
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি না দিলে, ইরানের অবকাঠামো ধ্বংস করা হবে— মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন হুমকির পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে এশিয়ার বাজারে অপরিশোধিত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.৬% বেড়ে ১১০.৮৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে, আর যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন হওয়া তেলের দাম ০.৮% বেড়ে ১১২.৪০ ডলারে পৌঁছেছে।
এর আগে রোববার নিজের মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘মঙ্গলবার হবে বিদ্যুৎকেন্দ্র দিবস এবং সেতু দিবস— সব একসাথে, ইরানে। এর মতো কিছু আর হবে না!!! ওই অভিশপ্ত প্রণালি খুলে দাও পাগল বেজন্মার দল, নইলে নরকে বাস করতে হবে— দেখে নিও! আল্লাহ মহান।’
কয়েক ঘণ্টা পরে একই প্লাটফর্মে তিনি লেখেন, ‘মঙ্গলবার, রাত ৮টা (ইস্টার্ন টাইম)!’
ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল আলি আব্দুল্লাহি আলিয়াবাদি ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমাকে প্রত্যাখ্যান করে একে ‘অসহায়, অস্থির, ভারসাম্যহীন, ফালতু কথাবার্তা’ বলে উড়িয়ে দেন। তার ভাষায়, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নেতার জন্য নরকের দরজা খুলে যাবে।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার শুরুর দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই প্রতিশোধ হিসেবে তেহরান হুমকি দিচ্ছে— কোনো জাহাজ যদি হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে চায়, তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হবে। ফলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল ও গ্যাস পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
এই সরু জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি পরিবহন করা হয়। সেখানে বিঘ্ন ঘটায় বিশ্ব জুড়ে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প গত সপ্তাহে ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি বাড়ানোর পর তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যায়। তিনি সতর্ক করেছিলেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা ইরানকে ‘প্রস্তর যুগে’ ফিরিয়ে নেবে।
এদিকে রোববারও উপসাগরীয় অঞ্চলে বিভিন্ন দেশের তেল স্থাপনায় ইরানের হামলা অব্যাহত ছিল। এ দিন কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় একাধিক হামলার কথা স্বীকার করে ইরান।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সোমবার সতর্ক করে বলেছে, তাদের দেশের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থের বিরুদ্ধে হামলা আরও বাড়ানো হবে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি না দিলে, ইরানের অবকাঠামো ধ্বংস করা হবে— মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন হুমকির পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে এশিয়ার বাজারে অপরিশোধিত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.৬% বেড়ে ১১০.৮৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে, আর যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন হওয়া তেলের দাম ০.৮% বেড়ে ১১২.৪০ ডলারে পৌঁছেছে।
এর আগে রোববার নিজের মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘মঙ্গলবার হবে বিদ্যুৎকেন্দ্র দিবস এবং সেতু দিবস— সব একসাথে, ইরানে। এর মতো কিছু আর হবে না!!! ওই অভিশপ্ত প্রণালি খুলে দাও পাগল বেজন্মার দল, নইলে নরকে বাস করতে হবে— দেখে নিও! আল্লাহ মহান।’
কয়েক ঘণ্টা পরে একই প্লাটফর্মে তিনি লেখেন, ‘মঙ্গলবার, রাত ৮টা (ইস্টার্ন টাইম)!’
ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল আলি আব্দুল্লাহি আলিয়াবাদি ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমাকে প্রত্যাখ্যান করে একে ‘অসহায়, অস্থির, ভারসাম্যহীন, ফালতু কথাবার্তা’ বলে উড়িয়ে দেন। তার ভাষায়, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নেতার জন্য নরকের দরজা খুলে যাবে।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার শুরুর দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই প্রতিশোধ হিসেবে তেহরান হুমকি দিচ্ছে— কোনো জাহাজ যদি হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে চায়, তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হবে। ফলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল ও গ্যাস পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
এই সরু জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি পরিবহন করা হয়। সেখানে বিঘ্ন ঘটায় বিশ্ব জুড়ে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প গত সপ্তাহে ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি বাড়ানোর পর তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যায়। তিনি সতর্ক করেছিলেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা ইরানকে ‘প্রস্তর যুগে’ ফিরিয়ে নেবে।
এদিকে রোববারও উপসাগরীয় অঞ্চলে বিভিন্ন দেশের তেল স্থাপনায় ইরানের হামলা অব্যাহত ছিল। এ দিন কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় একাধিক হামলার কথা স্বীকার করে ইরান।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সোমবার সতর্ক করে বলেছে, তাদের দেশের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থের বিরুদ্ধে হামলা আরও বাড়ানো হবে।

ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নিখোঁজ মার্কিন পাইলটকে উদ্ধারে যৌথ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এ হামলায় অন্তত পাঁচ ইরানি নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
১৯ ঘণ্টা আগে
‘হরমুজ প্রণালি’ এককভাবে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট। এই প্রণালি খুলে দিতে একের পর এক আলটিমেটাম ও হুমকি দিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তাতে কাজ হয়নি। উলটো সবশেষ এক মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য বলছে, ইরানের পক্ষ থেকে সহজে বা দ্রুত এই প্রণালি খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।
১ দিন আগে
উদ্ধার অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ‘বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে সজ্জিত ডজনখানেক বিমান’ পাঠায়। অভিযানের সময় ওই কর্মকর্তা কিছুটা আহত হলেও তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।
১ দিন আগে
আলজাজিরা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সূত্রটি জানিয়েছে, গতকাল রাতে নিখোঁজ বিমানের ক্রুকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এরপর তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু হয়। কিন্তু তখন ব্যাপক বাধার মুখেও পড়তে হয় তাদের।
১ দিন আগে