
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালি। সেখানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। দুই দেশই হামলার জন্য প্রতিপক্ষকে অভিযুক্ত করে পালটাপালটি দোষারোপ করেছে। তবে প্রথমে কে হামলা চালিয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।
এ পরিস্থিতির মধ্যেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এখনো বহাল রয়েছে। তবে তিনি ইরানের প্রতি হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। বলেছেন, দ্রুত চুক্তি না হলে সহিংসতা হলেও থামানোর কোনো চেষ্টা করবেন না।
বিবিসি ও আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৭ মে) গভীর রাতে হরমুজ প্রণালিতে একাধিক জাহাজের ওপর হামলা ও পালটা হামলার ঘটনা ঘটে।
ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র একটি ইরানি তেলবাহী জাহাজ ও হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হওয়া আরেকটি জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি উপকূলীয় কয়েকটি এলাকায় বিমান হামলা চালানোর অভিযোগও করেছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ বাহিনীর গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে ইরানের হামলার জবাবে তারা ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়েছে। ট্রাম্প বলেন, ইরান আজ আমাদের সঙ্গে ছেলেখেলা করেছে।
যুদ্ধবিরতি কার্যকরের মাত্র একদিন আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, যুদ্ধ শেষ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া একটি প্রস্তাব তারা বিবেচনা করছে। এর মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রথমে হরমুজ প্রণালিতে ‘বিস্ফোরণে’র খবর দেয়। একে ‘শত্রু’র সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, একই সময়ে তেহরানেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
এর কিছুক্ষণ পর ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড এক বিবৃতিতে দাবি করে, বন্দর খামির, সিরিজ ও কেশম দ্বীপের উপকূলীয় এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র বিমান হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে মার্কিন সামরিক জাহাজে হামলা চালিয়ে ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষতি’ করা হয়েছে বলেও দাবি করে ইরান।
এ হামলার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সুস্পষ্টভাবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান কর্তৃপক্ষ।
এদিকে পালটা দাবি করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টকম। তাদের অভিযোগ, কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় মার্কিন নৌ বাহিনীর গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারগুলোকে লক্ষ্য করে ইরান একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌযান ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে।
সেন্টকম জানায়, তারা তাৎক্ষণিকভাবে হামলা প্রতিহত করেছে এবং মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলার জন্য দায়ী ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু করেছে। এর মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং গোয়েন্দা ও নজরদারি স্থাপনাও ছিল।
এক বিবৃতিতে সেন্টকম বলেছে, সেন্টকম উত্তেজনা বাড়াতে চায় না, তবে মার্কিন বাহিনীকে রক্ষা করতে প্রস্তুত রয়েছে।
ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একাধিক ছোট নৌ যান ধ্বংস করেছে, যেগুলো ‘অত্যন্ত সুন্দরভাবে সাগরে ডুবে গেছে, যেন একটি প্রজাপতি নিজের কবরে ঝরে পড়ছে।’
ইরানি হামলাকারীদের ‘ব্যাপক ক্ষতি’ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। সেই সঙ্গে শান্তি চুক্তি প্রসঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আজ যেমন আমরা তাদের থামিয়ে দিয়েছি, ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও আরও সহিংসভাবে তা করব, যদি তারা দ্রুত চুক্তিতে সই না করে।
একটি ইসরায়েলি সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, সর্বশেষ হামলায় ইসরায়েলের ‘কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না’। এর আগে অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ফের ইরানের পূর্ণ শক্তিতে হামলা করার জন্য বলেছিলেন ইসরায়েল।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ট্রাম্প বলছিলেন, ইরানের যুদ্ধ ‘খুব দ্রুত শেষ হবে’। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, হোয়াইট হাউজ বিশ্বাস করে তারা ইরানের সঙ্গে একটি ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে, যা ভবিষ্যতের বিস্তারিত পারমাণবিক আলোচনার ভিত্তি হতে পারে।
বুধবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ প্রস্তাবটি বিবেচনা করা হচ্ছে এবং পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তেহরান তাদের মতামত জানাবে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওই সময় বলেন, তার দেশ এই যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ীভাবে যুদ্ধের সমাপ্তিতে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে ইরানি পার্লামেন্টের এক জ্যেষ্ঠ সদস্য ১৪ দফার সমঝোতা স্মারককে ‘খামখেয়ালি তালিকা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
শান্তিচুক্তির শর্ত পূরণ না হলে উভয় পক্ষই সহিংসতা বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। বুধবার ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছিলেন, ইরান যদি চুক্তিতে রাজি না হয়, তাহলে বোমাবর্ষণ শুরু হবে এবং তা আগের চেয়ে আরও ভয়াবহ ও তীব্র হবে।
কিছুক্ষণ পর ইরান সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের মুখপাত্র এবরাহিম রেজাই এক্স পোস্টে লিখেন, ইরানের আঙুল ট্রিগারেই রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় শর্ত মেনে আত্মসমর্পণ না করলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
ট্রাম্প এর আগে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের প্রাথমিক সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শেষ হবে যদি ইরান সম্মত হওয়া বিষয়গুলো মেনে নেয়। এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, অভিযান শেষ হয়েছে এবং এর লক্ষ্য পূরণ হয়েছে।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরান আর কখনো পারমাণবিক অস্ত্র রাখবে না বলে সম্মত হয়েছে। তবে তেহরান এখনো সেই দাবি নিশ্চিত করেনি। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিই দুপক্ষের মধ্যে সবচেয়ে বড় অচলাবস্থার বিষয় হয়ে রয়েছে।

ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালি। সেখানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। দুই দেশই হামলার জন্য প্রতিপক্ষকে অভিযুক্ত করে পালটাপালটি দোষারোপ করেছে। তবে প্রথমে কে হামলা চালিয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।
এ পরিস্থিতির মধ্যেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এখনো বহাল রয়েছে। তবে তিনি ইরানের প্রতি হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। বলেছেন, দ্রুত চুক্তি না হলে সহিংসতা হলেও থামানোর কোনো চেষ্টা করবেন না।
বিবিসি ও আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৭ মে) গভীর রাতে হরমুজ প্রণালিতে একাধিক জাহাজের ওপর হামলা ও পালটা হামলার ঘটনা ঘটে।
ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র একটি ইরানি তেলবাহী জাহাজ ও হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হওয়া আরেকটি জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি উপকূলীয় কয়েকটি এলাকায় বিমান হামলা চালানোর অভিযোগও করেছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ বাহিনীর গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে ইরানের হামলার জবাবে তারা ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়েছে। ট্রাম্প বলেন, ইরান আজ আমাদের সঙ্গে ছেলেখেলা করেছে।
যুদ্ধবিরতি কার্যকরের মাত্র একদিন আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, যুদ্ধ শেষ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া একটি প্রস্তাব তারা বিবেচনা করছে। এর মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রথমে হরমুজ প্রণালিতে ‘বিস্ফোরণে’র খবর দেয়। একে ‘শত্রু’র সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, একই সময়ে তেহরানেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
এর কিছুক্ষণ পর ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড এক বিবৃতিতে দাবি করে, বন্দর খামির, সিরিজ ও কেশম দ্বীপের উপকূলীয় এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র বিমান হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে মার্কিন সামরিক জাহাজে হামলা চালিয়ে ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষতি’ করা হয়েছে বলেও দাবি করে ইরান।
এ হামলার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সুস্পষ্টভাবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান কর্তৃপক্ষ।
এদিকে পালটা দাবি করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টকম। তাদের অভিযোগ, কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় মার্কিন নৌ বাহিনীর গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারগুলোকে লক্ষ্য করে ইরান একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌযান ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে।
