
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

তেহরান তার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোনো তৃতীয় দেশে স্থানান্তর করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে ইরানের সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এ খবর জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২৯ মে) রুশ সংবাদমাধ্যম আরআইএ নভোস্তিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আজিজি বলেন, ‘ইরান তার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোনো তৃতীয় দেশের কাছে হস্তান্তর করতে চায় না।’
খবরে আরও বলা হয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি আনুষ্ঠানিক করার পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়ে একটি সমঝোতার খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ কী হবে, সেই প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত এবং পরবর্তী আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে রয়েছে।
বিশেষ করে ৬০ শতাংশ মাত্রায় সমৃদ্ধ করা প্রায় এক হাজার পাউন্ড ইউরেনিয়ামকে ঘিরেই মূল আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইরান বহুবার বলেছে, তারা তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ছাড়বে না, যদিও তেহরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না।
এদিকে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ৬০ দিন বাড়ানোর বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকে সই করবেন কি না, তা এখনো ‘ঠিক হয়নি। তিনি জানান, কয়েকটি ভাষাগত বিষয় নিয়ে এখনো দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে।
তবে আলোচনায় অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে ভ্যান্স বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এর আগে চলতি মাসে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অভিযান চালিয়ে ইউরেনিয়াম উদ্ধার করতে পারে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন গত মার্চ মাসে জানায়, ইসফাহান পারমাণবিক স্থাপনা থেকে ইউরেনিয়াম সরিয়ে আনার সম্ভাব্য সামরিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা করেছিলেন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা। তাদের মূল্যায়নে বলা হয়, এমন অভিযানে শত শত, এমনকি হাজারও সেনা প্রয়োজন হতে পারে এবং এতে বড় ধরনের হতাহতের ঝুঁকি রয়েছে।

তেহরান তার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোনো তৃতীয় দেশে স্থানান্তর করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে ইরানের সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এ খবর জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২৯ মে) রুশ সংবাদমাধ্যম আরআইএ নভোস্তিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আজিজি বলেন, ‘ইরান তার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোনো তৃতীয় দেশের কাছে হস্তান্তর করতে চায় না।’
খবরে আরও বলা হয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি আনুষ্ঠানিক করার পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়ে একটি সমঝোতার খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ কী হবে, সেই প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত এবং পরবর্তী আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে রয়েছে।
বিশেষ করে ৬০ শতাংশ মাত্রায় সমৃদ্ধ করা প্রায় এক হাজার পাউন্ড ইউরেনিয়ামকে ঘিরেই মূল আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইরান বহুবার বলেছে, তারা তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ছাড়বে না, যদিও তেহরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না।
এদিকে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ৬০ দিন বাড়ানোর বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকে সই করবেন কি না, তা এখনো ‘ঠিক হয়নি। তিনি জানান, কয়েকটি ভাষাগত বিষয় নিয়ে এখনো দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে।
তবে আলোচনায় অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে ভ্যান্স বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এর আগে চলতি মাসে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অভিযান চালিয়ে ইউরেনিয়াম উদ্ধার করতে পারে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন গত মার্চ মাসে জানায়, ইসফাহান পারমাণবিক স্থাপনা থেকে ইউরেনিয়াম সরিয়ে আনার সম্ভাব্য সামরিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা করেছিলেন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা। তাদের মূল্যায়নে বলা হয়, এমন অভিযানে শত শত, এমনকি হাজারও সেনা প্রয়োজন হতে পারে এবং এতে বড় ধরনের হতাহতের ঝুঁকি রয়েছে।

দূতাবাস সূত্র জানায়, আহতদের মধ্যে রয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মো. মোমিন মিয়া ও নরসিংদীর জয়েনা আক্তার। আহত দুই শিশুর পরিচয় এখনো জানা যায়নি। বিস্ফোরণে জয়েনা তার পা হারিয়েছেন। দূতাবাস জানিয়েছে, দুই শিশু আহত তিনজনের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।
৯ ঘণ্টা আগে
এই চুক্তিতে কেবল আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রয়েছে, নাকি ড্রোনের মতো হামলার সরঞ্জামও অন্তর্ভুক্ত আছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে বিবিসিকে সূত্রগুলো জানিয়েছে, দুপক্ষই একটি চুক্তি সই করেছে, যেখানে আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের পাশাপাশি স্থল সামরিক সরঞ্জাম এবং তালেবান সরকারের সামরিক বাহিনীকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ
৯ ঘণ্টা আগে
নতুন এই সমঝোতার আওতায় দুই দেশের মধ্যকার চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বৃদ্ধি পাবে। এই সময়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিকভাবে নৌযান চলাচল করতে পারবে। আর দুই দেশের কূটনীতিক ও মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো অত্যন্ত জটিল ও স্পর্শকাতর ইস্যুগুলো সমাধানের জন্য আলোচনা চালিয়ে যাবেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বর্তমান সম্পর্কটা চরম গোলমেলে ও বিভ্রান্তিকর। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে— দুই দেশ কি আসলেই শান্তির কাছাকাছি রয়েছে, নাকি ফের একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে?
২০ ঘণ্টা আগে