
ডয়চে ভেলে

প্রত্যাশামতোই নিজেদের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত রাজ্যগুলিতে জিতছেন ট্রাম্প ও হ্যারিস। দুইটি সুইং স্টেট জিতেছেন ট্রাম্প। তিনিই এখন এগিয়ে। ডেমোক্র্যাট কমলা হ্যারিস বনাম রিপাবলিকান ট্রাম্পের মধ্যে তীব্র লড়াই হচ্ছে।
এখনো পর্যন্ত প্রকাশিত ফলাফল বা এগিয়ে পিছিয়ে থাকার নিরিখে হ্যারিস পেয়েছেন ২১৪টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট, ট্রাম্প পেয়েছেন ২৪৭টি। হ্যারিস ৪৭ দশমিক পাঁচ ও ট্রাম্প ৫১ দশমিক এক শতাংশ ভোট পেয়েছেন। যে প্রার্থী ২৭০টি বা তার বেশি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পাবেন তিনিই জিতবেন।
এখনো পর্যন্ত ঘোষিত ফলাফলে চমক নেই। যে রাজ্যগুলি ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের ঘাঁটি বলে পরিচিত, সেগুলি তারা ধরে রাখতে পারছে। ফলে সুইং স্টেট, যেগুলি যে কোনো পক্ষেই যেতে পারে, সেগুলিই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাময় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল ঠিক করে দেবে।
ট্রাম্প কোথায় জিতলেন?
ট্রাম্প ওহাইও এবং টেক্সাসে জিতেছেন। ওহাইওতে ১৭টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট আছে। টেক্সাসে আছে ৪০টি। দুই রাজ্যেই গতবার ট্রাম্প জিতেছিলেন। তবে বারাক ওবামা ২০০৮ ও ২০১২-তে ওহিওতে জিততে পেরেছিলেন।
ডেমোক্র্যাটদের আশা ছিল, তারা টেক্সাস ছিনিয়ে নিতে পারবে। কারণ, এখানে শহর ও আধা শহরের সংখ্যা বেশি। কিন্তু টেক্সাস রিপাবলিকান ট্রাম্পের সঙ্গেই থেকেছে। ট্রাম্প নর্থ ও সাউথ ডাকোটা, লুইসিয়ানা, ওয়াইওমিংয়ে জিতেছেন। তিনি কানসাস ও আইওয়াতেও জিতেছেন।
মিয়ামি থেকে ডিডাব্লিউর সাংবাদিক বেঞ্জামিন আলবারেজ গ্রুবের জানিয়েছেন, সেখানে রাস্তায় প্রচুর ট্রাম্প সমর্থক জড়ো হয়েছেন। তারা গাড়ির হর্ন বাজাচ্ছেন। রিপাবলিকানদের পতাকা হাতে নিয়ে ঘুরছেন। মিয়ামির বিখ্যাত কিউবান রেস্তোরাঁ ভরে আছে ট্রাম্পের সমর্থকে।
ট্রাম্পের এক নারী সমর্থক জানিয়েছেন, তিনি কড়া ধাঁচের মানুষ। অ্যামেরিকার এখন এরকম একজন নেতা চাই। আরেক নারী বলেছেন, ‘কোভিডের আগে সবকিছু ভালো ছিল। গত তিন বছরে কিছুই হয়নি। আমরা সেই সময়ে ফিরে যেতে চাই।’
হ্যারিস যেখানে জিতলেন
কমলা হ্যারিস নিউ ইয়র্কে জিতেছেন। এই রাজ্য সাধারণত ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে থাকে। তিনি ইলিনয়ে জিতেছেন। এখানে প্রচুর গ্রামীণ এলাকা থাকলেও শিকাগোর মতো শহর আছে। ডেমোক্র্যাটরা তাই এই রাজ্য থেকে সচরাচর জিতে থাকেন। এখানে ১৭টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট আছে।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নিজের রাজ্য ডেলাওয়ারে হ্যারিস জিতেছেন। ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে থাকা আরেক রাজ্য নিউ জার্সিতেও হ্যারিস জিতেছেন। হ্যারিস ক্যালিফোর্নিয়া ও ওয়াশিংটনে জিতেছেন। তিনি ম্যাসাচুসেটস, রোডস আইল্যান্ড, কানেকটিকাটে জিতেছেন। তিনি ওরেগন জিততে চলেছেন।
ডিডাব্লিউর সাংবাদিক জানেলে ডুমালাসন ওয়াশিংটন ডিসি থেকে জানাচ্ছেন, হ্যারিসের সমর্থকরা দলে দলে হাওয়ার্ড ওয়াচ পার্টিতে যোগ দিচ্ছেন। তার সমর্থকরা খুবই আত্মবিশ্বাসী ও জয়ের বিষয়ে আশাবাদী। তারা মনে করছেন, অ্যামেরিকা তার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট পাবে।
জর্জিয়ার মধ্যবয়সি নারীর কাছ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছিল, কেন তিনি হ্যারিসকে পছন্দ করেন, তার জবাব ছিল, কারণ, তিনি সব বিষয়ে ট্রাম্পের একেবারে উল্টো অবস্থানে আছেন।
এখানেই একটি পোস্টারে লেখা, ‘আপনারা কি ম্যাডাম প্রেসিডেন্ট চান, নাকি ম্যাডম্যান প্রেসিডেন্ট চান?’ ওয়াশিংটন ডিসি সাধারণত ডেমোক্র্যাটদের শক্ত জমি। সারাদিন ধরে ভোটদাতাদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে মনে হয়েছে, এখানে অন্তত প্রচুর মানুষ কমলা হ্যারিসকে ভোট দিচ্ছেন।
সুইং স্টেটের ফল
সুইং স্টেট হলো সেই রাজ্য যারা যে কোনো দিকেই চলে যেতে পারে। সমীক্ষকদের মতে, এই রাজ্যগুলিতে ভয়ংকর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। এবারো যে কোনো দিকেই তা যেতে পারে। সুইং স্টেট হিসাবে পরিচিত নর্থ ক্যারোলিনাতে ট্রাম্প জিতেছেন। সেখানে ১৬টি ইলেকটোরাল ভোট আছে।
জর্জিয়াতেও ট্রাম্প জিতেছেন। ভার্জিনিয়াতে হ্যারিস জিতেছেন। গতবার এখানে বাইডেনই জিতেছিলেন। উইসকনসিন, জর্জিয়া, পেনসিলভানিয়া, মিশিগানের মতো সুইং স্টেটে গণনা চলছে।
কত সময় লাগবে?
