঙ্গলবারের সতর্কবার্তাটি এসেছে নতুন করে সরাসরি সামরিক সংঘাত শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই। ফলে এর সঙ্গে নতুন মার্কিন হামলার সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সতর্কবার্তায় সরাসরি বলেনি যে মঙ্গলবারের মার্কিন হামলার কারণেই এই নতুন সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বরং তারা মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক ‘জটিল’ নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য অপ্রত্যাশিত উত্তেজনার কথা বলেছে।
তবে সময়ের ব্যবধানটি তাৎপর্যপূর্ণ। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দক্ষিণাঞ্চল ও হরমুজ প্রণালির আশপাশে নতুন সামরিক অভিযান শুরু করে। একই দিনে মার্কিন দূতাবাসগুলো নাগরিকদের বাড়তি সতর্ক থাকার বার্তা দেয়। জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তায়ও একই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আবুধাবি ও বাহরাইনের মার্কিন দূতাবাস থেকেও একই ধরনের সতর্কতা প্রকাশ করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে নতুন হামলার পর ইরানের পালটা প্রতিক্রিয়া এবং তার সম্ভাব্য আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ বেড়েছে— এমন ধারণা তৈরি হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন নাগরিকদের জন্য নতুন সতর্কতা জারি করাই শেষ পদক্ষেপ নাও হতে পারে। ইরান যদি মঙ্গলবারের মার্কিন হামলার জবাবে বড় ধরনের পালটা আক্রমণ চালায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন দূতাবাসগুলো থেকে আরও নির্দিষ্ট নির্দেশনা আসতে পারে।
বিশেষ করে জর্ডান, ইরাক, ইসরায়েল, উপসাগরীয় দেশগুলো এবং হরমুজের আশপাশের এলাকায় পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হলে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, কূটনৈতিক কর্মীদের চলাচলে সীমাবদ্ধতা কিংবা ফ্লাইট পরিচালনায় আরও বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।
কারণ মঙ্গলবারের ঘটনাপ্রবাহে ইতোমধ্যেই সংঘাতের একটি নতুন চক্র তৈরি হয়েছে— যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, ইরানের সম্ভাব্য পালটা জবাব এবং তার পরবর্তী মার্কিন প্রতিক্রিয়া। এই চক্র যত দীর্ঘ হবে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নাগরিক ও মার্কিন স্বার্থের ঝুঁকিও তত বাড়বে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে সামরিক সংঘাতের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন দূতাবাস নতুন নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে নাগরিকদের ‘উচ্চ সতর্কতা’ অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য ফ্লাইট বাতিল, আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং অন্যান্য ভ্রমণ বিঘ্নের জন্যও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সতর্কবার্তা জারি করেছে। এই সতর্কবার্তা এসেছে এমন একসময়ে, যখন এক মাসের বিরতির পর ইরানে আবারও হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ ও মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে ইরানের সাম্প্রতিক হামলাচেষ্টার জবাবে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে নতুন হামলা চালানো হয়েছে। হামলার পর ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের খবরও পাওয়া গেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল হয়ে আছে এবং ‘অপ্রত্যাশিতভাবে পরিস্থিতির অবনতি’ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।
মার্কিন নাগরিকদের সম্ভাব্য ফ্লাইট বাতিল, সাময়িকভাবে আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং অন্যান্য ভ্রমণ বিঘ্নের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে ওই সতর্কবার্তায়। অঞ্চলটিতে যাতায়াতকারী মার্কিন নাগরিকদের বিমানবন্দর ও এয়ারলাইনগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে থাকা মার্কিন নাগরিকদের অঞ্চলটিতে ভ্রমণ বা মধ্যপ্রাচ্য হয়ে যাতায়াতের বিষয়ে সতর্কভাবে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সতর্কবার্তায় শুধু মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার কথাই বলা হয়নি, বরং ইরান ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মার্কিন স্বার্থ ও মার্কিন নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করতে পারে বলেও সতর্ক করেছে ওয়াশিংটন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা, প্রতিষ্ঠান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন