
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় ধোঁয়ার কুণ্ডলি উঠতে দেখা গেছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রয়টার্স নিউজ এজেন্সি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানায়, শনিবার ভোরে কারাকাসে বিকট শব্দ শোনা গেছে।
অন্যদিকে, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানিয়েছে যে, কারাকাসে অন্তত সাতটি বিস্ফোরণ এবং নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া বিমানের শব্দ শোনা গেছে। শহরের দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকা, যেখানে একটি বড় সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেখানে বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ভেনেজুয়েলা ইঙ্গিত দিয়েছিল যে তারা মাদক পাচার দমনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে গত সপ্তাহে তার দেশে সিআইএ-র নেতৃত্বাধীন কথিত হামলার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো নীরবতা বজায় রেখেছেন।
গত বৃহস্পতিবার প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কিছুটা নমনীয় সুর প্রকাশ করেছেন, যদিও গত কয়েক মাস ধরে ওয়াশিংটন দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক চাপ অব্যাহত রেখেছে।
তা সত্ত্বেও, মাদুরো পুনরায় অভিযোগ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র তার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এবং ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল সম্পদের দখল নিতে এই নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক চাপ প্রয়োগ করছে।
তিনি যোগ করেন, ‘যদি তারা তেল চায়, তবে ভেনেজুয়েলা মার্কিন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত, যেমনটি শেভরনের ক্ষেত্রে হয়েছে।’ উল্লেখ্য, শেভরন একমাত্র বড় মার্কিন তেল কোম্পানি যা ভেনেজুয়েলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করছে।
ভেনেজুয়েলার মাটিতে মার্কিন হামলার সত্যতা নিশ্চিত বা অস্বীকার করার বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে মাদুরো বলেন, ‘এটি এমন কিছু হতে পারে যা নিয়ে আমরা কয়েক দিন পর কথা বলব।’
মাদুরো আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র হুমকি, ভীতি এবং শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে চায়।
মাদুরোর এই সাক্ষাৎকারটি ইংরেজি নববর্ষের প্রাক্কালে রেকর্ড করা হয়েছিল। ওই একই দিনে মার্কিন সামরিক বাহিনী মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পাঁচটি নৌকায় হামলা চালায়, যাতে অন্তত পাঁচজন নিহত হন।
ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষণা করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এই হামলার ফলে ক্যারিবীয় সাগর এবং পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নৌকায় হামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫-এ এবং নিহতের সংখ্যা অন্তত ১১৫ জনে পৌঁছেছে। ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়ার নাগরিকরা এই হামলার শিকার হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় ধোঁয়ার কুণ্ডলি উঠতে দেখা গেছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রয়টার্স নিউজ এজেন্সি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানায়, শনিবার ভোরে কারাকাসে বিকট শব্দ শোনা গেছে।
অন্যদিকে, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানিয়েছে যে, কারাকাসে অন্তত সাতটি বিস্ফোরণ এবং নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া বিমানের শব্দ শোনা গেছে। শহরের দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকা, যেখানে একটি বড় সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেখানে বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ভেনেজুয়েলা ইঙ্গিত দিয়েছিল যে তারা মাদক পাচার দমনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে গত সপ্তাহে তার দেশে সিআইএ-র নেতৃত্বাধীন কথিত হামলার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো নীরবতা বজায় রেখেছেন।
গত বৃহস্পতিবার প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কিছুটা নমনীয় সুর প্রকাশ করেছেন, যদিও গত কয়েক মাস ধরে ওয়াশিংটন দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক চাপ অব্যাহত রেখেছে।
তা সত্ত্বেও, মাদুরো পুনরায় অভিযোগ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র তার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এবং ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল সম্পদের দখল নিতে এই নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক চাপ প্রয়োগ করছে।
তিনি যোগ করেন, ‘যদি তারা তেল চায়, তবে ভেনেজুয়েলা মার্কিন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত, যেমনটি শেভরনের ক্ষেত্রে হয়েছে।’ উল্লেখ্য, শেভরন একমাত্র বড় মার্কিন তেল কোম্পানি যা ভেনেজুয়েলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করছে।
ভেনেজুয়েলার মাটিতে মার্কিন হামলার সত্যতা নিশ্চিত বা অস্বীকার করার বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে মাদুরো বলেন, ‘এটি এমন কিছু হতে পারে যা নিয়ে আমরা কয়েক দিন পর কথা বলব।’
মাদুরো আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র হুমকি, ভীতি এবং শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে চায়।
মাদুরোর এই সাক্ষাৎকারটি ইংরেজি নববর্ষের প্রাক্কালে রেকর্ড করা হয়েছিল। ওই একই দিনে মার্কিন সামরিক বাহিনী মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পাঁচটি নৌকায় হামলা চালায়, যাতে অন্তত পাঁচজন নিহত হন।
ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষণা করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এই হামলার ফলে ক্যারিবীয় সাগর এবং পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নৌকায় হামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫-এ এবং নিহতের সংখ্যা অন্তত ১১৫ জনে পৌঁছেছে। ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়ার নাগরিকরা এই হামলার শিকার হয়েছেন।

ভেনেজুয়েলার বেশ কয়েকটি রাজ্যের বেসামরিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলা ও বিস্ফোরণের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে দেশটির সরকার। ভেনেজুয়েলা এই হামলাকে সামরিক আগ্রাসন হিসেবে অভিহিত করেছে। হামলার পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
১১ ঘণ্টা আগে