
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের পরমাণু আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন মধ্যস্থতাকারী ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি। তবে যুদ্ধ এড়াতে সক্ষম কোনো সমঝোতার দিকে দুই দেশ বাস্তবেই এগোতে পারছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ওমানি রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুই দফায় এ পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সকালে প্রথম দফায় প্রায় তিন ঘণ্টা ও সন্ধ্যায় সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য আরেক দফা হয় এ আলোচনা।
বিবিসি ও বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, আলোচনায় ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেন, ভালো অগ্রগতি হয়েছে। কিছু বিষয়ে সমঝোতাও হয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে পরবর্তী বৈঠক হবে বলে জানান তিনি।
ওমানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুপক্ষই নিজ নিজ দেশে পরামর্শ শেষে আবারও আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে। আগামী সপ্তাহে ভিয়েনায় কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
আলোচনার এই অগ্রগতির দাবি এসেছে এমন এক সময়ে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর এবারই সবচেয়ে বড় সৈন্য সমাবেশ ঘটিয়েছে ওয়াশিংটন। দুটি বিমানবাহী রণতরী, যুদ্ধবিমান ও বিপুল সামরিক সরঞ্জাম ইরানের আশপাশে মোতায়েন রয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, আলোচনা যেমন চলছে, তেমনি সম্ভাব্য সামরিক বিকল্পও খোলা রাখছে হোয়াইট হাউজ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরান ইস্যুতে সরাসরি অবস্থান স্পষ্ট না করলেও তার প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে মার্কিন গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, সীমিত হামলার বিকল্প বিবেচনায় রয়েছে।
অন্যদিকে ইরান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, যেকোনো হামলার জবাব ‘ভয়াবহ’ হবে।

দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল অভিযোগ করে আসছে, তেহরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে এগোচ্ছে। ইরান এ অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে বলছে, তাদের কর্মসূচি পুরোপুরি শান্তিপূর্ণ।
ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি, জেনেভায় আলোচনায় তারা শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি চালানোর অধিকার জোরালোভাবে তুলে ধরেছে। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ এবং প্রায় ৪০০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানোর মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান।
তবে কিছু প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের তত্ত্বাবধানে তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত সমৃদ্ধকরণ স্থগিত রাখার প্রস্তাব দিয়েছে ইরান, এরপর সীমিত মাত্রায় তা পুনরায় শুরুর অনুমতি চেয়েছে।
চুক্তির বিনিময়ে ইরান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি তুলেছে। দীর্ঘদিনের পশ্চিমা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দেশটির অর্থনীতিকে গভীর সংকটে ফেলেছে।
ইরান আগেই জানিয়ে দিয়েছে, আলোচনা কেবল তাদের পরমাণু কর্মসূচি ঘিরেই হবে। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানের প্রভাববলয়— এই ইস্যুগুলো আলোচনার অংশ নয়।
এ দফায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জারেড কুশনার। আন্তর্জাতিক আনবিক শক্তি সংস্থার প্রধানও উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে।
ওয়াশিংটনের ভেতরেও মতভেদ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইন সতর্ক করে বলেছেন, ইরানে হামলা অঞ্চলজুড়ে দীর্ঘ সংঘাতে রূপ নিতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন মিত্র দেশগুলোরও আশঙ্কা, সরাসরি হামলা বিস্তৃত আঞ্চলিক যুদ্ধের সূচনা করতে পারে।
এ অবস্থায় প্রশ্ন একটাই— জেনিভার আলোচনায় যে ‘অগ্রগতি’র কথা বলা হচ্ছে, তা কি সত্যিই উত্তেজনা কমাবে, নাকি কূটনীতির আড়ালে সামরিক বিকল্পই শেষ পর্যন্ত প্রাধান্য পাবে?

