
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইউরোপ জুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যেই জলবায়ু সংকট নিয়ে নতুন করে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তার ভাষায়, ‘লন্ডন শুধু ডাকছে না, পুড়ছেও।’
একই সময়ে যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, বর্তমান উষ্ণায়নের ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৫৬ সালের মধ্যে ইংল্যান্ডে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২৩ জুন) লন্ডন ক্লাইমেট অ্যাকশন উইকে বক্তব্য দেন গুতেরেস। সেখানে তিনি বলেন, বিশ্ব এখন একই সঙ্গে দুটি সংকটের মুখোমুখি— জলবায়ু সংকট ও জ্বালানি সংকট। এই দুই সংকটের মূল উৎস একটিই, আর তা হলো জীবাশ্ম জ্বালানি।
চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত উপন্যাস ‘আ টেল অব টু সিটিজে’র প্রসঙ্গ টেনে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, আমাদের বিশ্বও এখন দুটি সংকটের গল্পের মুখোমুখি। জলবায়ু সংকট পৃথিবীকে আরও উষ্ণ করছে এবং বিপর্যয়কর সীমার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অন্যদিকে জ্বালানি সংকট দেখিয়ে দিচ্ছে, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কতটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।
গুতেরেস বিশ্বনেতাদের প্রতি নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত বিনিয়োগ বাড়ানো এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
গুতেরেসের সতর্কবার্তার মধ্যেই ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া দপ্তর মেট অফিসের নতুন এক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ। ১৯৭৬ সালের ঐতিহাসিক তাপপ্রবাহের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে প্রকাশিত এ গবেষণায় ২০৫৬ সালের একটি ‘সম্ভাব্য বাস্তবসম্মত পরিস্থিতি’ তুলে ধরা হয়েছে।
গবেষকদের হিসাব বলছে, বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা যদি শিল্প-পূর্ব সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যায়, তাহলে ইংল্যান্ডে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি, ওয়েলসে ৪১ ডিগ্রি, স্কটল্যান্ডে ৩৮ ডিগ্রি ও উত্তর আয়ারল্যান্ডে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে টানা দুই সপ্তাহ তাপপ্রবাহ স্থায়ী হতে পারে। এর মধ্যে পরপর ৯ দিন তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে থাকার আশঙ্কাও রয়েছে।
মেট অফিসের প্রধান বিজ্ঞানী অধ্যাপক স্টিফেন বেলচার বলেন, ১৯৭৬ সালের পর যুক্তরাজ্যের গড় গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা এরই মধ্যে প্রায় ১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। শুধু গড় তাপমাত্রাই নয়, চরম আবহাওয়ার ঘটনাও আগের তুলনায় অনেক বেশি তীব্র হয়েছে।
তবে মেট অপিসের এই প্রধান এ-ও স্পষ্ট করেছেন, এটি নির্দিষ্ট কোনো আবহাওয়া পূর্বাভাস নয়; বরং বর্তমান জলবায়ু পরিবর্তনের ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তার একটি বৈজ্ঞানিকভাবে সম্ভাব্য চিত্র।

ইউরোপ জুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যেই জলবায়ু সংকট নিয়ে নতুন করে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তার ভাষায়, ‘লন্ডন শুধু ডাকছে না, পুড়ছেও।’
একই সময়ে যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, বর্তমান উষ্ণায়নের ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৫৬ সালের মধ্যে ইংল্যান্ডে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২৩ জুন) লন্ডন ক্লাইমেট অ্যাকশন উইকে বক্তব্য দেন গুতেরেস। সেখানে তিনি বলেন, বিশ্ব এখন একই সঙ্গে দুটি সংকটের মুখোমুখি— জলবায়ু সংকট ও জ্বালানি সংকট। এই দুই সংকটের মূল উৎস একটিই, আর তা হলো জীবাশ্ম জ্বালানি।
চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত উপন্যাস ‘আ টেল অব টু সিটিজে’র প্রসঙ্গ টেনে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, আমাদের বিশ্বও এখন দুটি সংকটের গল্পের মুখোমুখি। জলবায়ু সংকট পৃথিবীকে আরও উষ্ণ করছে এবং বিপর্যয়কর সীমার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অন্যদিকে জ্বালানি সংকট দেখিয়ে দিচ্ছে, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কতটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।
গুতেরেস বিশ্বনেতাদের প্রতি নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত বিনিয়োগ বাড়ানো এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
গুতেরেসের সতর্কবার্তার মধ্যেই ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া দপ্তর মেট অফিসের নতুন এক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ। ১৯৭৬ সালের ঐতিহাসিক তাপপ্রবাহের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে প্রকাশিত এ গবেষণায় ২০৫৬ সালের একটি ‘সম্ভাব্য বাস্তবসম্মত পরিস্থিতি’ তুলে ধরা হয়েছে।
গবেষকদের হিসাব বলছে, বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা যদি শিল্প-পূর্ব সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যায়, তাহলে ইংল্যান্ডে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি, ওয়েলসে ৪১ ডিগ্রি, স্কটল্যান্ডে ৩৮ ডিগ্রি ও উত্তর আয়ারল্যান্ডে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে টানা দুই সপ্তাহ তাপপ্রবাহ স্থায়ী হতে পারে। এর মধ্যে পরপর ৯ দিন তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে থাকার আশঙ্কাও রয়েছে।
মেট অফিসের প্রধান বিজ্ঞানী অধ্যাপক স্টিফেন বেলচার বলেন, ১৯৭৬ সালের পর যুক্তরাজ্যের গড় গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা এরই মধ্যে প্রায় ১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। শুধু গড় তাপমাত্রাই নয়, চরম আবহাওয়ার ঘটনাও আগের তুলনায় অনেক বেশি তীব্র হয়েছে।
তবে মেট অপিসের এই প্রধান এ-ও স্পষ্ট করেছেন, এটি নির্দিষ্ট কোনো আবহাওয়া পূর্বাভাস নয়; বরং বর্তমান জলবায়ু পরিবর্তনের ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তার একটি বৈজ্ঞানিকভাবে সম্ভাব্য চিত্র।

নাইটনের ভাষ্য, বিপুল সেনা মোতায়েন করেও রুশ বাহিনী ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করতে পারছে না। পশ্চিমা কর্মকর্তা ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, চলতি বছরে রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রার গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ব্রিকস সম্মেলন সামনে রেখেই তিন দিনের সফরে ভারত গেছেন ভ্লাদিমির পুতিন। তার নয়াদিল্লি সফর ভারতের জন্য একই সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। কয়েক দশক ধরে রাশিয়া ভারতের অন্যতম ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক অংশীদার। ভারতের সামরিক সরঞ্জামের বড় একটি অংশ ঐতিহাসিকভাবে রাশিয়া থেকে এসেছ
১০ ঘণ্টা আগে
তবে দুই দশকের বেশি সময় ধরে বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতায় বিশ্লেষকরা বলছেন, আপাতদৃষ্টিতে এসব কাঠামো শক্তিশালী ও সুরক্ষিত মনে হলেও এর মধ্যে থেকে গেছে গুরুতর দুর্বলতা। সেই দুর্বলতাই নতুন ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সদস্য বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে স্বার্থের বৈচিত্র্যও। ফলে ব্রিকসকে এখন একই সঙ্গে একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম, বৈশ্বিক দক্ষিণের রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর এবং পশ্চিমানির্ভর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে নিজেদের ভূমিকা নির্ধারণ করতে হচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে