
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আমেরিকার এফ-১৫ যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। ইরানকে সতর্ক করে এই অঞ্চলে অতিরিক্ত শক্তি মোতায়েনের ওয়াশিংটনের ঘোষণার পর এসব যুদ্ধবিমান সেখানে পাঠানো হলো।
বৃহস্পতিবার মার্কিন সামরিক বাহিনীর উদ্ধৃতি দিয়ে ওয়াশিংটন থেকে এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে নিয়োজিত সামরিক কমান্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা বার্তায় বলেছেন, ‘ইউএস এয়ার ফোর্স এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগলস যুদ্ধবিমান ইংল্যান্ডের আরএএফ লেকেনহেথের ৪৯২তম ফাইটার স্কোয়াড্রন থেকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দায়িত্বে থাকা এলাকায় পৌঁছেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ১ নভেম্বর মধ্যপ্রাচ্যে বোমারু বিমান, যুদ্ধবিমান, ট্যাঙ্কার বিমান এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিল।
এসব বিমান পাঠানোর বিষয়ে পেন্টাগনের মুখপাত্র মেজর জেনারেল প্যাট রাইডার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ইরান ও তাদের অংশীদার দেশ বা তাদের পন্থীরা যদি এই অঞ্চলে মার্কিন নাগরিক বা স্বার্থকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের জনগণকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
ইসরায়েল গত ২৬ অক্টোবর ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এ প্রেক্ষিতে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ নেয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
ইরান ২০২৪ সালে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দু’টি বড় হামলা চালায়। এসবের একটি এপ্রিলে এবং অপরটি অক্টোবরে চালানো হয়।
সূত্র : এএফপি ও এনডিটিভি

আমেরিকার এফ-১৫ যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। ইরানকে সতর্ক করে এই অঞ্চলে অতিরিক্ত শক্তি মোতায়েনের ওয়াশিংটনের ঘোষণার পর এসব যুদ্ধবিমান সেখানে পাঠানো হলো।
বৃহস্পতিবার মার্কিন সামরিক বাহিনীর উদ্ধৃতি দিয়ে ওয়াশিংটন থেকে এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে নিয়োজিত সামরিক কমান্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা বার্তায় বলেছেন, ‘ইউএস এয়ার ফোর্স এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগলস যুদ্ধবিমান ইংল্যান্ডের আরএএফ লেকেনহেথের ৪৯২তম ফাইটার স্কোয়াড্রন থেকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দায়িত্বে থাকা এলাকায় পৌঁছেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ১ নভেম্বর মধ্যপ্রাচ্যে বোমারু বিমান, যুদ্ধবিমান, ট্যাঙ্কার বিমান এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিল।
এসব বিমান পাঠানোর বিষয়ে পেন্টাগনের মুখপাত্র মেজর জেনারেল প্যাট রাইডার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ইরান ও তাদের অংশীদার দেশ বা তাদের পন্থীরা যদি এই অঞ্চলে মার্কিন নাগরিক বা স্বার্থকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের জনগণকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
ইসরায়েল গত ২৬ অক্টোবর ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এ প্রেক্ষিতে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ নেয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
ইরান ২০২৪ সালে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দু’টি বড় হামলা চালায়। এসবের একটি এপ্রিলে এবং অপরটি অক্টোবরে চালানো হয়।
সূত্র : এএফপি ও এনডিটিভি

২০২৪ সালের নভেম্বরের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকেই আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা চলছিল, যেখানে এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের দূতরা উভয় পক্ষের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা পরিচালনা করেছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
ক্রেমলিনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনও একই পদক্ষেপ নেবে বলে তারা আশা করছে। এতে আরো বলা হয়, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোউসভ সেনাবাহিনী প্রধান ভ্যালেরি গেরাসিমভকে ওই সময় সামরিক অভিযান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে যেকোনো ধরনের লঙ্ঘনের জবাব দিতে রুশ বাহিনী প্রস্তুত থাকবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
ছয় সপ্তাহের সংঘাতে ইরানের নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বড় অংশের লক্ষ্যই ছিল উপসাগরীয় দেশগুলো। এসব হামলার বেশির ভাগই প্রতিহত করা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে । তবে এরপরও তারা বুঝতে পারছে, এককভাবে প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট নয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর নজরদারি ড্রোন ‘এমকিউ-৪সি ট্রাইটন’ হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই ড্রোনটি উড়ন্ত অবস্থায় জরুরি সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল। এটি বিধ্বস্ত হয়েছে নাকি ভূপাতিত করা হয়েছে— এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
১৬ ঘণ্টা আগে