সেন্টকম জানায়, তারা তাৎক্ষণিকভাবে হামলা প্রতিহত করেছে এবং মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলার জন্য দায়ী ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু করেছে। এর মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং গোয়েন্দা ও নজরদারি স্থাপনাও ছিল।
এক বিবৃতিতে সেন্টকম বলেছে, সেন্টকম উত্তেজনা বাড়াতে চায় না, তবে মার্কিন বাহিনীকে রক্ষা করতে প্রস্তুত রয়েছে।
ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একাধিক ছোট নৌ যান ধ্বংস করেছে, যেগুলো ‘অত্যন্ত সুন্দরভাবে সাগরে ডুবে গেছে, যেন একটি প্রজাপতি নিজের কবরে ঝরে পড়ছে।’
ইরানি হামলাকারীদের ‘ব্যাপক ক্ষতি’ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। সেই সঙ্গে শান্তি চুক্তি প্রসঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আজ যেমন আমরা তাদের থামিয়ে দিয়েছি, ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও আরও সহিংসভাবে তা করব, যদি তারা দ্রুত চুক্তিতে সই না করে।
একটি ইসরায়েলি সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, সর্বশেষ হামলায় ইসরায়েলের ‘কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না’। এর আগে অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ফের ইরানের পূর্ণ শক্তিতে হামলা করার জন্য বলেছিলেন ইসরায়েল।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ট্রাম্প বলছিলেন, ইরানের যুদ্ধ ‘খুব দ্রুত শেষ হবে’। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, হোয়াইট হাউজ বিশ্বাস করে তারা ইরানের সঙ্গে একটি ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে, যা ভবিষ্যতের বিস্তারিত পারমাণবিক আলোচনার ভিত্তি হতে পারে।
বুধবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ প্রস্তাবটি বিবেচনা করা হচ্ছে এবং পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তেহরান তাদের মতামত জানাবে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওই সময় বলেন, তার দেশ এই যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ীভাবে যুদ্ধের সমাপ্তিতে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে ইরানি পার্লামেন্টের এক জ্যেষ্ঠ সদস্য ১৪ দফার সমঝোতা স্মারককে ‘খামখেয়ালি তালিকা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
শান্তিচুক্তির শর্ত পূরণ না হলে উভয় পক্ষই সহিংসতা বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। বুধবার ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছিলেন, ইরান যদি চুক্তিতে রাজি না হয়, তাহলে বোমাবর্ষণ শুরু হবে এবং তা আগের চেয়ে আরও ভয়াবহ ও তীব্র হবে।
কিছুক্ষণ পর ইরান সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের মুখপাত্র এবরাহিম রেজাই এক্স পোস্টে লিখেন, ইরানের আঙুল ট্রিগারেই রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় শর্ত মেনে আত্মসমর্পণ না করলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
ট্রাম্প এর আগে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের প্রাথমিক সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শেষ হবে যদি ইরান সম্মত হওয়া বিষয়গুলো মেনে নেয়। এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, অভিযান শেষ হয়েছে এবং এর লক্ষ্য পূরণ হয়েছে।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরান আর কখনো পারমাণবিক অস্ত্র রাখবে না বলে সম্মত হয়েছে। তবে তেহরান এখনো সেই দাবি নিশ্চিত করেনি। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিই দুপক্ষের মধ্যে সবচেয়ে বড় অচলাবস্থার বিষয় হয়ে রয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। এতে ইরান যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানকে সংলাপ, কূটনীতি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন আরাগচি।
১৩ ঘণ্টা আগে
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জয়ের পর বাংলাদেশে ‘পুশব্যাকে’র আশঙ্কা নিয়ে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হওয়া আলোচনার প্রেক্ষাপটে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ভারত। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে দ্রুত নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার অর্থ হলো রাজ্য সরকার আর বর্তমান নেই। ফলে পদত্যাগ না করলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার মন্ত্রিসভা এখন ‘সাবেক’।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্থগিত মৃত্যুদণ্ড সাজা হওয়ায় আগামী দুই বছর তাদের এ সাজা স্থগিত থাকবে। এরপর আইন অনুযায়ী এই দণ্ড কমে আমৃত্যু কারাবাসে রূপান্তরিত হবে। তবে শর্ত থাকবে, দণ্ডপ্রাপ্ত দুজন কোনোভাবেই সাজা কমানোর আবেদন করতে পারবেন না কিংবা প্যারোলে মুক্তি পাবেন না।
১৭ ঘণ্টা আগে