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের পরমাণু আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন মধ্যস্থতাকারী ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি। তবে যুদ্ধ এড়াতে সক্ষম কোনো সমঝোতার দিকে দুই দেশ বাস্তবেই এগোতে পারছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ওমানি রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুই দফায় এ পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সকালে প্রথম দফায় প্রায় তিন ঘণ্টা ও সন্ধ্যায় সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য আরেক দফা হয় এ আলোচনা।
বিবিসি ও বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, আলোচনায় ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেন, ভালো অগ্রগতি হয়েছে। কিছু বিষয়ে সমঝোতাও হয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে পরবর্তী বৈঠক হবে বলে জানান তিনি।
ওমানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুপক্ষই নিজ নিজ দেশে পরামর্শ শেষে আবারও আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে। আগামী সপ্তাহে ভিয়েনায় কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
আলোচনার এই অগ্রগতির দাবি এসেছে এমন এক সময়ে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর এবারই সবচেয়ে বড় সৈন্য সমাবেশ ঘটিয়েছে ওয়াশিংটন। দুটি বিমানবাহী রণতরী, যুদ্ধবিমান ও বিপুল সামরিক সরঞ্জাম ইরানের আশপাশে মোতায়েন রয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, আলোচনা যেমন চলছে, তেমনি সম্ভাব্য সামরিক বিকল্পও খোলা রাখছে হোয়াইট হাউজ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরান ইস্যুতে সরাসরি অবস্থান স্পষ্ট না করলেও তার প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে মার্কিন গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, সীমিত হামলার বিকল্প বিবেচনায় রয়েছে।
অন্যদিকে ইরান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, যেকোনো হামলার জবাব ‘ভয়াবহ’ হবে।

দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল অভিযোগ করে আসছে, তেহরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে এগোচ্ছে। ইরান এ অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে বলছে, তাদের কর্মসূচি পুরোপুরি শান্তিপূর্ণ।
ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি, জেনেভায় আলোচনায় তারা শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি চালানোর অধিকার জোরালোভাবে তুলে ধরেছে। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ এবং প্রায় ৪০০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানোর মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান।
তবে কিছু প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের তত্ত্বাবধানে তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত সমৃদ্ধকরণ স্থগিত রাখার প্রস্তাব দিয়েছে ইরান, এরপর সীমিত মাত্রায় তা পুনরায় শুরুর অনুমতি চেয়েছে।
চুক্তির বিনিময়ে ইরান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি তুলেছে। দীর্ঘদিনের পশ্চিমা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দেশটির অর্থনীতিকে গভীর সংকটে ফেলেছে।
ইরান আগেই জানিয়ে দিয়েছে, আলোচনা কেবল তাদের পরমাণু কর্মসূচি ঘিরেই হবে। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানের প্রভাববলয়— এই ইস্যুগুলো আলোচনার অংশ নয়।
এ দফায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জারেড কুশনার। আন্তর্জাতিক আনবিক শক্তি সংস্থার প্রধানও উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে।
ওয়াশিংটনের ভেতরেও মতভেদ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইন সতর্ক করে বলেছেন, ইরানে হামলা অঞ্চলজুড়ে দীর্ঘ সংঘাতে রূপ নিতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন মিত্র দেশগুলোরও আশঙ্কা, সরাসরি হামলা বিস্তৃত আঞ্চলিক যুদ্ধের সূচনা করতে পারে।
এ অবস্থায় প্রশ্ন একটাই— জেনিভার আলোচনায় যে ‘অগ্রগতি’র কথা বলা হচ্ছে, তা কি সত্যিই উত্তেজনা কমাবে, নাকি কূটনীতির আড়ালে সামরিক বিকল্পই শেষ পর্যন্ত প্রাধান্য পাবে?

ইরান সবসময়েই পারমাণবিক বোমা তৈরির চেষ্টার কথা অস্বীকার করে আসছে। কিন্তু অনেক দেশই তাদের সে দাবির সঙ্গে একমত নয়। এমনকি বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থাও (আইএইএ) ইরানের ওপর আস্থাশীল নয়।
৪ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন জানিয়েছে, হামলায় কমপক্ষে ৫৮ জন তালেবান যোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, নিজেদের নাগরিকদের জানমালের হেফাজত করতে ও আসন্ন সন্ত্রাসী হামলা প্রতিরোধ করতেই এ হামলা চালানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী আরও লিখেছেন, ‘কোনো ব্যক্তির জন্য নয়, এ সম্মাননা ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যে স্থায়ী বন্ধুত্বের স্বীকৃতি। এটি আমাদের দুই জাতিকে পরিচালিত করে— এমন অভিন্ন মূল্যবোধের প্রতিফলন।’
১৬ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে গত দুই দিনে জঙ্গিদের ধারাবাহিক হামলায় অন্তত ২০ পুলিশ সদস্য ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
১ দিন আগে