
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের রপ্তানি পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর এবার দেশটির ৬ কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
আজ বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান থেকে পেট্রোলিয়াম কেনাবেচায় জড়িত থাকার অভিযোগে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
নিষেধাজ্ঞায় পড়া ভারতীয় কোম্পানিগুলো হচ্ছে— অ্যালকেমিক্যাল সলিউশনস প্রাইভেট লিমিটেড, গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেমিক্যালস লিমিটেড, জুপিটার ডাই কেম প্রাইভেট লিমিটেড, রমনিকলাল এস গোসালিয়া অ্যান্ড কোম্পানি, পারসিস্টেন্ট পেট্রোকেম প্রাইভেট লিমিটেড ও কাঞ্চন পলিমার। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা মার্কিন নাগরিকদের নিয়ন্ত্রণাধীন যেকোনো স্থানে এসব কোম্পানির সম্পদ ও স্বার্থ জব্দ থাকবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য কেনাবেচায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়টি ভারতীয় কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দাবি, এসব লেনদেন মার্কিন নির্বাহী আদেশ ১৩৮৪৬ অনুযায়ী নিষিদ্ধ। কারণ ইরান সরকার এই আয়ের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত উসকে দিচ্ছে, সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগাচ্ছে এবং নিজ দেশের জনগণকে দমন করছে।
গতকাল বুধবার (৩০ জুলাই) এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বলেন, “ইরানি শাসকগোষ্ঠী মধ্যপ্রাচ্যে সহিংসতা উসকে দিতে তাদের তেল বিক্রি থেকে উপার্জিত রাজস্ব ব্যবহার করছে। আজকের এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা সেই অর্থপ্রবাহ বন্ধের চেষ্টা করছি, যা তারা বিদেশে সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন এবং দেশের জনগণের ওপর দমন-পীড়নে ব্যবহার করে।”
এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় বিশ্বের আরও ২০টি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ভারতের ছয়টি কোম্পানির নাম এসেছে। সবগুলো প্রতিষ্ঠানই নির্বাহী আদেশ ১৩৮৪৬-এর ধারা ৩(এ)(৩)-এর অধীনে 'ইরানি পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের উল্লেখযোগ্য লেনদেনে সচেতনভাবে জড়িত থাকার' কারণে নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে।

ভারতের রপ্তানি পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর এবার দেশটির ৬ কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
আজ বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান থেকে পেট্রোলিয়াম কেনাবেচায় জড়িত থাকার অভিযোগে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
নিষেধাজ্ঞায় পড়া ভারতীয় কোম্পানিগুলো হচ্ছে— অ্যালকেমিক্যাল সলিউশনস প্রাইভেট লিমিটেড, গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেমিক্যালস লিমিটেড, জুপিটার ডাই কেম প্রাইভেট লিমিটেড, রমনিকলাল এস গোসালিয়া অ্যান্ড কোম্পানি, পারসিস্টেন্ট পেট্রোকেম প্রাইভেট লিমিটেড ও কাঞ্চন পলিমার। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা মার্কিন নাগরিকদের নিয়ন্ত্রণাধীন যেকোনো স্থানে এসব কোম্পানির সম্পদ ও স্বার্থ জব্দ থাকবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য কেনাবেচায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়টি ভারতীয় কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দাবি, এসব লেনদেন মার্কিন নির্বাহী আদেশ ১৩৮৪৬ অনুযায়ী নিষিদ্ধ। কারণ ইরান সরকার এই আয়ের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত উসকে দিচ্ছে, সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগাচ্ছে এবং নিজ দেশের জনগণকে দমন করছে।
গতকাল বুধবার (৩০ জুলাই) এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বলেন, “ইরানি শাসকগোষ্ঠী মধ্যপ্রাচ্যে সহিংসতা উসকে দিতে তাদের তেল বিক্রি থেকে উপার্জিত রাজস্ব ব্যবহার করছে। আজকের এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা সেই অর্থপ্রবাহ বন্ধের চেষ্টা করছি, যা তারা বিদেশে সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন এবং দেশের জনগণের ওপর দমন-পীড়নে ব্যবহার করে।”
এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় বিশ্বের আরও ২০টি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ভারতের ছয়টি কোম্পানির নাম এসেছে। সবগুলো প্রতিষ্ঠানই নির্বাহী আদেশ ১৩৮৪৬-এর ধারা ৩(এ)(৩)-এর অধীনে 'ইরানি পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের উল্লেখযোগ্য লেনদেনে সচেতনভাবে জড়িত থাকার' কারণে নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে।

বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথটি দিয়ে জাহাজ চলাচল বৃদ্ধির তথ্য দিয়েছে সামুদ্রিক তথ্য বিশ্লেষণকারী কোম্পানি উইন্ডওয়ার্ড। তাদের তথ্য অনুযায়ী, টানা তৃতীয় দিনের মতো হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বেড়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছে পাকিস্তান সরকার।
১১ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চলমান সংঘাত অবসানে ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ একটি চাঞ্চল্যকর শান্তি প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের উচিত এখনই ‘বিজয় ঘোষণা’ করে এমন একটি চুক্তিতে আসা, যা বর্তমান যুদ্ধ থামানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সংঘাতের আশঙ্কা দূর করবে।
১১ ঘণ্টা আগে
এই চক্রটি হিমালয়ের দুর্গম সব শৃঙ্গে আরোহণ করতে যাওয়া পর্যটকদের খাবারে সুকৌশলে বিষ মেশাত। এরপর পর্যটকরা অসুস্থ হয়ে গেলে তাদের উদ্ধার করার জন্য হেলিকপ্টারের মাধ্যমে অভিযান চালানোর নাম করে হাতিয়ে নেওয়া হতো বিমার টাকা। এ চক্রের হাতে এরই মধ্যে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা (২ কোটি মার্কি ডলার) জালিয়াতি হয়েছে বলে জ
১৪ ঘণ্টা আগে