
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পেতে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখনই এটি (ইউরেনিয়াম) পেয়ে যেতে পারি। আমরা যদি চাই, আমার মনে হয় না তারা আমাদের আটকাতে পারবে।’ তবে এর কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ, এটি এখন চাপা পড়া (নিষ্ক্রিয়) অবস্থায় আছে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানান, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনির সঙ্গে বৈঠক করার কোনো ইচ্ছা তার নেই।
তবে ওয়াশিংটন ও তেহরান যদি কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে, তবে দুই নেতার মধ্যে বৈঠক হওয়া সম্ভব বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘যদি এমন কিছু ঘটে... তবে আমি অবশ্যই সম্মান প্রদর্শন করব।’
রাজনীতি/আইআর

ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পেতে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখনই এটি (ইউরেনিয়াম) পেয়ে যেতে পারি। আমরা যদি চাই, আমার মনে হয় না তারা আমাদের আটকাতে পারবে।’ তবে এর কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ, এটি এখন চাপা পড়া (নিষ্ক্রিয়) অবস্থায় আছে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানান, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনির সঙ্গে বৈঠক করার কোনো ইচ্ছা তার নেই।
তবে ওয়াশিংটন ও তেহরান যদি কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে, তবে দুই নেতার মধ্যে বৈঠক হওয়া সম্ভব বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘যদি এমন কিছু ঘটে... তবে আমি অবশ্যই সম্মান প্রদর্শন করব।’
রাজনীতি/আইআর

কয়েক মাস ধরে ‘ইউক্রেন সাপোর্ট অ্যাক্ট’ নামের এই বিলটি পাসের অপেক্ষায় ঝুলে ছিল। সাধারণত প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকারের অনুমতি ছাড়া কোনো বিল ভোটাভুটির জন্য তোলা যায় না। তবে এবার এক অভিনব পন্থায় কয়েকজন রিপাবলিকান সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে মিলে একটি বিশেষ আবেদনে (ডিসচার্জ পিটিশন) সই করলে বিলটি ভোটাভুটির জ
৬ ঘণ্টা আগে
এ বিষয়ে কিউবা সরকার তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য না করলেও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগুয়েজ পারিলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ‘জঘন্য’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে সংঘাতের পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র যে পদক্ষেপই নিক না কেন, তা ব্যর্থ হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
জেলেনস্কি বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মনোযোগ ইরান-সংকটের দিকে কেন্দ্রীভূত। এ অবস্থায় ইউরোপের যুদ্ধ আবার ওয়াশিংটনের অগ্রাধিকার তালিকায় ফিরে আসার অপেক্ষায় বসে থাকা সঠিক হবে না। তিনি লিখেছেন, ‘ইউরোপের যুদ্ধ আবার আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রে ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভুল হবে।’
১০ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে যেকোনো শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানোর প্রধান শর্ত হিসেবে লেবাননে যুদ্ধবিরতির দাবি তুলেছিল ইরান। এমনকি সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তেহরান এমন ইঙ্গিতও দিয়েছে— ইসরায়েল যদি লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখে বা আরও জোরদার করে, তবে তারা তাদের মিত্র হিজবুল্লাহর পক্ষে
১৯ ঘণ্টা আগে