যুক্তরাষ্ট্রে ভোটগণনার ক্ষেত্রে অনেকটা সময় লাগে। এটা একটা দীর্ঘ প্রক্রিয়া। ব্যবধান খুব কম হলে আবার গণনা হয়। ফলে তার জন্য সময় লাগে। তাই এই ভোটগণনায় সময় লাগবে।

প্রত্যাশামতোই নিজেদের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত রাজ্যগুলিতে জিতছেন ট্রাম্প ও হ্যারিস। দুইটি সুইং স্টেট জিতেছেন ট্রাম্প। তিনিই এখন এগিয়ে। ডেমোক্র্যাট কমলা হ্যারিস বনাম রিপাবলিকান ট্রাম্পের মধ্যে তীব্র লড়াই হচ্ছে।
এখনো পর্যন্ত প্রকাশিত ফলাফল বা এগিয়ে পিছিয়ে থাকার নিরিখে হ্যারিস পেয়েছেন ২১৪টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট, ট্রাম্প পেয়েছেন ২৪৭টি। হ্যারিস ৪৭ দশমিক পাঁচ ও ট্রাম্প ৫১ দশমিক এক শতাংশ ভোট পেয়েছেন। যে প্রার্থী ২৭০টি বা তার বেশি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পাবেন তিনিই জিতবেন।
এখনো পর্যন্ত ঘোষিত ফলাফলে চমক নেই। যে রাজ্যগুলি ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের ঘাঁটি বলে পরিচিত, সেগুলি তারা ধরে রাখতে পারছে। ফলে সুইং স্টেট, যেগুলি যে কোনো পক্ষেই যেতে পারে, সেগুলিই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাময় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল ঠিক করে দেবে।
ট্রাম্প কোথায় জিতলেন?
ট্রাম্প ওহাইও এবং টেক্সাসে জিতেছেন। ওহাইওতে ১৭টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট আছে। টেক্সাসে আছে ৪০টি। দুই রাজ্যেই গতবার ট্রাম্প জিতেছিলেন। তবে বারাক ওবামা ২০০৮ ও ২০১২-তে ওহিওতে জিততে পেরেছিলেন।
ডেমোক্র্যাটদের আশা ছিল, তারা টেক্সাস ছিনিয়ে নিতে পারবে। কারণ, এখানে শহর ও আধা শহরের সংখ্যা বেশি। কিন্তু টেক্সাস রিপাবলিকান ট্রাম্পের সঙ্গেই থেকেছে। ট্রাম্প নর্থ ও সাউথ ডাকোটা, লুইসিয়ানা, ওয়াইওমিংয়ে জিতেছেন। তিনি কানসাস ও আইওয়াতেও জিতেছেন।
মিয়ামি থেকে ডিডাব্লিউর সাংবাদিক বেঞ্জামিন আলবারেজ গ্রুবের জানিয়েছেন, সেখানে রাস্তায় প্রচুর ট্রাম্প সমর্থক জড়ো হয়েছেন। তারা গাড়ির হর্ন বাজাচ্ছেন। রিপাবলিকানদের পতাকা হাতে নিয়ে ঘুরছেন। মিয়ামির বিখ্যাত কিউবান রেস্তোরাঁ ভরে আছে ট্রাম্পের সমর্থকে।
ট্রাম্পের এক নারী সমর্থক জানিয়েছেন, তিনি কড়া ধাঁচের মানুষ। অ্যামেরিকার এখন এরকম একজন নেতা চাই। আরেক নারী বলেছেন, ‘কোভিডের আগে সবকিছু ভালো ছিল। গত তিন বছরে কিছুই হয়নি। আমরা সেই সময়ে ফিরে যেতে চাই।’
হ্যারিস যেখানে জিতলেন
কমলা হ্যারিস নিউ ইয়র্কে জিতেছেন। এই রাজ্য সাধারণত ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে থাকে। তিনি ইলিনয়ে জিতেছেন। এখানে প্রচুর গ্রামীণ এলাকা থাকলেও শিকাগোর মতো শহর আছে। ডেমোক্র্যাটরা তাই এই রাজ্য থেকে সচরাচর জিতে থাকেন। এখানে ১৭টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট আছে।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নিজের রাজ্য ডেলাওয়ারে হ্যারিস জিতেছেন। ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে থাকা আরেক রাজ্য নিউ জার্সিতেও হ্যারিস জিতেছেন। হ্যারিস ক্যালিফোর্নিয়া ও ওয়াশিংটনে জিতেছেন। তিনি ম্যাসাচুসেটস, রোডস আইল্যান্ড, কানেকটিকাটে জিতেছেন। তিনি ওরেগন জিততে চলেছেন।
