
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজায় টানা ২৩ মাস ধরে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় গাজা সিটিতেই প্রাণ হারিয়েছেন ৫১ জন, যার মধ্যে ছয় বছর বয়সী যমজ শিশুও রয়েছে। হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৮০ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ইসরায়েল সোমবার সন্ধ্যায় গাজা সিটিতে ব্যাপক বোমাবর্ষণ চালিয়ে এলাকার সর্বোচ্চ আবাসিক ভবন আল-ঘাফরি হাইরাইজ ধ্বংস করেছে। এই তীব্র হামলার কারণে লাখো বাসিন্দা শহর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হচ্ছেন।
জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ র্যাপোর্টার ফ্রান্সেসকা আলবানিজে অভিযোগ করেছেন, ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উৎখাত করতে ইসরায়েল অপ্রচলিত অস্ত্র ব্যবহার করছে।
ইসরায়েলি টিভি চ্যানেল ১২ জানায়, গাজা সিটির উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে ‘অস্বাভাবিক তীব্র হামলা’ চালানো হয়েছে। ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহে অন্তত ৫০টি বহুতল ভবন মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে ইসরায়েল।
শহরের অন্যান্য এলাকাও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। শুধু জায়তুন এলাকায় আগস্টের শুরু থেকে ১ হাজার ৫০০’র বেশি বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ টানা তৃতীয় দিনের মতো হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে লিখেছেন, “সন্ত্রাসের টাওয়ার সমুদ্রে ভেঙে পড়েছে”। তবে ভবনটি হামাসের ব্যবহৃত ছিল এমন কোনো প্রমাণ তিনি দেননি।
২৩ মাস ধরে চলা যুদ্ধের মধ্যে আবাসিক এলাকা, স্কুল ও হাসপাতালও বারবার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু গাজা সিটিতেই ৫১ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয় বছর বয়সী যমজ শিশুও রয়েছে।
এছাড়া তিন সাংবাদিকও পৃথক হামলায় নিহত হয়েছেন। তারা হচ্ছেন- নাসর এলাকায় প্রতিবেদক মোহাম্মদ আল-কুইফি, ফটোগ্রাফার ও সম্প্রচার প্রকৌশলী আইমান হানিয়ে এবং সাংবাদিক ইমান আল-জামিলি।
এ নিয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীর সংখ্যা প্রায় ২৮০ জনে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতে, সাংবাদিকদের জন্য এটি সবচেয়ে প্রাণঘাতী যুদ্ধ।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৬৪ হাজার ৯০৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯২৬ জন। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অগণিত মরদেহ চাপা পড়ে আছে।

গাজায় টানা ২৩ মাস ধরে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় গাজা সিটিতেই প্রাণ হারিয়েছেন ৫১ জন, যার মধ্যে ছয় বছর বয়সী যমজ শিশুও রয়েছে। হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৮০ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ইসরায়েল সোমবার সন্ধ্যায় গাজা সিটিতে ব্যাপক বোমাবর্ষণ চালিয়ে এলাকার সর্বোচ্চ আবাসিক ভবন আল-ঘাফরি হাইরাইজ ধ্বংস করেছে। এই তীব্র হামলার কারণে লাখো বাসিন্দা শহর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হচ্ছেন।
জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ র্যাপোর্টার ফ্রান্সেসকা আলবানিজে অভিযোগ করেছেন, ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উৎখাত করতে ইসরায়েল অপ্রচলিত অস্ত্র ব্যবহার করছে।
ইসরায়েলি টিভি চ্যানেল ১২ জানায়, গাজা সিটির উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে ‘অস্বাভাবিক তীব্র হামলা’ চালানো হয়েছে। ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহে অন্তত ৫০টি বহুতল ভবন মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে ইসরায়েল।
শহরের অন্যান্য এলাকাও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। শুধু জায়তুন এলাকায় আগস্টের শুরু থেকে ১ হাজার ৫০০’র বেশি বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ টানা তৃতীয় দিনের মতো হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে লিখেছেন, “সন্ত্রাসের টাওয়ার সমুদ্রে ভেঙে পড়েছে”। তবে ভবনটি হামাসের ব্যবহৃত ছিল এমন কোনো প্রমাণ তিনি দেননি।
২৩ মাস ধরে চলা যুদ্ধের মধ্যে আবাসিক এলাকা, স্কুল ও হাসপাতালও বারবার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু গাজা সিটিতেই ৫১ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয় বছর বয়সী যমজ শিশুও রয়েছে।
এছাড়া তিন সাংবাদিকও পৃথক হামলায় নিহত হয়েছেন। তারা হচ্ছেন- নাসর এলাকায় প্রতিবেদক মোহাম্মদ আল-কুইফি, ফটোগ্রাফার ও সম্প্রচার প্রকৌশলী আইমান হানিয়ে এবং সাংবাদিক ইমান আল-জামিলি।
এ নিয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীর সংখ্যা প্রায় ২৮০ জনে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতে, সাংবাদিকদের জন্য এটি সবচেয়ে প্রাণঘাতী যুদ্ধ।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৬৪ হাজার ৯০৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯২৬ জন। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অগণিত মরদেহ চাপা পড়ে আছে।

যুদ্ধকালীন জাতীয় ঐক্য পার হয়ে এক ঝুঁকিপূর্ণ ও চরম বাস্তবতার পথে পা বাড়াতে যাচ্ছে ইরান। এই বাস্তবতা হলো— দেশটির আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতি, অর্থনীতির ১০ শতাংশ সংকোচন, তীব্র বিদ্যুৎ বিপর্যয় এবং সরকারের নজিরবিহীন ভিন্নমত দমনের বিরুদ্ধে ওঠা তীব্র জনরোষের এক অগ্নিপরীক্ষা।
১ দিন আগে
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অভিজিৎ দীপকে সরাসরি যন্তর মন্তরে পৌঁছান। সাদা টি-শার্ট, কালো জ্যাকেট ও টুপি পরিহিত অভিজিতের হাতে ছিল ভারতীয় সংবিধানের অন্যতম রূপকার ভীমরাও আম্বেদকরের আত্মজীবনী।
১ দিন আগে
মধ্য আফ্রিকায় ইবোলা সংক্রমণ অত্যন্ত ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে চলেছে। চলমান এই প্রাদুর্ভাবের বিস্তার ২০১৪-২০১৬ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় আঘাত হানা ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ইবোলা মহামারির আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন মার্কিন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। পশ্চিম আফ্রিকার সেই প্রাদুর্ভাবে ১১ হাজারেরও বেশি ম
১ দিন আগে
বৈরুত-তেল আবিব যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার পর, নিজেদের লেবানিজ মিত্র হিজবুল্লাহর প্রতি আবারও প্রকাশ্য ও জোরালো সমর্থন ব্যক্ত করেছে ইরান। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি বাহিনীকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে তেহরান।
১ দিন আগে