
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বহুল আলোচিত-সমালোচিত রবার্ট ফ্রান্সিস কেনেডি জুনিয়রকে (৭০) স্বাস্থ্য ও মানব পরিষেবা বিভাগের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) ফ্রান্সের সংবাদ সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে কেনেডি জুনিয়রের নিয়োগ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।
তিনি লিখেছেন, ‘রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানব পরিষেবার মন্ত্রী পদে নিয়োগ দিতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।’
কেনেডি জুনিয়র যদিও যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য খাতে বিতর্কিত একজন ব্যক্তিত্ব তবুও ট্রাম্প তাকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।
বিশেষ করে কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিনের বিরুদ্ধে অবস্থানের জন্য কেনেডি সমালোচিত।
এ ছাড়া ২০১৯ সালে কেনেডির ‘গোল্ড স্ট্যার্ন্ডার্ড সায়েন্টিফিক রিসার্চ’ এজেন্সি করোনা টিকা নিয়ে ভুল তথ্য ফেসবুকে ভাইরাল করেছিল।
কেনেডি জুনিয়র টিকাবিরোধী অ্যাডভোকেসি গ্রুপ ‘চিলড্রেনস হেলথ ডিফেন্সের’ চেয়ারম্যান এবং প্রতিষ্ঠাতা।
এদিকে আমেরিকার পাবলিক হেলথ অ্যাসোশিয়েশন কেনেডির এ নিয়োগের সমালোচনা করেছেন।
প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক জর্জ সি বেনিয়ামিন স্বাস্থ্যখাতে কেনেডি জুনিয়রের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং তার নিয়োগে নিন্দা জানিয়েছেন।
এদিকে ডেমোক্র্যাটরা কেনেডি জুনিয়রের নিয়োগকে ‘পাগলামি’ বলে উল্লেখ করেছেন।
তারা বলছে, এমন একজন ভ্যাক্সিন সন্দেহকারীকে এই পদে নিয়োগ দিলে সে আমাদের জনস্বাস্থ্য খাতকে ধ্বংস করে ফেলবে এবং আমাদের ভ্যাক্সিন বণ্টন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্থ করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কেনেডি জুনিয়র বিখ্যাত কেনেডি পরিবারের সন্তান। তিনি যুক্তরাস্ট্র্রের ৩৫তম প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির ভাতিজা। কেনেডি দীর্ঘদিন ধরে একজন পরিবেশবাদী প্রচারক।
কেনেডি জুনিয়র ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী হিসেবে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী কমলা হ্যারিসের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন। অবশ্য পরে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়েছেন। সূত্র: বিবিসি

বহুল আলোচিত-সমালোচিত রবার্ট ফ্রান্সিস কেনেডি জুনিয়রকে (৭০) স্বাস্থ্য ও মানব পরিষেবা বিভাগের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) ফ্রান্সের সংবাদ সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে কেনেডি জুনিয়রের নিয়োগ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।
তিনি লিখেছেন, ‘রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানব পরিষেবার মন্ত্রী পদে নিয়োগ দিতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।’
কেনেডি জুনিয়র যদিও যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য খাতে বিতর্কিত একজন ব্যক্তিত্ব তবুও ট্রাম্প তাকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।
বিশেষ করে কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিনের বিরুদ্ধে অবস্থানের জন্য কেনেডি সমালোচিত।
এ ছাড়া ২০১৯ সালে কেনেডির ‘গোল্ড স্ট্যার্ন্ডার্ড সায়েন্টিফিক রিসার্চ’ এজেন্সি করোনা টিকা নিয়ে ভুল তথ্য ফেসবুকে ভাইরাল করেছিল।
কেনেডি জুনিয়র টিকাবিরোধী অ্যাডভোকেসি গ্রুপ ‘চিলড্রেনস হেলথ ডিফেন্সের’ চেয়ারম্যান এবং প্রতিষ্ঠাতা।
এদিকে আমেরিকার পাবলিক হেলথ অ্যাসোশিয়েশন কেনেডির এ নিয়োগের সমালোচনা করেছেন।
প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক জর্জ সি বেনিয়ামিন স্বাস্থ্যখাতে কেনেডি জুনিয়রের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং তার নিয়োগে নিন্দা জানিয়েছেন।
এদিকে ডেমোক্র্যাটরা কেনেডি জুনিয়রের নিয়োগকে ‘পাগলামি’ বলে উল্লেখ করেছেন।
তারা বলছে, এমন একজন ভ্যাক্সিন সন্দেহকারীকে এই পদে নিয়োগ দিলে সে আমাদের জনস্বাস্থ্য খাতকে ধ্বংস করে ফেলবে এবং আমাদের ভ্যাক্সিন বণ্টন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্থ করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কেনেডি জুনিয়র বিখ্যাত কেনেডি পরিবারের সন্তান। তিনি যুক্তরাস্ট্র্রের ৩৫তম প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির ভাতিজা। কেনেডি দীর্ঘদিন ধরে একজন পরিবেশবাদী প্রচারক।
কেনেডি জুনিয়র ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী হিসেবে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী কমলা হ্যারিসের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন। অবশ্য পরে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়েছেন। সূত্র: বিবিসি

২০২৪ সালের নভেম্বরের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকেই আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা চলছিল, যেখানে এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের দূতরা উভয় পক্ষের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা পরিচালনা করেছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
ক্রেমলিনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনও একই পদক্ষেপ নেবে বলে তারা আশা করছে। এতে আরো বলা হয়, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোউসভ সেনাবাহিনী প্রধান ভ্যালেরি গেরাসিমভকে ওই সময় সামরিক অভিযান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে যেকোনো ধরনের লঙ্ঘনের জবাব দিতে রুশ বাহিনী প্রস্তুত থাকবে।
১১ ঘণ্টা আগে
ছয় সপ্তাহের সংঘাতে ইরানের নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বড় অংশের লক্ষ্যই ছিল উপসাগরীয় দেশগুলো। এসব হামলার বেশির ভাগই প্রতিহত করা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে । তবে এরপরও তারা বুঝতে পারছে, এককভাবে প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট নয়।
১১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর নজরদারি ড্রোন ‘এমকিউ-৪সি ট্রাইটন’ হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই ড্রোনটি উড়ন্ত অবস্থায় জরুরি সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল। এটি বিধ্বস্ত হয়েছে নাকি ভূপাতিত করা হয়েছে— এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
১২ ঘণ্টা আগে