
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরান। গত মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন ইরানি ভূখণ্ডে মার্কিন আক্রমণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কুয়েত, জর্ডান, ইরাক ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। খবর আল জাজিরার।
আইআরজিসি-র বিবৃতিতে দাবি করা হয়, জর্ডানের ‘প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটি’তে অবস্থিত মার্কিন ড্রোন হ্যাঙ্গারগুলো লক্ষ্য করে একটি ভারী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে মারা হয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় বেশ কয়েকটি ড্রোন ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি কয়েকজন মার্কিন সেনা ও কারিগরি কর্মী নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে জর্ডানের ‘ক্যাম্প তিতিন’-এ মার্কিন মেরিন ব্যারাকে হামলায় সামরিক স্থাপনা ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তেহরান উল্লেখ করে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র ও জর্ডান কর্তৃপক্ষ হতাহতের এই দাবি অস্বীকার করেছে। জর্ডান সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা ১৩টি ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ১০টিই তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে।
অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে, বাহরাইনের শেখ ঈসা ঘাঁটির মার্কিন রাডার ও সৈন্য সমাবেশস্থল এবং ইরাকে থাকা মার্কিন অবস্থানের ওপর বড় আকারের ড্রোন ও মিসাইল আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।
ইরানি বার্তা সংস্থা ‘ফার্স’-এর সূত্রে জানা গেছে, এর আগে হরমুজগান প্রদেশের সিরিক অঞ্চলের একটি বেসামরিক স্থানে মার্কিন হামলার বদলা হিসেবেই তেহরান এই হামলা চালায়। সিরিক ছাড়াও বন্দর আব্বাস, কেশম দ্বীপ, কোনারাক, চাবাহার, জাস্ক এবং আহভাজ প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছিল।
গত জুলাইয়ের পর এই প্রথম দুই দেশের মধ্যে সরাসরি পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা এভাবে বৃদ্ধি পেল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই পাল্টা হামলার জবাবে তেহরানের ওপর আরও কঠোর আঘাত হানা হবে। অন্যদিকে, যেকোনো পরিস্থিতির অবনতি রোধে আকাশসীমায় সতর্কতা জারি করে কুয়েত সরকার তাদের নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছে

দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরান। গত মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন ইরানি ভূখণ্ডে মার্কিন আক্রমণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কুয়েত, জর্ডান, ইরাক ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। খবর আল জাজিরার।
আইআরজিসি-র বিবৃতিতে দাবি করা হয়, জর্ডানের ‘প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটি’তে অবস্থিত মার্কিন ড্রোন হ্যাঙ্গারগুলো লক্ষ্য করে একটি ভারী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে মারা হয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় বেশ কয়েকটি ড্রোন ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি কয়েকজন মার্কিন সেনা ও কারিগরি কর্মী নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে জর্ডানের ‘ক্যাম্প তিতিন’-এ মার্কিন মেরিন ব্যারাকে হামলায় সামরিক স্থাপনা ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তেহরান উল্লেখ করে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র ও জর্ডান কর্তৃপক্ষ হতাহতের এই দাবি অস্বীকার করেছে। জর্ডান সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা ১৩টি ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ১০টিই তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে।
অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে, বাহরাইনের শেখ ঈসা ঘাঁটির মার্কিন রাডার ও সৈন্য সমাবেশস্থল এবং ইরাকে থাকা মার্কিন অবস্থানের ওপর বড় আকারের ড্রোন ও মিসাইল আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।
ইরানি বার্তা সংস্থা ‘ফার্স’-এর সূত্রে জানা গেছে, এর আগে হরমুজগান প্রদেশের সিরিক অঞ্চলের একটি বেসামরিক স্থানে মার্কিন হামলার বদলা হিসেবেই তেহরান এই হামলা চালায়। সিরিক ছাড়াও বন্দর আব্বাস, কেশম দ্বীপ, কোনারাক, চাবাহার, জাস্ক এবং আহভাজ প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছিল।
গত জুলাইয়ের পর এই প্রথম দুই দেশের মধ্যে সরাসরি পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা এভাবে বৃদ্ধি পেল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই পাল্টা হামলার জবাবে তেহরানের ওপর আরও কঠোর আঘাত হানা হবে। অন্যদিকে, যেকোনো পরিস্থিতির অবনতি রোধে আকাশসীমায় সতর্কতা জারি করে কুয়েত সরকার তাদের নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছে

নাইটনের ভাষ্য, বিপুল সেনা মোতায়েন করেও রুশ বাহিনী ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করতে পারছে না। পশ্চিমা কর্মকর্তা ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, চলতি বছরে রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রার গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ব্রিকস সম্মেলন সামনে রেখেই তিন দিনের সফরে ভারত গেছেন ভ্লাদিমির পুতিন। তার নয়াদিল্লি সফর ভারতের জন্য একই সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। কয়েক দশক ধরে রাশিয়া ভারতের অন্যতম ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক অংশীদার। ভারতের সামরিক সরঞ্জামের বড় একটি অংশ ঐতিহাসিকভাবে রাশিয়া থেকে এসেছ
১০ ঘণ্টা আগে
তবে দুই দশকের বেশি সময় ধরে বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতায় বিশ্লেষকরা বলছেন, আপাতদৃষ্টিতে এসব কাঠামো শক্তিশালী ও সুরক্ষিত মনে হলেও এর মধ্যে থেকে গেছে গুরুতর দুর্বলতা। সেই দুর্বলতাই নতুন ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সদস্য বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে স্বার্থের বৈচিত্র্যও। ফলে ব্রিকসকে এখন একই সঙ্গে একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম, বৈশ্বিক দক্ষিণের রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর এবং পশ্চিমানির্ভর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে নিজেদের ভূমিকা নির্ধারণ করতে হচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে