
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহে দেশটিতে রাষ্ট্রীয় সফরে যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ২০১৯ সালের পর এটিই হবে তার প্রথম উত্তর কোরিয়া সফর। দুই দিনের এ সফরে তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
শুক্রবার (৫ জুন) চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া এবং উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে দ্রুত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বেইজিং ও পিয়ংইয়ংয়ের সম্পর্ক নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক যোগাযোগের পর শি জিনপিংয়ের এই সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে।
গত কয়েক বছরে করোনা মহামারি, উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত বন্ধ রাখা এবং রাশিয়ার সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধির কারণে চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক কিছুটা শীতল হয়ে পড়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
পর্যবেক্ষকদের একাংশের ধারণা, শি জিনপিংয়ের সফর ট্রাম্প ও কিম জং উনের মধ্যকার সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ আলোচনার ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও বেইজিং এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার কথা উল্লেখ করেনি।
চীন দীর্ঘদিন ধরে উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক অংশীদার। দেশটির বৈদেশিক বাণিজ্যের বড় অংশই চীনের সঙ্গে সম্পন্ন হয়। তবে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বেইজিং বরাবরই সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা আরও জোরদারের ইঙ্গিত দিয়েছে। চলতি সপ্তাহে পারমাণবিক উপাদান উৎপাদনের একটি নতুন কেন্দ্র পরিদর্শন করে কিম জং উন দেশটির পারমাণবিক শক্তি দ্রুত বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানান।
এদিকে শি জিনপিংয়ের এবারের সফর দুই দেশের মধ্যে ১৯৬১ সালে স্বাক্ষরিত ‘বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তা চুক্তি’র ৬৫তম বার্ষিকীর সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ফলে সফরটি কেবল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নয়, পূর্ব এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্যের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পিয়ংইয়ংয়ে শি জিনপিংকে কী ধরনের অভ্যর্থনা দেওয়া হয় এবং কিম জং উনের সঙ্গে তার বৈঠক থেকে কী বার্তা আসে, সেদিকে আন্তর্জাতিক মহলের বিশেষ নজর থাকবে।
রাজনীতি/আরআইআর

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহে দেশটিতে রাষ্ট্রীয় সফরে যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ২০১৯ সালের পর এটিই হবে তার প্রথম উত্তর কোরিয়া সফর। দুই দিনের এ সফরে তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
শুক্রবার (৫ জুন) চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া এবং উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে দ্রুত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বেইজিং ও পিয়ংইয়ংয়ের সম্পর্ক নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক যোগাযোগের পর শি জিনপিংয়ের এই সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে।
গত কয়েক বছরে করোনা মহামারি, উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত বন্ধ রাখা এবং রাশিয়ার সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধির কারণে চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক কিছুটা শীতল হয়ে পড়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
পর্যবেক্ষকদের একাংশের ধারণা, শি জিনপিংয়ের সফর ট্রাম্প ও কিম জং উনের মধ্যকার সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ আলোচনার ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও বেইজিং এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার কথা উল্লেখ করেনি।
চীন দীর্ঘদিন ধরে উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক অংশীদার। দেশটির বৈদেশিক বাণিজ্যের বড় অংশই চীনের সঙ্গে সম্পন্ন হয়। তবে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বেইজিং বরাবরই সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা আরও জোরদারের ইঙ্গিত দিয়েছে। চলতি সপ্তাহে পারমাণবিক উপাদান উৎপাদনের একটি নতুন কেন্দ্র পরিদর্শন করে কিম জং উন দেশটির পারমাণবিক শক্তি দ্রুত বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানান।
এদিকে শি জিনপিংয়ের এবারের সফর দুই দেশের মধ্যে ১৯৬১ সালে স্বাক্ষরিত ‘বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তা চুক্তি’র ৬৫তম বার্ষিকীর সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ফলে সফরটি কেবল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নয়, পূর্ব এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্যের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পিয়ংইয়ংয়ে শি জিনপিংকে কী ধরনের অভ্যর্থনা দেওয়া হয় এবং কিম জং উনের সঙ্গে তার বৈঠক থেকে কী বার্তা আসে, সেদিকে আন্তর্জাতিক মহলের বিশেষ নজর থাকবে।
রাজনীতি/আরআইআর

জেলেনস্কি বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মনোযোগ ইরান-সংকটের দিকে কেন্দ্রীভূত। এ অবস্থায় ইউরোপের যুদ্ধ আবার ওয়াশিংটনের অগ্রাধিকার তালিকায় ফিরে আসার অপেক্ষায় বসে থাকা সঠিক হবে না। তিনি লিখেছেন, ‘ইউরোপের যুদ্ধ আবার আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রে ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভুল হবে।’
৬ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে যেকোনো শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানোর প্রধান শর্ত হিসেবে লেবাননে যুদ্ধবিরতির দাবি তুলেছিল ইরান। এমনকি সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তেহরান এমন ইঙ্গিতও দিয়েছে— ইসরায়েল যদি লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখে বা আরও জোরদার করে, তবে তারা তাদের মিত্র হিজবুল্লাহর পক্ষে
১৬ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আকাশপথ, যুদ্ধজাহাজ ও স্থলভিত্তিক মোবাইল লাঞ্চার থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য এই বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার মূলত তাইওয়ানের তথাকথিত ‘অপ্রতিসম সমরকৌশলে’র (অ্যাসিম্যাট্রিক স্ট্র্যাটেজি) অংশ। এই কৌশলের মূল লক্ষ্য— সংখ্যার দিক থেকে চীনের বিশাল ও শক্তিশালী সামরি
১৯ ঘণ্টা আগে
গত ২ জুন কলকাতার রাসমণি রোডে আয়োজিত এক জনসভায় বাংলাদেশে সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্য দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের এক ‘বড় খুনি’ মেঘালয় সীমান্ত হয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করার পর রাজ্যের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) তাকে গ্রেপ্তার করেছিল।
১ দিন আগে