ডিডাব্লিউর সাংবাদিক জানেলে ডুমালাসন ওয়াশিংটন ডিসি থেকে জানাচ্ছেন, হ্যারিসের সমর্থকরা দলে দলে হাওয়ার্ড ওয়াচ পার্টিতে যোগ দিচ্ছেন। তার সমর্থকরা খুবই আত্মবিশ্বাসী ও জয়ের বিষয়ে আশাবাদী। তারা মনে করছেন, অ্যামেরিকা তার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট পাবে।
জর্জিয়ার মধ্যবয়সি নারীর কাছ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছিল, কেন তিনি হ্যারিসকে পছন্দ করেন, তার জবাব ছিল, কারণ, তিনি সব বিষয়ে ট্রাম্পের একেবারে উল্টো অবস্থানে আছেন।
এখানেই একটি পোস্টারে লেখা, ‘আপনারা কি ম্যাডাম প্রেসিডেন্ট চান, নাকি ম্যাডম্যান প্রেসিডেন্ট চান?’ ওয়াশিংটন ডিসি সাধারণত ডেমোক্র্যাটদের শক্ত জমি। সারাদিন ধরে ভোটদাতাদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে মনে হয়েছে, এখানে অন্তত প্রচুর মানুষ কমলা হ্যারিসকে ভোট দিচ্ছেন।
সুইং স্টেটের ফল
সুইং স্টেট হলো সেই রাজ্য যারা যে কোনো দিকেই চলে যেতে পারে। সমীক্ষকদের মতে, এই রাজ্যগুলিতে ভয়ংকর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। এবারো যে কোনো দিকেই তা যেতে পারে। সুইং স্টেট হিসাবে পরিচিত নর্থ ক্যারোলিনাতে ট্রাম্প জিতেছেন। সেখানে ১৬টি ইলেকটোরাল ভোট আছে।
জর্জিয়াতেও ট্রাম্প জিতেছেন। ভার্জিনিয়াতে হ্যারিস জিতেছেন। গতবার এখানে বাইডেনই জিতেছিলেন। উইসকনসিন, জর্জিয়া, পেনসিলভানিয়া, মিশিগানের মতো সুইং স্টেটে গণনা চলছে।
কত সময় লাগবে?
যুক্তরাষ্ট্রে ভোটগণনার ক্ষেত্রে অনেকটা সময় লাগে। এটা একটা দীর্ঘ প্রক্রিয়া। ব্যবধান খুব কম হলে আবার গণনা হয়। ফলে তার জন্য সময় লাগে। তাই এই ভোটগণনায় সময় লাগবে।

ব্রেক্সিট গণভোটের ১০ বছর পূর্তির দিনে সেই রাজনৈতিক যাত্রাপথের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের সিদ্ধান্ত দেশটির জন্য শুধু একটি পররাষ্ট্র বা অর্থনৈতিক নীতিগত পরিবর্তন ছিল না; বরং এটি যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে, যার প্রভাব এখনো দেশটির রাজনীতিতে স্পষ্ট।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত একটি ইউএফসি ফ্রিডম ২৫০ মিক্সড মার্শাল আর্টস ইভেন্টকে লক্ষ্য করে সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ষড়যন্ত্রের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
একটি প্রাথমিক শান্তি চুক্তির আওতায় প্রথম দফার আলোচনার পর গতকাল সোমবার থেকে আগামী ৬০ দিনের জন্য ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি এই চুক্তির শর্ত মেনে না চলে, তবে তিনি ‘যা করার তা-ই করবেন’।
১০ ঘণ্টা আগে
দশ বছর আগের ব্রেক্সিট আলোচনার সময়কার ইউরোপ আর আজকের ইউরোপ এক নয়। তখন মূল প্রশ্ন ছিল যুক্তরাজ্যের বিদায় কীভাবে সামলানো হবে। আর এখন প্রশ্ন— ক্রমশ অস্থিতিশীল হয়ে ওঠা বিশ্বে ইউরোপ কীভাবে নিজের অবস্থান ধরে রাখবে।
১১ ঘণ্টা আগে