
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান যুদ্ধ ও যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি নিয়ে সমালোচনা করায় খ্রিষ্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা পোপ লিওকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পোপকে ‘অপরাধীদের প্রতি দুর্বল’ অভিহিত করে ট্রাম্প বলেছেন, ‘পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে তার জানাবোঝা ভয়াবহ’।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, রোববার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে পোপ লিওকে এমন কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমি তার বড় ভক্ত নই।’
পোপ লিও শুরু থেকেই ইরান যুদ্ধের কড়া সমালোচনা করে আসছেন। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার আগে আগে ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ইরান চুক্তিতে না এলে ‘একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে’।
ট্রাম্পের এ হুমকিকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে তীব্র সমালোচনা করেন পোপ। তিনি সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানান।
এ ছাড়া ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতি নিয়েও সমালোচনা করেন পোপ লিও। তার এ নীতি ক্যাথলিক চার্চের ‘প্রো-লাইফ’ অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছেন, পোপ লিও ‘পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যুতে দুর্বল’। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার কৌশল হিসেবে লিওকে পোপ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। বলেন, ‘আমি হোয়াইট হাউজে না থাকলে লিও ভ্যাটিকানে থাকতেন না।’
ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে ক্যাথলিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ইতালীয় ধর্মবিশেষজ্ঞ মাসিমো ফ্যাগিওলি রয়টার্সকে বলেন, ‘হিটলার বা মুসোলিনিও পোপকে এত সরাসরি ও প্রকাশ্যে আক্রমণ করেননি।’
ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতি ও কর্মকাণ্ড নিয়ে পোপ লিওর সমালোচনা নতুন নয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ভাষণে বিশ্ব জুড়ে সংঘাত বন্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়ে আসছেন তিনি। সবশেষ তার ইস্টার বার্তাতেও পোপ উষ্মা প্রকাশ করেন তিনি।
পোপ বলেন, বিশ্ব যেন সহিংসতায় অভ্যস্ত হয়ে উঠছে এবং হাজারও প্রাণহানির প্রতি উদাসীন হয়ে পড়ছে। যাদের হাতে অস্ত্র আছে, তারা তা নামিয়ে রাখুক। যাদের হাতে যুদ্ধ শুরুর ক্ষমতা আছে, তারা শান্তির পথ বেছে নিক।

ইরান যুদ্ধ ও যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি নিয়ে সমালোচনা করায় খ্রিষ্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা পোপ লিওকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পোপকে ‘অপরাধীদের প্রতি দুর্বল’ অভিহিত করে ট্রাম্প বলেছেন, ‘পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে তার জানাবোঝা ভয়াবহ’।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, রোববার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে পোপ লিওকে এমন কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমি তার বড় ভক্ত নই।’
পোপ লিও শুরু থেকেই ইরান যুদ্ধের কড়া সমালোচনা করে আসছেন। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার আগে আগে ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ইরান চুক্তিতে না এলে ‘একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে’।
ট্রাম্পের এ হুমকিকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে তীব্র সমালোচনা করেন পোপ। তিনি সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানান।
এ ছাড়া ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতি নিয়েও সমালোচনা করেন পোপ লিও। তার এ নীতি ক্যাথলিক চার্চের ‘প্রো-লাইফ’ অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছেন, পোপ লিও ‘পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যুতে দুর্বল’। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার কৌশল হিসেবে লিওকে পোপ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। বলেন, ‘আমি হোয়াইট হাউজে না থাকলে লিও ভ্যাটিকানে থাকতেন না।’
ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে ক্যাথলিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ইতালীয় ধর্মবিশেষজ্ঞ মাসিমো ফ্যাগিওলি রয়টার্সকে বলেন, ‘হিটলার বা মুসোলিনিও পোপকে এত সরাসরি ও প্রকাশ্যে আক্রমণ করেননি।’
ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতি ও কর্মকাণ্ড নিয়ে পোপ লিওর সমালোচনা নতুন নয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ভাষণে বিশ্ব জুড়ে সংঘাত বন্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়ে আসছেন তিনি। সবশেষ তার ইস্টার বার্তাতেও পোপ উষ্মা প্রকাশ করেন তিনি।
পোপ বলেন, বিশ্ব যেন সহিংসতায় অভ্যস্ত হয়ে উঠছে এবং হাজারও প্রাণহানির প্রতি উদাসীন হয়ে পড়ছে। যাদের হাতে অস্ত্র আছে, তারা তা নামিয়ে রাখুক। যাদের হাতে যুদ্ধ শুরুর ক্ষমতা আছে, তারা শান্তির পথ বেছে নিক।

বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, ৯৮ শতাংশ ভোট গণনা শেষে তিসজা পার্টি ১৩৮টি আসনে জয় পেয়েছে। অরবানের ক্ষমতাসীন দল ফিদেজ পেয়েছে ৫৫টি আসন, আর কট্টর ডানপন্থি আওয়ার হোমল্যান্ড পার্টি পেয়েছে ৬টি আসন। মোট ১৯৯ আসনের পার্লামেন্টে এটি বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়েছে, এরপর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। এর মধ্যেই আইডিএফ প্রধান এয়াল জামির সেনাবাহিনীকে ‘উচ্চ সতর্ক অবস্থায়’ যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ইরানের সঙ্গে সংঘাত পুনরায় শুরুর প্রস্তুতিও নিতে বলেছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল সম্ভাব্য ইরানি আকস্মিক হামলার আশঙ্কা
৬ ঘণ্টা আগে
প্রভাবশালী মার্কিন গণমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা এমন আভাস দিয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি এখন এমন একপর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে সামান্য ভুল পদক্ষেপও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। ট্রাম্পের অবরোধ ও ইরানের পালটা বাড়তি নজরদারির ঘোষণা স্পষ্টতই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছ
৯ ঘণ্টা আগে