স্থাপনাও সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে ঝুঁকিটিকে শুধু যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ হিসেবে দেখছে না মার্কিন প্রশাসন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এর আগে গত জুলাইয়েও একই ধরনের একটি বৈশ্বিক সতর্কবার্তা জারি করেছিল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। তখনো মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা, সম্ভাব্য হামলা, ফ্লাইট বাতিল ও আকাশসীমা বন্ধের আশঙ্কার কথা বলা হয়েছিল। তবে মঙ্গলবারের সতর্কবার্তাটি এসেছে নতুন করে সরাসরি সামরিক সংঘাত শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই। ফলে এর সঙ্গে নতুন মার্কিন হামলার সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সতর্কবার্তায় সরাসরি বলেনি যে মঙ্গলবারের মার্কিন হামলার কারণেই এই নতুন সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বরং তারা মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক ‘জটিল’ নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য অপ্রত্যাশিত উত্তেজনার কথা বলেছে।
তবে সময়ের ব্যবধানটি তাৎপর্যপূর্ণ। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দক্ষিণাঞ্চল ও হরমুজ প্রণালির আশপাশে নতুন সামরিক অভিযান শুরু করে। একই দিনে মার্কিন দূতাবাসগুলো নাগরিকদের বাড়তি সতর্ক থাকার বার্তা দেয়। জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তায়ও একই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আবুধাবি ও বাহরাইনের মার্কিন দূতাবাস থেকেও একই ধরনের সতর্কতা প্রকাশ করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে নতুন হামলার পর ইরানের পালটা প্রতিক্রিয়া এবং তার সম্ভাব্য আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ বেড়েছে— এমন ধারণা তৈরি হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন নাগরিকদের জন্য নতুন সতর্কতা জারি করাই শেষ পদক্ষেপ নাও হতে পারে। ইরান যদি মঙ্গলবারের মার্কিন হামলার জবাবে বড় ধরনের পালটা আক্রমণ চালায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন দূতাবাসগুলো থেকে আরও নির্দিষ্ট নির্দেশনা আসতে পারে।
বিশেষ করে জর্ডান, ইরাক, ইসরায়েল, উপসাগরীয় দেশগুলো এবং হরমুজের আশপাশের এলাকায় পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হলে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, কূটনৈতিক কর্মীদের চলাচলে সীমাবদ্ধতা কিংবা ফ্লাইট পরিচালনায় আরও বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।
কারণ মঙ্গলবারের ঘটনাপ্রবাহে ইতোমধ্যেই সংঘাতের একটি নতুন চক্র তৈরি হয়েছে— যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, ইরানের সম্ভাব্য পালটা জবাব এবং তার পরবর্তী মার্কিন প্রতিক্রিয়া। এই চক্র যত দীর্ঘ হবে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নাগরিক ও মার্কিন স্বার্থের ঝুঁকিও তত বাড়বে।

নাইটনের ভাষ্য, বিপুল সেনা মোতায়েন করেও রুশ বাহিনী ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করতে পারছে না। পশ্চিমা কর্মকর্তা ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, চলতি বছরে রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রার গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ব্রিকস সম্মেলন সামনে রেখেই তিন দিনের সফরে ভারত গেছেন ভ্লাদিমির পুতিন। তার নয়াদিল্লি সফর ভারতের জন্য একই সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। কয়েক দশক ধরে রাশিয়া ভারতের অন্যতম ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক অংশীদার। ভারতের সামরিক সরঞ্জামের বড় একটি অংশ ঐতিহাসিকভাবে রাশিয়া থেকে এসেছ
১১ ঘণ্টা আগে
তবে দুই দশকের বেশি সময় ধরে বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতায় বিশ্লেষকরা বলছেন, আপাতদৃষ্টিতে এসব কাঠামো শক্তিশালী ও সুরক্ষিত মনে হলেও এর মধ্যে থেকে গেছে গুরুতর দুর্বলতা। সেই দুর্বলতাই নতুন ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
সদস্য বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে স্বার্থের বৈচিত্র্যও। ফলে ব্রিকসকে এখন একই সঙ্গে একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম, বৈশ্বিক দক্ষিণের রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর এবং পশ্চিমানির্ভর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে নিজেদের ভূমিকা নির্ধারণ করতে হচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে