
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে একজন নারীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীতে বড় ধরনের রদবদলের অংশ হিসেবে লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কোয়েলকে সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আগামী জুলাই মাসে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইমন স্টুয়ার্টের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
বর্তমানে সুসান কোয়েল জয়েন্ট ক্যাপাবিলিটিজ প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ এক বিবৃতিতে বলেন, “আগামী জুলাই থেকে অস্ট্রেলিয়ার সেনাবাহিনী প্রথমবারের মতো একজন নারী প্রধান পেতে যাচ্ছে, যা দেশের ১২৫ বছরের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।”
প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস এই নিয়োগকে ‘অত্যন্ত ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, সুসান কোয়েলের এই অর্জন বর্তমান নারী সদস্যদের পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা বাহিনীতে যোগ দিতে ইচ্ছুক নারীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কোয়েলকে এমন সময় সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো, যখন অস্ট্রেলিয়া সামরিক বাহিনীতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে বাহিনীর ভেতরে যৌন হয়রানি ও বৈষম্য নিয়ে একাধিক অভিযোগও সামনে এসেছে।
গত অক্টোবর মাসে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিরুদ্ধে একটি মামলায় হাজারো নারী সদস্যকে যৌন হয়রানি ও বৈষম্য থেকে রক্ষা করতে ব্যর্থতার অভিযোগ আনা হয়।
বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীতে নারীর অংশগ্রহণ প্রায় ২১ শতাংশ এবং শীর্ষ নেতৃত্বে এই হার ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে এ হার ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে।
এ ছাড়া আজ সোমবার পৃথক এক সিদ্ধান্তে নৌবাহিনীর প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল মার্ক হ্যামন্ডকে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি অ্যাডমিরাল ডেভিড জনস্টনের স্থলাভিষিক্ত হবেন। পাশাপাশি নৌবাহিনীর ডেপুটি প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল ম্যাথিউ বাকলি নতুন নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে একজন নারীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীতে বড় ধরনের রদবদলের অংশ হিসেবে লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কোয়েলকে সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আগামী জুলাই মাসে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইমন স্টুয়ার্টের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
বর্তমানে সুসান কোয়েল জয়েন্ট ক্যাপাবিলিটিজ প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ এক বিবৃতিতে বলেন, “আগামী জুলাই থেকে অস্ট্রেলিয়ার সেনাবাহিনী প্রথমবারের মতো একজন নারী প্রধান পেতে যাচ্ছে, যা দেশের ১২৫ বছরের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।”
প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস এই নিয়োগকে ‘অত্যন্ত ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, সুসান কোয়েলের এই অর্জন বর্তমান নারী সদস্যদের পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা বাহিনীতে যোগ দিতে ইচ্ছুক নারীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কোয়েলকে এমন সময় সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো, যখন অস্ট্রেলিয়া সামরিক বাহিনীতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে বাহিনীর ভেতরে যৌন হয়রানি ও বৈষম্য নিয়ে একাধিক অভিযোগও সামনে এসেছে।
গত অক্টোবর মাসে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিরুদ্ধে একটি মামলায় হাজারো নারী সদস্যকে যৌন হয়রানি ও বৈষম্য থেকে রক্ষা করতে ব্যর্থতার অভিযোগ আনা হয়।
বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীতে নারীর অংশগ্রহণ প্রায় ২১ শতাংশ এবং শীর্ষ নেতৃত্বে এই হার ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে এ হার ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে।
এ ছাড়া আজ সোমবার পৃথক এক সিদ্ধান্তে নৌবাহিনীর প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল মার্ক হ্যামন্ডকে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি অ্যাডমিরাল ডেভিড জনস্টনের স্থলাভিষিক্ত হবেন। পাশাপাশি নৌবাহিনীর ডেপুটি প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল ম্যাথিউ বাকলি নতুন নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।

টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়েছে, এরপর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। এর মধ্যেই আইডিএফ প্রধান এয়াল জামির সেনাবাহিনীকে ‘উচ্চ সতর্ক অবস্থায়’ যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ইরানের সঙ্গে সংঘাত পুনরায় শুরুর প্রস্তুতিও নিতে বলেছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল সম্ভাব্য ইরানি আকস্মিক হামলার আশঙ্কা
৫ ঘণ্টা আগে
প্রভাবশালী মার্কিন গণমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা এমন আভাস দিয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি এখন এমন একপর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে সামান্য ভুল পদক্ষেপও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। ট্রাম্পের অবরোধ ও ইরানের পালটা বাড়তি নজরদারির ঘোষণা স্পষ্টতই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছ
৮ ঘণ্টা আগে
মার্ক কার্নি বলেন, ‘আমাদের সামরিক খাতে প্রতি ডলারের মধ্যে ৭০ সেন্টই যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর দিন শেষ।’ তার এমন বক্তব্যের সময় উপস্থিত প্রতিনিধিরা দাঁড়িয়ে ও করতালি দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
১৬ ঘণ্টা আগে