
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই লোহিত সাগরে শক্তিশালী নৌ মহড়া চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এই মহড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে।
১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই মহড়ায় মার্কিন গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারের সঙ্গে অংশ নেয় ইসরায়েলি নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ, যার মূল লক্ষ্য ছিল সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও দুই দেশের সামরিক সমন্বয় বৃদ্ধি করা।
সেন্টকম জানায়, ১ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত এ মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের আরলি বার্ক শ্রেণির গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস ডেলবার্ট ডি. ব্ল্যাক ইসরায়েলি নৌবাহিনীর জাহাজ আইএনএস ইলাতের সঙ্গে অংশ নেয়। দুই দেশের নৌবাহিনী একসঙ্গে সামুদ্রিক কৌশল ও সমন্বয় অনুশীলন করে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিখাই আদ্রাই বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ফিফথ ফ্লিটের সঙ্গে চলমান সহযোগিতার অংশ। তিনি জানান, মার্কিন ডেস্ট্রয়ারটির বন্দরে ভেড়া ছিল পূর্বপরিকল্পিত ও নিয়মিত সফর।
এদিকে ওয়াশিংটন অঞ্চলটিতে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে, অন্যদিকে তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগও চালিয়ে যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো হামলাকে তারা সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবে দেখবে।

অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই লোহিত সাগরে শক্তিশালী নৌ মহড়া চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এই মহড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে।
১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই মহড়ায় মার্কিন গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারের সঙ্গে অংশ নেয় ইসরায়েলি নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ, যার মূল লক্ষ্য ছিল সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও দুই দেশের সামরিক সমন্বয় বৃদ্ধি করা।
সেন্টকম জানায়, ১ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত এ মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের আরলি বার্ক শ্রেণির গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস ডেলবার্ট ডি. ব্ল্যাক ইসরায়েলি নৌবাহিনীর জাহাজ আইএনএস ইলাতের সঙ্গে অংশ নেয়। দুই দেশের নৌবাহিনী একসঙ্গে সামুদ্রিক কৌশল ও সমন্বয় অনুশীলন করে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিখাই আদ্রাই বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ফিফথ ফ্লিটের সঙ্গে চলমান সহযোগিতার অংশ। তিনি জানান, মার্কিন ডেস্ট্রয়ারটির বন্দরে ভেড়া ছিল পূর্বপরিকল্পিত ও নিয়মিত সফর।
এদিকে ওয়াশিংটন অঞ্চলটিতে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে, অন্যদিকে তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগও চালিয়ে যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো হামলাকে তারা সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবে দেখবে।

যতক্ষণ পর্যন্ত না ইরান তাদের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বন্ধ না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি হওয়া উচিত নয়।
৯ ঘণ্টা আগে
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মিডলইস্ট মনিটর জানিয়েছে, জাহাজটিতে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। হামলায় কয়েকজন ক্রু আহত হলেও কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
১০ ঘণ্টা আগে
সোমবার এক টেলিভিশন ভাষণে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান-সমর্থিত এই সংগঠন কোনো অবস্থাতেই ইসরায়েলের কাছে "আত্মসমর্পণ করবে না"। ২০২৪ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তি ইসরায়েল লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, হিজবুল্লাহ কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ দিলেও এখন ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়ে গেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য এই যুদ্ধ কেবল একটি সামরিক অভিযান নয়, বরং তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় ‘জুয়া’ও এটি। একদিকে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং মার্কিন সেনাদের মৃত্যু, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে যুদ্ধের বিস্তার— সব মিলিয়ে ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থান এখন খাদের কিনারায়।
১১ ঘণ্টা আগে