
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আফগানিস্তানের কয়েক দশকের উত্তাল ইতিহাস, বিনোদন আর আধুনিকায়নের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কাবুলের সেই ঐতিহাসিক 'এরিয়ানা সিনেমা হল' আর নেই। গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া উচ্ছেদ অভিযানে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে দেশটির চলচ্চিত্র সংস্কৃতির অন্যতম এই শেষ চিহ্নটি। যেখানে একসময় রুপালি পর্দার জাদুতে মুগ্ধ হতো মানুষ, সেখানে এখন গড়ে উঠবে বহুতল শপিং কমপ্লেক্স।
আফগানিস্তানের একসময়ের সমৃদ্ধ চলচ্চিত্র সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে পরিচিত কাবুলের ঐতিহাসিক এরিয়ানা সিনেমা হল ধ্বংস করা হয়েছে। দেশটির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিনাশের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে এ ঘটনাকে। চলতি মাসের ১৬ ডিসেম্বর সিনেমা হলটি উচ্ছেদ শুরু করা হয়। একই স্থানে একটি শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা চলছে। ১৯৬৩ সালে আফগানিস্তানের রাজতান্ত্রিক যুগে আধুনিকায়নের সময় যাত্রা শুরু করা সিনেমা হলটি কয়েক দশক ধরে বিপ্লব, বিদেশি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধ সহ নানা সংকটের মধ্যেও বেঁচে ছিল।
চলচ্চিত্র নির্মাতা ও শিল্পীরা এর ধ্বংসকে আফগানিস্তানের সাংস্কৃতিক স্মৃতির জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন। আফগান চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা আমির শাহ তলাশ এসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, 'এটি শুধু একটি ভবনের ক্ষয় নয়, বরং সেই সিনেমাপ্রেমীদের সম্প্রদায়কে মুছে ফেলার মতো, যারা বছরের পর বছর সংঘাতের মধ্যেও শিল্পকে ধরে রেখেছিল। দুর্ভাগ্যবশত, আফগানিস্তানের ঐতিহাসিক সব নিদর্শন ধ্বংস করা হচ্ছে।'

আফগানিস্তানের কয়েক দশকের উত্তাল ইতিহাস, বিনোদন আর আধুনিকায়নের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কাবুলের সেই ঐতিহাসিক 'এরিয়ানা সিনেমা হল' আর নেই। গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া উচ্ছেদ অভিযানে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে দেশটির চলচ্চিত্র সংস্কৃতির অন্যতম এই শেষ চিহ্নটি। যেখানে একসময় রুপালি পর্দার জাদুতে মুগ্ধ হতো মানুষ, সেখানে এখন গড়ে উঠবে বহুতল শপিং কমপ্লেক্স।
আফগানিস্তানের একসময়ের সমৃদ্ধ চলচ্চিত্র সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে পরিচিত কাবুলের ঐতিহাসিক এরিয়ানা সিনেমা হল ধ্বংস করা হয়েছে। দেশটির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিনাশের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে এ ঘটনাকে। চলতি মাসের ১৬ ডিসেম্বর সিনেমা হলটি উচ্ছেদ শুরু করা হয়। একই স্থানে একটি শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা চলছে। ১৯৬৩ সালে আফগানিস্তানের রাজতান্ত্রিক যুগে আধুনিকায়নের সময় যাত্রা শুরু করা সিনেমা হলটি কয়েক দশক ধরে বিপ্লব, বিদেশি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধ সহ নানা সংকটের মধ্যেও বেঁচে ছিল।
চলচ্চিত্র নির্মাতা ও শিল্পীরা এর ধ্বংসকে আফগানিস্তানের সাংস্কৃতিক স্মৃতির জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন। আফগান চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা আমির শাহ তলাশ এসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, 'এটি শুধু একটি ভবনের ক্ষয় নয়, বরং সেই সিনেমাপ্রেমীদের সম্প্রদায়কে মুছে ফেলার মতো, যারা বছরের পর বছর সংঘাতের মধ্যেও শিল্পকে ধরে রেখেছিল। দুর্ভাগ্যবশত, আফগানিস্তানের ঐতিহাসিক সব নিদর্শন ধ্বংস করা হচ্ছে।'

২০২০ সালের জুনে লাদাখ সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে চরম তিক্ততা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে সাত বছর লেগে গেল। এবার চারশত কর্মকর্তা সঙ্গী করে আবারও ভারত সফরে আসছেন শি জিনপিং।
১৯ ঘণ্টা আগে
আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে ঘোষণা দিতে পারে পররাষ্ট্র দপ্তর। এ ক্ষেত্রে তারা হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে।
২০ ঘণ্টা আগে
বেসেন্ট এটিকে ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তেহরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক রাখা দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা— এই দুটির মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হতে পারে।
১ দিন আগে