
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বের শীর্ষ জনবহুল শহরগুলোর নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সে তালিকা অনুযায়ী, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা এখন পৃথিবীর দ্বিতীয় জনবহুল শহর। বর্তমানে শহরটিতে ৩৬ দশমিক ছয় মিলিয়ন ( ৩ কোটি ৬৬ লাখ) মানুষ বাস করছেন।
এর আগে ২০০০ সালে সর্বশেষ যে প্রতিবেদন জাতিসংঘ প্রকাশ করেছিল, সেখানে ঢাকার অবস্থান ছিল নয় নম্বরে।
ঢাকার দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৫ বছরে শহরটির জনসংখ্যা আগের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।
এখানেই শেষ হয়। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে যে, ২০৫০ সালের মধ্যে ঢাকাই হতে যাচ্ছে বিশ্বের জনবহুল শহর।
গত ১৮ নভেম্বর ‘ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রসপেক্টস ২০২৫’ শিরোনামে ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘের নতুন প্রতিবেদনে জনবহুল শহরের টোকিওকে পেছনে ফেলে সবার ওপরে অবস্থান করছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। জাতিসংঘ বলছে, শহরটিতে বর্তমানে ৪১ দশমিক নয় মিলিয়ন মানুষের বসবাস।
জনবহুল শহরের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে জাপানের রাজধানী টোকিও। তবে জাকার্তা এবং ঢাকার তুলনায় গত ২৫ বছরে শহরটির জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে।
টোকিওতে বর্তমানে ৩৩ দশমিক চার মিলিয়ন মানুষ বসবাস করছেন।
জাতিসংঘ বলছে, বিশ্বজুড়ে মেগাসিটির সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে পৃথিবীতে ৩৩টি মেগাসিটি রয়েছে, যা ১৯৭৫ সালের তুলনায় চারগুণ বেশি।
এ ৩৩টি মেগাসিটির মধ্যে আবার ১৯টিই এবং শীর্ষ দশ শহরের মধ্যে নয়টিই এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
জাকার্তা, ঢাকা এবং টোকিও ছাড়াও এশিয়ার অন্য জনবহুল শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে: নয়াদিল্লি (৩০.২ মিলিয়ন), সাংহাই (২৯.৬ মিলিয়ন), গুয়াংজু (২৭.৬ মিলিয়ন), ম্যানিলা (২৪.৭ মিলিয়ন), কলকাতা (২২.৫ মিলিয়ন) এবং সোল (২২.৫ মিলিয়ন)।

বিশ্বের শীর্ষ জনবহুল শহরগুলোর নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সে তালিকা অনুযায়ী, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা এখন পৃথিবীর দ্বিতীয় জনবহুল শহর। বর্তমানে শহরটিতে ৩৬ দশমিক ছয় মিলিয়ন ( ৩ কোটি ৬৬ লাখ) মানুষ বাস করছেন।
এর আগে ২০০০ সালে সর্বশেষ যে প্রতিবেদন জাতিসংঘ প্রকাশ করেছিল, সেখানে ঢাকার অবস্থান ছিল নয় নম্বরে।
ঢাকার দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৫ বছরে শহরটির জনসংখ্যা আগের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।
এখানেই শেষ হয়। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে যে, ২০৫০ সালের মধ্যে ঢাকাই হতে যাচ্ছে বিশ্বের জনবহুল শহর।
গত ১৮ নভেম্বর ‘ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রসপেক্টস ২০২৫’ শিরোনামে ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘের নতুন প্রতিবেদনে জনবহুল শহরের টোকিওকে পেছনে ফেলে সবার ওপরে অবস্থান করছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। জাতিসংঘ বলছে, শহরটিতে বর্তমানে ৪১ দশমিক নয় মিলিয়ন মানুষের বসবাস।
জনবহুল শহরের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে জাপানের রাজধানী টোকিও। তবে জাকার্তা এবং ঢাকার তুলনায় গত ২৫ বছরে শহরটির জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে।
টোকিওতে বর্তমানে ৩৩ দশমিক চার মিলিয়ন মানুষ বসবাস করছেন।
জাতিসংঘ বলছে, বিশ্বজুড়ে মেগাসিটির সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে পৃথিবীতে ৩৩টি মেগাসিটি রয়েছে, যা ১৯৭৫ সালের তুলনায় চারগুণ বেশি।
এ ৩৩টি মেগাসিটির মধ্যে আবার ১৯টিই এবং শীর্ষ দশ শহরের মধ্যে নয়টিই এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
জাকার্তা, ঢাকা এবং টোকিও ছাড়াও এশিয়ার অন্য জনবহুল শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে: নয়াদিল্লি (৩০.২ মিলিয়ন), সাংহাই (২৯.৬ মিলিয়ন), গুয়াংজু (২৭.৬ মিলিয়ন), ম্যানিলা (২৪.৭ মিলিয়ন), কলকাতা (২২.৫ মিলিয়ন) এবং সোল (২২.৫ মিলিয়ন)।

গার্ডয়ানের খবরে বলা হয়েছে, বিক্ষোভ শুরুর পর প্রথমবারের মতো দেওয়া ভাষণে খামেনি আন্দোলনকারীদের ‘ভাঙচুরকারী’ ও ‘নাশকতাকারী’ বলে অভিহিত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিক্ষোভ বিদেশি এজেন্ডা দ্বারা পরিচালিত এবং আন্দোলনকারীরা অন্য দেশের নেতাদের সন্তুষ্ট করতেই রাস্তায় নেমেছে।
১ দিন আগে
এ প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, আগামী সপ্তাহের কোনো একটি সময়ে তিনি এখানে আসবেন বলে জেনেছি। এবং আমি তার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। এবং আমি জেনেছি তিনি এটি করতে (নোবেল পুরস্কার দিতে) চান। এটি আমার জন্য সম্মানের বিষয় হবে।
১ দিন আগে
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইতিহাসের অন্য স্বৈরশাসকদের মতো ট্রাম্পেরও পতন হবে।
২ দিন আগে