
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ‘চেয়ারম্যান অব জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ’ জেনারেল চার্লস কিউ ব্রাউনকে বরখাস্ত করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দেশটির সর্বোচ্চ সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) আকস্মিকভাবে এ ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
বার্তাসংস্থা এপি জানায়, ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারণায় অন্যতম একজন সমর্থনকারী ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে তার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। ব্রাউন হচ্ছেন দ্বিতীয় কৃষ্ণাঙ্গ যিনি জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রায় ১৬ মাস ধরে তিনি এ পদে দায়িত্ব করে আসছিলেন। হঠাৎ করে তাকে অপসারণ পেন্টাগনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
ব্রাউন কে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প বলেন, আমি জেনারেল চার্লস সি কিউ ব্রাউনকে আমাদের দেশের জন্য ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেবা করার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই। যিনি বর্তমান জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান হিসাবে রয়েছেন। তিনি একজন চমৎকার ভদ্রলোক ও অসাধারণ নেতা এবং আমি তার ও তার পরিবারের উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করছি।
ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল ড্যান 'রাজিন' কেইনকে পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন দিচ্ছেন।
কেইন একজন পেশাদার এফ-১৬ পাইলট যিনি ন্যাশনাল গার্ডে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং সম্প্রতি তিনি সিআইএর সামরিক বিষয়ক সহযোগী পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।
এদিকে প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ, কেইন এবং ব্রাউন উভয়ের প্রশংসা করে এক বিবৃতিতে আরও দু'জন সিনিয়র কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন। তারা হলেন- নৌ অপারেশন প্রধান অ্যাডমিরাল লিসা ফ্রাঞ্চেটি এবং বিমান বাহিনীর ভাইস চিফ অফ স্টাফ জেনারেল জিম স্লাইফ।
ফ্রাঞ্চেত্তি হলেন ট্রাম্প প্রশাসনের বরখাস্ত হওয়া দ্বিতীয় শীর্ষ নারী সেনা কর্মকর্তা। শপথ নেওয়ার একদিন পরই কোস্টগার্ডের কমান্ড্যান্ট অ্যাডমিরাল লিন্ডা ফাগানকে বরখাস্ত করেন ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ‘চেয়ারম্যান অব জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ’ জেনারেল চার্লস কিউ ব্রাউনকে বরখাস্ত করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দেশটির সর্বোচ্চ সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) আকস্মিকভাবে এ ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
বার্তাসংস্থা এপি জানায়, ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারণায় অন্যতম একজন সমর্থনকারী ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে তার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। ব্রাউন হচ্ছেন দ্বিতীয় কৃষ্ণাঙ্গ যিনি জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রায় ১৬ মাস ধরে তিনি এ পদে দায়িত্ব করে আসছিলেন। হঠাৎ করে তাকে অপসারণ পেন্টাগনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
ব্রাউন কে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প বলেন, আমি জেনারেল চার্লস সি কিউ ব্রাউনকে আমাদের দেশের জন্য ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেবা করার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই। যিনি বর্তমান জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান হিসাবে রয়েছেন। তিনি একজন চমৎকার ভদ্রলোক ও অসাধারণ নেতা এবং আমি তার ও তার পরিবারের উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করছি।
ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল ড্যান 'রাজিন' কেইনকে পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন দিচ্ছেন।
কেইন একজন পেশাদার এফ-১৬ পাইলট যিনি ন্যাশনাল গার্ডে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং সম্প্রতি তিনি সিআইএর সামরিক বিষয়ক সহযোগী পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।
এদিকে প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ, কেইন এবং ব্রাউন উভয়ের প্রশংসা করে এক বিবৃতিতে আরও দু'জন সিনিয়র কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন। তারা হলেন- নৌ অপারেশন প্রধান অ্যাডমিরাল লিসা ফ্রাঞ্চেটি এবং বিমান বাহিনীর ভাইস চিফ অফ স্টাফ জেনারেল জিম স্লাইফ।
ফ্রাঞ্চেত্তি হলেন ট্রাম্প প্রশাসনের বরখাস্ত হওয়া দ্বিতীয় শীর্ষ নারী সেনা কর্মকর্তা। শপথ নেওয়ার একদিন পরই কোস্টগার্ডের কমান্ড্যান্ট অ্যাডমিরাল লিন্ডা ফাগানকে বরখাস্ত করেন ট্রাম্প।

অথচ এর আগে যুক্তরাজ্যের রাজনীতি ছিল যথেষ্ট স্থিতিশীল। গত শতকের শেষ চতুর্ভাগে প্রায় ১১ বছর প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন লৌহমানবীখ্যাত মার্গারেট থ্যাচার।
১৯ ঘণ্টা আগে
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার অবশেষে পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন। আসছে শরতেই প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে তিনি সরে দাঁড়াবেন বলে জানিয়েছেন। এ নিয়ে গত ১০ বছরে ষষ্ঠ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেয়াদ শেষ করার আগেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন স্টারমার।
২১ ঘণ্টা আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, দেশের ফুটবলার, সরকারি কর্মকর্তা, কূটনৈতিক আলোচক— সবাই মিলে ইরানি জনগণের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় নিয়োজিত আছেন। বিশ্বকাপ ফুটবলের গ্রুপ পর্বে ইরান নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বেলজিয়ামের সঙ্গে ড্র করার পর তিনি এমন মন্তব্য করলেন।
১ দিন আগে
মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার এবং পাকিস্তানের একটি যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপে (কর্মপরিকল্পনা) সম্মত হয়েছে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত ওই বিবৃতি অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে কাতারের
১ দিন আগে