
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সংঘাতে নামলো হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ২০০ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থায়ন বন্ধের জন্য মামলা দায়ের করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির কর্তৃপক্ষ। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি অ্যালান গার্বার সোমবার (২১ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসনের অবৈধ দাবি মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর, গত সপ্তাহে ফেডারেল সরকার একের পর এক পদক্ষেপ নিয়েছে। তহবিল স্থগিত করাকে বেআইনি এবং সরকারের ক্ষমতার বাইরে হিসেবে অভিহিত করছি।’
জানা যায়, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলায় মার্কিন সরকারের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার, জ্বালানি বিভাগ এবং সাধারণ পরিষেবা প্রশাসন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় লড়াই চলছে। বিশ্বের সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি ক্যাম্পাস বিক্ষোভের বিষয়ে সরকারের দাবি অমান্য করার পর হোয়াইট হাউস হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ২.২ বিলিয়ন ডলারের অনুদান আটকে দিয়েছে। এই নিয়ে শুরু হয়েছে সংঘাত।
সম্প্রতি, ট্রাম্প প্রশাসন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়কে তাদের নীতিতে পরিবর্তন আনতে নির্দেশ দিয়েছিল, বিশেষত ইহুদি-বিদ্বেষ মোকাবিলায়। কিন্তু হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষ এসব নির্দেশ মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানালে, হোয়াইট হাউস তহবিল বন্ধ করার পাশাপাশি কর-ছাড় সুবিধা বাতিলের হুমকি দেয়।

ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সংঘাতে নামলো হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ২০০ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থায়ন বন্ধের জন্য মামলা দায়ের করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির কর্তৃপক্ষ। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি অ্যালান গার্বার সোমবার (২১ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসনের অবৈধ দাবি মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর, গত সপ্তাহে ফেডারেল সরকার একের পর এক পদক্ষেপ নিয়েছে। তহবিল স্থগিত করাকে বেআইনি এবং সরকারের ক্ষমতার বাইরে হিসেবে অভিহিত করছি।’
জানা যায়, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলায় মার্কিন সরকারের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার, জ্বালানি বিভাগ এবং সাধারণ পরিষেবা প্রশাসন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় লড়াই চলছে। বিশ্বের সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি ক্যাম্পাস বিক্ষোভের বিষয়ে সরকারের দাবি অমান্য করার পর হোয়াইট হাউস হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ২.২ বিলিয়ন ডলারের অনুদান আটকে দিয়েছে। এই নিয়ে শুরু হয়েছে সংঘাত।
সম্প্রতি, ট্রাম্প প্রশাসন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়কে তাদের নীতিতে পরিবর্তন আনতে নির্দেশ দিয়েছিল, বিশেষত ইহুদি-বিদ্বেষ মোকাবিলায়। কিন্তু হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষ এসব নির্দেশ মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানালে, হোয়াইট হাউস তহবিল বন্ধ করার পাশাপাশি কর-ছাড় সুবিধা বাতিলের হুমকি দেয়।

বৈশ্বিক সংঘাত ও দ্বন্দ্ব নিরসনের লক্ষ্য নিয়ে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদে যোগ দেওয়ার জন্য কানাডাকে আমন্ত্রণ পাঠিয়েও প্রত্যাহার করে নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
১৬ ঘণ্টা আগে
আগামী নির্বাচনে এই জামায়াতকেই যুক্তরাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়। বন্ধু হিসেবে তাদের পাশেও পেতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশে শরিয়া আইন চালু করবে না। আর যদি যুক্তরাষ্ট্রের কথা না শুনে সেটি করেও, তাহলে শুল্ক আরোপসহ বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
১ দিন আগে
এ সময় ট্রাম্প জানিয়েছেন, কারা কারা থাকছে তার এই শান্তি উদ্যোগে। আরও জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা ঘিরে এই বোর্ডের কার্যক্রম শুরু হলেও ভবিষ্যতে তা আরও ব্যাপক আকারে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।
১ দিন আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, বুধবার নিহত তিন ফটো সাংবাদিক একটি গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। তাঁরা ‘মিসরীয় কমিটি ফর গাজা রিলিফের’ হয়ে কাজ করতেন, যা গাজায় মিসরের ত্রাণ কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করে।
২ দিন আগে