
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের ৬০তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয় বারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে বিপুল ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। এই বিজয়ের মধ্যদিয়ে তিনি হতে যাচ্ছেন দেশটির ৪৭তম প্রেসিডেন্ট।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ি, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের সংখ্যা ২৭৭টি। অপরদিকে ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী কমলা হ্যারিস পেয়েছেন ২২৪টি ভোট।
সবশেষ ফলাফলে দেখা যায়, ট্রাম্প পেয়েছেন ৭ কোটি ৮ লাখ ৭৩ হাজার ৫৩ ভোট। বিপরীতে কমলা পেয়েছেন ৬ কোটি ৫৮ লাখ ৮ হাজার ৬২৮ ভোট।
নির্বাচনের আগে প্রায় সব বুথফেরত সমীক্ষাই ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিসকে এগিয়ে রেখেছিল। কিন্তু ভোট গণনায় দেখা যায়, প্রথম থেকেই এগিয়ে ট্রাম্প। সেই তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে ছিলেন কমলা।
ট্রাম্প ২০১৬ সালে দেশটির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকে পরাজিত করে প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। 'আমেরিকাকে আবারও মহান করার' প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। বিশ্বব্যাপী করোনভাইরাস মহামারির সময় ২০২০ সালে জো বাইডেনের কাছে হেরে যান তিনি। এর প্রায় দুই বছর পর আবারও প্রচারণার নামেন ট্রাম্প।
ফলাফল ঘোষণার আগেই ট্রাম্প ফ্লোরিডায় তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। তিনি বলেন ‘আমরা সবচেয়ে অবিশ্বাস্য রাজনৈতিক বিজয় অর্জন করেছি।’ এ সময় পুরো এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।
এদিকে সিনেটেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে রিপাবলিকানস পার্টি। নিবার্চনের মূল ভোট গণনা শেষ হওয়ার আগেই দলটির প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধানে তাদের জয় নিশ্চিত হয়ে যায়।
সিএনএনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, রিপাবলিকানসরা এখন পর্যন্ত সিনেটে ৫১টি আসনে জয়লাভ করেছে। অপরদিকে, ডেমোক্র্যাটসরা পেয়েছে ৪২টি আসন।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকানসরা আরও কিছু রাজ্যে জয়ের আশা করছে। ফলে সিনেটে তাদের আসন আরও বাড়তে পারে।
অন্যদিকে হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসে রিপাবলিকানস পেয়েছে ১৯৪টি আর ডেমোক্র্যাটস পেয়েছে ১৭৩টি আসন। সূত্র: সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্রের ৬০তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয় বারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে বিপুল ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। এই বিজয়ের মধ্যদিয়ে তিনি হতে যাচ্ছেন দেশটির ৪৭তম প্রেসিডেন্ট।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ি, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের সংখ্যা ২৭৭টি। অপরদিকে ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী কমলা হ্যারিস পেয়েছেন ২২৪টি ভোট।
সবশেষ ফলাফলে দেখা যায়, ট্রাম্প পেয়েছেন ৭ কোটি ৮ লাখ ৭৩ হাজার ৫৩ ভোট। বিপরীতে কমলা পেয়েছেন ৬ কোটি ৫৮ লাখ ৮ হাজার ৬২৮ ভোট।
নির্বাচনের আগে প্রায় সব বুথফেরত সমীক্ষাই ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিসকে এগিয়ে রেখেছিল। কিন্তু ভোট গণনায় দেখা যায়, প্রথম থেকেই এগিয়ে ট্রাম্প। সেই তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে ছিলেন কমলা।
ট্রাম্প ২০১৬ সালে দেশটির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকে পরাজিত করে প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। 'আমেরিকাকে আবারও মহান করার' প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। বিশ্বব্যাপী করোনভাইরাস মহামারির সময় ২০২০ সালে জো বাইডেনের কাছে হেরে যান তিনি। এর প্রায় দুই বছর পর আবারও প্রচারণার নামেন ট্রাম্প।
ফলাফল ঘোষণার আগেই ট্রাম্প ফ্লোরিডায় তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। তিনি বলেন ‘আমরা সবচেয়ে অবিশ্বাস্য রাজনৈতিক বিজয় অর্জন করেছি।’ এ সময় পুরো এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।
এদিকে সিনেটেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে রিপাবলিকানস পার্টি। নিবার্চনের মূল ভোট গণনা শেষ হওয়ার আগেই দলটির প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধানে তাদের জয় নিশ্চিত হয়ে যায়।
সিএনএনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, রিপাবলিকানসরা এখন পর্যন্ত সিনেটে ৫১টি আসনে জয়লাভ করেছে। অপরদিকে, ডেমোক্র্যাটসরা পেয়েছে ৪২টি আসন।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকানসরা আরও কিছু রাজ্যে জয়ের আশা করছে। ফলে সিনেটে তাদের আসন আরও বাড়তে পারে।
অন্যদিকে হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসে রিপাবলিকানস পেয়েছে ১৯৪টি আর ডেমোক্র্যাটস পেয়েছে ১৭৩টি আসন। সূত্র: সিএনএন

ব্রেক্সিট গণভোটের ১০ বছর পূর্তির দিনে সেই রাজনৈতিক যাত্রাপথের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের সিদ্ধান্ত দেশটির জন্য শুধু একটি পররাষ্ট্র বা অর্থনৈতিক নীতিগত পরিবর্তন ছিল না; বরং এটি যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে, যার প্রভাব এখনো দেশটির রাজনীতিতে স্পষ্ট।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত একটি ইউএফসি ফ্রিডম ২৫০ মিক্সড মার্শাল আর্টস ইভেন্টকে লক্ষ্য করে সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ষড়যন্ত্রের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
একটি প্রাথমিক শান্তি চুক্তির আওতায় প্রথম দফার আলোচনার পর গতকাল সোমবার থেকে আগামী ৬০ দিনের জন্য ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি এই চুক্তির শর্ত মেনে না চলে, তবে তিনি ‘যা করার তা-ই করবেন’।
১০ ঘণ্টা আগে
দশ বছর আগের ব্রেক্সিট আলোচনার সময়কার ইউরোপ আর আজকের ইউরোপ এক নয়। তখন মূল প্রশ্ন ছিল যুক্তরাজ্যের বিদায় কীভাবে সামলানো হবে। আর এখন প্রশ্ন— ক্রমশ অস্থিতিশীল হয়ে ওঠা বিশ্বে ইউরোপ কীভাবে নিজের অবস্থান ধরে রাখবে।
১১ ঘণ্টা আগে