
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরে তীব্র শীতের প্রবাহ ও তুষার ঝড়ের ফলে সাতটি রাজ্যে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। মধ্যপশ্চিমে তুষারঝড়ের প্রভাবের ফলে কোটি মানুষকে সতর্কতার আওতায় আনা হয়েছে। নতুন শীতকালীন এ ঝড় ধীরে ধীরে পূর্ব উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে।
তীব্র শীতের তাপমাত্রা দেশের উত্তর অংশে প্রভাব বিস্তার করছে। স্থানীয় সময় রোববার (৫ জানুয়ারি) সকালে কানসাস, মিসৌরি, কেনটোকি, ভার্জিনিয়া, পশ্চিম ভার্জিনিয়া ও আরাকানস রাজ্যে তুষারঝড়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এসব রাজ্যের প্রায় ১০ কোটি মানুষ তুষারঝড়ের কবলে পড়ছেন। এছাড়াও ড্যাকোটা থেকে ডেলাওয়্যার শীতকালীন আবহাওয়ার সতর্কবার্তার আওতায় রয়েছে। ঝড়টি সোমবার পর্যন্ত চলমান থাকবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে।
কানসাস সিটি (কানসাস), ভার্জিনিয়া ও মিসৌরিতে তুষারপাত ও বরফের কারণে রাস্তা বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। মিড-অ্যাটলান্টিকের বাল্টিমোর, ওয়াশিংটন ডি.সি ও ভার্জিনিয়ার রিচমন্ডে আজ সোমবার সকালে গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ বাধা সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
এদিকে নিউইয়র্কের উপকূলীয় অঞ্চলে তিন ফুট বা তার বেশি তুষারপাত হয়েছে। সেন্ট লুইসে ভারী তুষারপাত এবং বরফের কারণে রাস্তা বিপদজনক হয়ে উঠেছে। রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় ৯০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। কানসাস সিটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বরফ জমে যাওয়ায় সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল।
ভার্জিনিয়া এবং কেনটাকি রাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। বরফ ও তুষারের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেনটাকির গভর্নর শীতের জন্য উষ্ণকেন্দ্র খুলেছেন কর্তৃপক্ষ। অনিবার্য না হলে ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মধ্য সপ্তাহে ঝড় শেষে তীব্র শীতের বাতাস এবং তাপমাত্রার পতন হবে।
পূর্বাভাস অনুসারে, মধ্য-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্ব পর্যন্ত বাতাসের শীতলতা শূন্য ডিগ্রির নিচে নেমে আসবে এবং ফ্লোরিডা পর্যন্ত হিমশীতল তাপমাত্রা দেখা যাবে। এ ঝড়ের ফলে শীতকালীন চরম আবহাওয়া জনজীবনে ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে। সতর্কতা অনুসরণ এবং জরুরি প্রস্তুতি নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরে তীব্র শীতের প্রবাহ ও তুষার ঝড়ের ফলে সাতটি রাজ্যে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। মধ্যপশ্চিমে তুষারঝড়ের প্রভাবের ফলে কোটি মানুষকে সতর্কতার আওতায় আনা হয়েছে। নতুন শীতকালীন এ ঝড় ধীরে ধীরে পূর্ব উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে।
তীব্র শীতের তাপমাত্রা দেশের উত্তর অংশে প্রভাব বিস্তার করছে। স্থানীয় সময় রোববার (৫ জানুয়ারি) সকালে কানসাস, মিসৌরি, কেনটোকি, ভার্জিনিয়া, পশ্চিম ভার্জিনিয়া ও আরাকানস রাজ্যে তুষারঝড়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এসব রাজ্যের প্রায় ১০ কোটি মানুষ তুষারঝড়ের কবলে পড়ছেন। এছাড়াও ড্যাকোটা থেকে ডেলাওয়্যার শীতকালীন আবহাওয়ার সতর্কবার্তার আওতায় রয়েছে। ঝড়টি সোমবার পর্যন্ত চলমান থাকবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে।
কানসাস সিটি (কানসাস), ভার্জিনিয়া ও মিসৌরিতে তুষারপাত ও বরফের কারণে রাস্তা বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। মিড-অ্যাটলান্টিকের বাল্টিমোর, ওয়াশিংটন ডি.সি ও ভার্জিনিয়ার রিচমন্ডে আজ সোমবার সকালে গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ বাধা সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
এদিকে নিউইয়র্কের উপকূলীয় অঞ্চলে তিন ফুট বা তার বেশি তুষারপাত হয়েছে। সেন্ট লুইসে ভারী তুষারপাত এবং বরফের কারণে রাস্তা বিপদজনক হয়ে উঠেছে। রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় ৯০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। কানসাস সিটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বরফ জমে যাওয়ায় সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল।
ভার্জিনিয়া এবং কেনটাকি রাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। বরফ ও তুষারের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেনটাকির গভর্নর শীতের জন্য উষ্ণকেন্দ্র খুলেছেন কর্তৃপক্ষ। অনিবার্য না হলে ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মধ্য সপ্তাহে ঝড় শেষে তীব্র শীতের বাতাস এবং তাপমাত্রার পতন হবে।
পূর্বাভাস অনুসারে, মধ্য-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্ব পর্যন্ত বাতাসের শীতলতা শূন্য ডিগ্রির নিচে নেমে আসবে এবং ফ্লোরিডা পর্যন্ত হিমশীতল তাপমাত্রা দেখা যাবে। এ ঝড়ের ফলে শীতকালীন চরম আবহাওয়া জনজীবনে ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে। সতর্কতা অনুসরণ এবং জরুরি প্রস্তুতি নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সমুদ্রতলে সম্ভাব্য মাইন এড়িয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালিতে নতুন ও বিকল্প নৌরুট ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌ শাখা। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইসরাইল সম্পূর্ণভাবে আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ বন্ধ করে দেয় এবং শুধু মসজিদের কর্মী এবং জেরুজালেম ইসলামিক ওয়াকফ-এর কর্মকর্তাদের নামাজ পড়ার অনুমতি দেয়। আর ফিলিস্তিনিদের শহরের ছোট ছোট মসজিদে নামাজ পড়তে বাধ্য করা হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
ন্যাটোর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প বলেন, ‘যখন আমাদের তাদের প্রয়োজন ছিল, তখন ন্যাটো পাশে ছিল না। আর ভবিষ্যতেও দরকার হলে তারা থাকবে না। গ্রিনল্যান্ডের কথা মনে রাখো—ওই বড়, খারাপভাবে পরিচালিত বরফের টুকরো।
১২ ঘণ্টা আগে