মধ্যপ্রাচ্য ছাড়িয়ে প্রভাব সারা বিশ্বে, কোন পথে মাস পেরোনো ইরান যুদ্ধ

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
এক মাস পেরিয়েও ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সংঘাত থামার কোনো সুস্পষ্ট লক্ষণ নেই। প্রতীকী ছবি

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ পার করল এক মাস। হামলা ও পালটা হামলায় ইরান ও ইসরায়েলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, আর যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি আক্রান্ত না হলেও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো বারবার হামলার মুখে পড়েছে। মার্কিন ঘাঁটি থাকার কারণে এসব দেশের বিভিন্ন স্থাপনাতেও হামলা করেছে ইরান।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাত এখন পূর্ণমাত্রার আঞ্চলিক সংকটে রূপ নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরুতে যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করলেও বাস্তবে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। ইরানও তাদের পালটা অবস্থান কঠোর করেছে। ফলে গোটা মধ্যপ্রাচ্য এখন অস্থিরতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

ইরান যুদ্ধ ঘিরে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে জ্বালানি খাতে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ, মানবিক সংকট এবং সামরিক উত্তেজনা— সব মিলিয়ে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।

যুদ্ধে হতাহত, ক্ষয়ক্ষতি ও মানবিক সংকট

এক মাসে ইরান ও সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে সংঘাতে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় চার হাজার ৫৮৭ জনে। সামরিক বাহিনীর সদস্য ছাড়াও নিহতদের একটি বড় অংশই বেসামরিক নাগরিক। একই সময়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ৪০ লাখ মানুষ। এর মধ্যে ইরানেই ৩২ লাখ ও লেবাননে প্রায় ১০ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।

যুদ্ধে অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান ইরানে। এখন পর্যন্ত দেশটির ৮৫ হাজার ১৭৬টি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২৮২টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, ৬০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ৬৪ হাজারের বেশি আবাসিক ভবন।

এ ছাড়া সংঘাত চলাকালে ইরান প্রায় এক হাজার ৪০০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম বড় মানবিক সংকটে রূপ নিতে শুরু করেছে।

সার্বিকভাবে এক মাসের এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যে মানবিক সংকট, সামরিক উত্তেজনা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা— এই তিনটি ক্ষেত্রেই গভীর প্রভাব ফেলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত কূটনৈতিক সমাধান না এলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়ে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে।

জ্বালানি সংকট: হরমুজ প্রণালি বন্ধের প্রভাব

যুদ্ধের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি খাতে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহনের রুট হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরান নিজেদের পছন্দের দেশগুলো বাদে বাকি সব দেশের তেলবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় তেলের সংকটে ভুগতে শুরু করেছে বহু দেশ।

ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে ইরান একাধিক তেলবাহী জাহাজে হামলা চালানোয় প্রায় সব ধরনের নৌ পরিবহন স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। সার্বিকভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেই তৈরি হয়েছে বড় ধরনের চাপ।

এদিকে হরমুজ প্রণালি সচল না করলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোগুলোতে বড় ধরনের হামলার হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তেহরানের সঙ্গে ‘আলোচনায় অগ্রগতি’র দাবি করে তিনি সম্ভাব্য এ মার্কিন হামলার আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন।

বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ: মন্দার আশঙ্কা

বিশ্ব জুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নের সরাসরি প্রভাব পড়েছে অর্থনীতিতে। তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন ব্যয় বেড়েছে, যা খাদ্যসহ নিত্যপণ্যের দামে প্রভাব ফেলছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, চলমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রায় ২ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

শেয়ারবাজারে অস্থিরতা, বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন— সব মিলিয়ে বিশ্ব অর্থনীতি নতুন করে চাপের মুখে পড়েছে।

যোগ দিয়েছে হিজবুল্লাহ ও হুতি, লেবাননেও সংঘাত

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যোগ দিয়েছে লেবাননের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি। শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে প্রথমবারের মতো ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের মাধ্যমে লড়াই শুরু করেছে হুতি।

অন্যদিকে মার্চের শুরু থেকেই ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে হিজবুল্লাহ। জবাবে ইসরায়েলও লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা জোরদার করেছে এবং দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে স্থল অভিযান বাড়িয়েছে। ইরানের পর এ যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্তও হয়েছে লেবানন। এ যুদ্ধে লেবাননের জড়িয়ে পড়া আঞ্চলিক সংঘাত আরও জটিল রূপ দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য বিস্তৃত, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার

যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যও পরিবর্তন হয়েছে। শুরুতে ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন ও মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলেও এখন প্রধান লক্ষ্য হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা।

ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, সেটিও অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ট্রাম্প দাবি করেন, এ আশঙ্কাই যুদ্ধের মূল কারণ। আর মার্কিন প্রশাসনের দাবি, বিমান হামলায় ইরানের নৌ বাহিনী ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রয়োজনে আরও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে। এর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আরও পাঁচ থেকে ১০ হাজার সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। জেডি ভ্যান্স ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জব্দ করতে অভিযান চালাতে পারে। তবে এর জন্য বড় ধরনের স্থলবাহিনী প্রয়োজন হবে এবং ঝুঁকি অনেক বেশি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধবিরোধী অবস্থান নিয়ে গণবিক্ষোভ বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের তিন হাজারেরও বেশি স্থানে ‘নো কিংস’ আন্দোলনের ডাকে রাজপথে নামেন লাখো মানুষ। এই মিছিল ছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর ‘নো কিংস’ আন্দোলনের তৃতীয় দফা কর্মসূচি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান অভিযান শুরুর এক মাস পূর্তিতে আয়োজিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে প্রগতিশীল নেতা বার্নি স্যান্ডার্স থেকে শুরু করে রক কিংবদন্তি ব্রুস স্প্রিংস্টিন পর্যন্ত সংহতি জানিয়েছেন। বিশেষ করে মিনেসোটায় ফেডারেল অভিযানে দুই মার্কিন নাগরিকের নিহতের ঘটনা এবারের আন্দোলনকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে।

নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে শুরু করে ওয়াশিংটন ডিসি— সর্বত্রই ধ্বনিত হচ্ছে কর্তৃত্ববাদবিরোধী স্লোগান। আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই বিশাল গণজমায়েত ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এক বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী?

হোয়াইট হাউজ দাবি করছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ‘গঠনমূলক’ আলোচনা চলছে। তবে তেহরান তা অস্বীকার করেছে। হোয়াইট হাউজের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মাধ্যমে পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে এ পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত পাঁচ হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং যুদ্ধের জন্য ২০০ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত বাজেট চাওয়া হয়েছে, যা কংগ্রেসে প্রশ্নের মুখে পড়েছে। স্থলবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু না বললেও রুবিও জানান, মাটিতে সেনা নামানো ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র তার লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, অভিযান নির্ধারিত সময়ের আগেই এগোচ্ছে এবং দ্রুত শেষ হতে পারে। রুবিও বলেন, ‘মাস নয়, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই’ এর সমাপ্তি ঘটতে পারে। অন্যদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করতে তাদের আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলা চালিয়েও ইরানকে নমনীয় করতে পারছে না। দেশটি উলটো পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। সার্বিকভাবে এ যুদ্ধের গতিপথ কোন দিকে ঝুঁকছে, তা নিয়ে কোনো ধরনের অনুমানের দিকে যেতে পারছেন না বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ শীর্ষ বহু নেতাকে হারিয়ে ইরানের আর হারানোর কিছু নেই। বরং যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী করতে পারলে বরং বৈশ্বিক জ্বালানি খাতে তীব্র সংকট ও এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে ইরান।

বিপরীতে এ যুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য জয় বলে কিছু অবশিষ্ট নেই। যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে যেতে কোনো ‘এক্সিট প্ল্যান’ও কষতে পারছেন না তিনি। ফলে যুদ্ধ অব্যাহত থাকা এবং এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়তে থাকাকেই ইরান যুদ্ধের সম্ভাব্য পরিণতি বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

সব মিলিয়ে এক মাস পেরিয়েও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত থামার কোনো সুস্পষ্ট লক্ষণ নেই। বরং এটি ক্রমেই আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে জ্বালানি বাজার থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রায় সব ক্ষেত্রেই।

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

ইসরায়েলে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

যদি হুথিরা লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তে থাকা বাব আল-মান্দাব প্রণালী দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তাহলে তা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য আরেকটি বড় আঘাত হবে।

১৫ ঘণ্টা আগে

ইরানে বড় ধরনের স্থল হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

স্থল হামলার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে খার্গ দ্বীপকে বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এটি হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত একটি দ্বীপ। যেখান থেকে ইরান তাদের ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করে। হরমুজ দিয়ে যেন নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচল করতে পারে সেটি নিশ্চিত করতে এই দ্বীপটি টার্গেট করা হতে পারে।

১৫ ঘণ্টা আগে

জ্বালানি তেলের বাড়তি দাম যেভাবে মোকাবিলা করছে বিভিন্ন দেশ

নাইজেরিয়া বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও তাদের কোনো সরকার–মালিকানাধীন রিফাইনারিই চালু নেই।

১৫ ঘণ্টা আগে

ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র, রাজপথে লাখো মানুষ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান অভিযান শুরুর এক মাস পূর্তিতে আয়োজিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে প্রগতিশীল নেতা বার্নি স্যান্ডার্স থেকে শুরু করে রক কিংবদন্তি ব্রুস স্প্রিংস্টিন পর্যন্ত সংহতি জানিয়েছেন।

১৬ ঘণ্টা আগে