
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান মনোনীত প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন ৫ নভেম্বরের নির্বাচনকে সামনে রেখে কামালা হ্যারিসের বিরুদ্ধে তিনি আর কোন বিতর্কে অংশ নেবেন না। বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) তিনি এ কথা বলেন। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
মঙ্গলবার ( ১০ সেপ্টেম্বর) নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধমবারের মতো বিতর্কে অংশ নেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডেমোক্রেটিক প্রার্থী কামালা হ্যারিস। তবে বেশ কয়েকটি জরিপে দেখানো হয়েছে প্রথম দুই প্রার্থীর এই বিতর্কে কামালা জিতেছেন।
‘কোন তৃতীয় বিতর্ক হবে না’ সোশ্যাল মিডিয়া সাইট ট্রুথ সোশ্যালে সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন এ কথা। মঙ্গলবার হ্যারিসের বিরুদ্ধে বিতর্কের আগে ট্রাম্প জুনে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন।
যদিও ট্রাম্প মঙ্গলবার হ্যারিসের বিরুদ্ধে তার পারফরম্যান্স ভালো ছিল বলে দাবি করেছেন কিন্তু ছয়জন রিপাবলিকান দাতা এবং তিনজন ট্রাম্প উপদেষ্টা রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলার সময় বলেন তারা মনে করেন হ্যারিস বিতর্কে জিতেছেন। কারণ হ্যারিস ট্রাম্পকে যুক্তি-তর্কে একেবারে কোনঠাসা করে ফেলেছেন বিতর্কের মঞ্চে।
মার্কিন মিডিয়া দর্শক পরিমাপ সংস্থা নিলসেনের তথ্য অনুসারে মঙ্গলবারের বিতর্কটি ৬৭.১ মিলিয়ন দর্শক টেলিভিশনের পর্দায় দেখেছেন। এদিকে হ্যারিস, ট্রাম্পের পোস্টের পর একটি সমাবেশে বক্তৃতা দিয়ে বলেছিলেন, আমি বিশ্বাস করি যে আমরা ভোটারদের আরেকটি বিতর্ক উপহার দিতে পারি।
যদিও ট্রাম্প তার পোস্টে বলেছেন জরিপে তিনি বিতর্কে জিতেছেন। তবে বেশ কয়েকটি জরিপে বলা হচ্ছে উত্তরদাতারা মনে করেন হ্যারিস আরও ভাল করেছেন। বলেন ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত রয়টার্স/ইপসোস জরিপ অনুসারে মঙ্গলবারের বিতর্ক সম্পর্কে ৫৩ শতাংশ ভোটার বলেছেন হ্যারিস জিতেছেন এবং ২৪ শতাংশ বলেছেন যে ট্রাম্প জিতেছেন।
জরিপে আরও দেখা গেছে ৫৪ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটার মনে করেন ট্রাম্প এবং হ্যারিসের মধ্যে প্রথম বিতর্কটাই যথেষ্ট। তবে ৪৬ শতাংশ ভোটার মনে করেন তাদের মধ্যে আবার বিতর্ক হোক।

যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান মনোনীত প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন ৫ নভেম্বরের নির্বাচনকে সামনে রেখে কামালা হ্যারিসের বিরুদ্ধে তিনি আর কোন বিতর্কে অংশ নেবেন না। বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) তিনি এ কথা বলেন। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
মঙ্গলবার ( ১০ সেপ্টেম্বর) নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধমবারের মতো বিতর্কে অংশ নেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডেমোক্রেটিক প্রার্থী কামালা হ্যারিস। তবে বেশ কয়েকটি জরিপে দেখানো হয়েছে প্রথম দুই প্রার্থীর এই বিতর্কে কামালা জিতেছেন।
‘কোন তৃতীয় বিতর্ক হবে না’ সোশ্যাল মিডিয়া সাইট ট্রুথ সোশ্যালে সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন এ কথা। মঙ্গলবার হ্যারিসের বিরুদ্ধে বিতর্কের আগে ট্রাম্প জুনে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন।
যদিও ট্রাম্প মঙ্গলবার হ্যারিসের বিরুদ্ধে তার পারফরম্যান্স ভালো ছিল বলে দাবি করেছেন কিন্তু ছয়জন রিপাবলিকান দাতা এবং তিনজন ট্রাম্প উপদেষ্টা রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলার সময় বলেন তারা মনে করেন হ্যারিস বিতর্কে জিতেছেন। কারণ হ্যারিস ট্রাম্পকে যুক্তি-তর্কে একেবারে কোনঠাসা করে ফেলেছেন বিতর্কের মঞ্চে।
মার্কিন মিডিয়া দর্শক পরিমাপ সংস্থা নিলসেনের তথ্য অনুসারে মঙ্গলবারের বিতর্কটি ৬৭.১ মিলিয়ন দর্শক টেলিভিশনের পর্দায় দেখেছেন। এদিকে হ্যারিস, ট্রাম্পের পোস্টের পর একটি সমাবেশে বক্তৃতা দিয়ে বলেছিলেন, আমি বিশ্বাস করি যে আমরা ভোটারদের আরেকটি বিতর্ক উপহার দিতে পারি।
যদিও ট্রাম্প তার পোস্টে বলেছেন জরিপে তিনি বিতর্কে জিতেছেন। তবে বেশ কয়েকটি জরিপে বলা হচ্ছে উত্তরদাতারা মনে করেন হ্যারিস আরও ভাল করেছেন। বলেন ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত রয়টার্স/ইপসোস জরিপ অনুসারে মঙ্গলবারের বিতর্ক সম্পর্কে ৫৩ শতাংশ ভোটার বলেছেন হ্যারিস জিতেছেন এবং ২৪ শতাংশ বলেছেন যে ট্রাম্প জিতেছেন।
জরিপে আরও দেখা গেছে ৫৪ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটার মনে করেন ট্রাম্প এবং হ্যারিসের মধ্যে প্রথম বিতর্কটাই যথেষ্ট। তবে ৪৬ শতাংশ ভোটার মনে করেন তাদের মধ্যে আবার বিতর্ক হোক।

ইরানিয়ানরা এ দ্বন্দ্বের শুরু থেকেই বলে আসছে যে, গত কয়েক বছর যাবৎ হওয়া উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের দ্বারা একটি আদেশ জারি ছিল যে, ইরান তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে কাজ করবে না। তারা জেনেভা এবং ওমানে এর সঙ্গে সম্মত হওয়ার অনেক কাছেই ছিল। তবে এরপরই তাদের ওপর হামলা করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, মার্কিন প্রস্তাব ইরান প্রত্যাখ্যান করায় কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। উভয় পক্ষই নিজেদের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে আলোচনার ইতি টেনেছে। এই ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য সংকটে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হলো।
৭ ঘণ্টা আগে
গত নভেম্বরের নির্বাচনের পর প্রায় ১৫০ দিন সরকারবিহীন থাকা ইরাকে এই নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠনের পথ সুগম হলো। এমন এক সময়ে তিনি দায়িত্ব নিলেন যখন ইরাক মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার অস্থিরতার প্রভাব কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে।
৮ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ আলোচনার নানা ত্রুটি তুলে ধরে ভ্যান্স বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার শর্তসহ আমেরিকার দেওয়া শর্তগুলো মেনে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খারাপ খবর হলো, আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।
৮ ঘণ্টা আগে