
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সন্ত্রাসী সংগঠন আল কায়েদা বাংলাদেশে সক্রিয় সেল গঠনের মাধ্যমে তাদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের চেষ্টা করছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির নিরাপত্তা পরিষদের অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিমের গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আল কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (একিউআইএস) একটি বিভক্ত গোষ্ঠী থেকে ধীরে ধীরে আঞ্চলিক সন্ত্রাসী সংগঠনে পরিণত হচ্ছে। বড় ইউনিটের বদলে ছোট ও বিচ্ছিন্ন সেলে কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি তারা লজিস্টিক ও অর্থায়নের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে।
বাংলাদেশে নিজেদের সেল প্রতিষ্ঠার জন্য একিউআইএস দেশটিকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে বলেও প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর দিল্লির লাল কেল্লার সামনে বোমা বিস্ফোরণের পেছনেও একিউআইএসের সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিরাপত্তা পরিষদের পুরো প্রতিবেদনটি দেখুন এখানে—
আল কায়েদা ও ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ত (আইএসআইএল) নিয়ে কাজ করা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মনিটরিং দলটি বলেছে, দুই সংগঠনই দীর্ঘদিন ধরে রাসায়নিক ও জৈব অস্ত্র তৈরিতে আগ্রহ দেখিয়ে আসছে। তবে এখন পর্যন্ত তারা এ ধরনের অস্ত্র তৈরির কারিগরি চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করতে পারেনি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের শেষ দিকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ এক চিকিৎসকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তারা আইএসআইএলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সংগঠনটির জন্য ‘রাইসিন’ নামের বিষাক্ত রাসায়নিক তৈরির দায়িত্ব পেয়েছিলেন।
এ ছাড়া সিরিয়ায় সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের রেখে যাওয়া বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ দখলের চেষ্টা করেছিল আইএসআইএল। এ কাজে সহায়তার জন্য সংগঠনটি একজন রাসায়নিক প্রকৌশলীকে অপহরণও করেছিল বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।
দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের পর ২০২৪ সালে বিদ্রোহীদের কাছে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে সিরিয়া ছাড়েন বাশার আল-আসাদ। গৃহযুদ্ধের সময় দেশটির বিশাল এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল আইএসআইএল।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আইএসআইএলের কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, এ অঞ্চলে সংগঠনটির এবং এর সঙ্গে যুক্ত আঞ্চলিক নেটওয়ার্কগুলোর সক্ষমতা কমেছে। তবে বিচ্ছিন্ন সেল, উগ্রবাদে আগ্রহী ব্যক্তি, অনলাইন নিয়োগ ও বিভিন্ন অনুপ্রাণিত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তারা এখনো ঝুঁকি তৈরি করছে।
গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচে ইহুদিদের হানুক্কা উৎসবে বন্দুক হামলায় ১৬ জন নিহত হন। তদন্তে দেখা যায়, হামলার সন্দেহভাজনরা আইএসআইএলের মতাদর্শে অনুপ্রাণিত ছিল এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত অঞ্চলে ভ্রমণ করেছিল।

সন্ত্রাসী সংগঠন আল কায়েদা বাংলাদেশে সক্রিয় সেল গঠনের মাধ্যমে তাদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের চেষ্টা করছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির নিরাপত্তা পরিষদের অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিমের গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আল কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (একিউআইএস) একটি বিভক্ত গোষ্ঠী থেকে ধীরে ধীরে আঞ্চলিক সন্ত্রাসী সংগঠনে পরিণত হচ্ছে। বড় ইউনিটের বদলে ছোট ও বিচ্ছিন্ন সেলে কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি তারা লজিস্টিক ও অর্থায়নের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে।
বাংলাদেশে নিজেদের সেল প্রতিষ্ঠার জন্য একিউআইএস দেশটিকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে বলেও প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর দিল্লির লাল কেল্লার সামনে বোমা বিস্ফোরণের পেছনেও একিউআইএসের সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিরাপত্তা পরিষদের পুরো প্রতিবেদনটি দেখুন এখানে—
আল কায়েদা ও ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ত (আইএসআইএল) নিয়ে কাজ করা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মনিটরিং দলটি বলেছে, দুই সংগঠনই দীর্ঘদিন ধরে রাসায়নিক ও জৈব অস্ত্র তৈরিতে আগ্রহ দেখিয়ে আসছে। তবে এখন পর্যন্ত তারা এ ধরনের অস্ত্র তৈরির কারিগরি চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করতে পারেনি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের শেষ দিকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ এক চিকিৎসকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তারা আইএসআইএলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সংগঠনটির জন্য ‘রাইসিন’ নামের বিষাক্ত রাসায়নিক তৈরির দায়িত্ব পেয়েছিলেন।
এ ছাড়া সিরিয়ায় সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের রেখে যাওয়া বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ দখলের চেষ্টা করেছিল আইএসআইএল। এ কাজে সহায়তার জন্য সংগঠনটি একজন রাসায়নিক প্রকৌশলীকে অপহরণও করেছিল বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।
দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের পর ২০২৪ সালে বিদ্রোহীদের কাছে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে সিরিয়া ছাড়েন বাশার আল-আসাদ। গৃহযুদ্ধের সময় দেশটির বিশাল এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল আইএসআইএল।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আইএসআইএলের কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, এ অঞ্চলে সংগঠনটির এবং এর সঙ্গে যুক্ত আঞ্চলিক নেটওয়ার্কগুলোর সক্ষমতা কমেছে। তবে বিচ্ছিন্ন সেল, উগ্রবাদে আগ্রহী ব্যক্তি, অনলাইন নিয়োগ ও বিভিন্ন অনুপ্রাণিত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তারা এখনো ঝুঁকি তৈরি করছে।
গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচে ইহুদিদের হানুক্কা উৎসবে বন্দুক হামলায় ১৬ জন নিহত হন। তদন্তে দেখা যায়, হামলার সন্দেহভাজনরা আইএসআইএলের মতাদর্শে অনুপ্রাণিত ছিল এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত অঞ্চলে ভ্রমণ করেছিল।

এদিকে ইরানের সামরিক কমান্ডও তেহরানের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজকে হরমুজ দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে। ফলে চলমান যুদ্ধ ও ভেঙে পড়া অন্তর্বর্তী চুক্তির মধ্যে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের পালটাপালটি দাবিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সপ্তাহের শুরুতে কুসরায় এই অবরোধ শুরু হয়। ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা গ্রামের তিনটি বাড়িতে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেয় এবং বাড়িগুলোর সামনের উঠানে একটি তাঁবু স্থাপন করে। এরপর তারা কাউকে বাড়িগুলোতে ঢুকতে বা বের হতে দেয়নি। এর আগে বাড়িগুলোর বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগও
১৬ ঘণ্টা আগে
১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সী ভোটারদের মধ্যে সরকারের প্রতি অনাগ্রহ তৈরি হয়েছে। ২০২৭ সালের জাতীয় নির্বাচনে এই ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন। আগামী নির্বাচন মেলোনির ডানপন্থি জোট ও মধ্য-বামপন্থি বিরোধী জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের দিকে এগোচ্ছে।
২১ ঘণ্টা আগে
দুর্ঘটনার পরপরই ফোর্ট হুডের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং স্থানীয় জরুরি সেবা সংস্থার কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ শুরু করেন। তবে দুর্ঘটনার সময়ে হেলিকপ্টারটি ঠিক কী ধরনের কার্যক্রমে নিয়োজিত ছিল, সে বিষয়ে সামরিক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
১ দিন আগে