
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বন্ডি বিচে ইহুদি ধর্মীয় উৎসব হানুকাহ উদযাপন শুরু উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বন্দুকধারীর হামলায় ১০ বছর বয়সী এক কিশোরীসহ কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। পুলিশ বলছে, হামলাকারী ছিলেন দুজন, যারা সম্পর্কে বাবা-ছেলে। এ ঘটনাকে তারা সন্ত্রাসী ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, রোববার (১৪ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন হামলাকারী ৫০ বছর বয়সী ব্যক্তি, যিনি একটি ‘গান ক্লাবে’র সদস্য। তার অস্ত্র রাখার লাইসেন্স ছিল। তার ২৪ বছর বয়সী ছেলে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নিউ সাউথ ওয়েলসের পুলিশ কমিশনার ম্যাল ল্যানিয়ন এসব তথ্য জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। হামলায় জড়িত দুজনের নাম তিনি সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেননি। তারা অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক কি না, সে বিষয়টিও স্পষ্ট করেননি।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ হামলাকে সম্পূর্ণ নৃশংস ঘটনা উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। বলেছেন, এ হামলায় ইহুদি সম্প্রদায়কে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি অংয়ের সঙ্গে কথা বলে এ হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইহুদি বিদ্বেষের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস হতে পারে না। একে অবশ্যই মোকাবিলা ও পরাজিত করতে হবে।
এদিকে হামলায় নিহতদের স্মরণে বন্ডি প্যাভিলিয়নে তাৎক্ষণিকভাবে একটি স্মৃতিসৌধ তৈরি করা হয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রিমিয়ার ক্রিস মিনস বলেন, আমি দেখেছি, লোকজন সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করছে। আমরা কমিউনিটির সদস্যদের এটি করতে উৎসাহিত করছি।
সাংবাদিকরা ক্রিস মিনসকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি এ সংক্রান্ত আইনে পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেন। বলেন, সমাজে ব্যবহারিক প্রয়োজন নেই— এমন ভীতিকর অস্ত্রগুলো পাওয়া আরও কঠিন করে তোলার জন্য সংসদে বিল আনতে হবে।
নিউ সাউথ ওয়েলসের সিডনির বন্ডি বিচ অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে সুন্দর সৈকতগুলোর একটি। সেখানে রোববার অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় সেখানে সহস্রাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বন্ডি বিচে ইহুদি ধর্মীয় উৎসব হানুকাহ উদযাপন শুরু উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বন্দুকধারীর হামলায় ১০ বছর বয়সী এক কিশোরীসহ কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। পুলিশ বলছে, হামলাকারী ছিলেন দুজন, যারা সম্পর্কে বাবা-ছেলে। এ ঘটনাকে তারা সন্ত্রাসী ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, রোববার (১৪ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন হামলাকারী ৫০ বছর বয়সী ব্যক্তি, যিনি একটি ‘গান ক্লাবে’র সদস্য। তার অস্ত্র রাখার লাইসেন্স ছিল। তার ২৪ বছর বয়সী ছেলে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নিউ সাউথ ওয়েলসের পুলিশ কমিশনার ম্যাল ল্যানিয়ন এসব তথ্য জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। হামলায় জড়িত দুজনের নাম তিনি সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেননি। তারা অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক কি না, সে বিষয়টিও স্পষ্ট করেননি।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ হামলাকে সম্পূর্ণ নৃশংস ঘটনা উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। বলেছেন, এ হামলায় ইহুদি সম্প্রদায়কে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি অংয়ের সঙ্গে কথা বলে এ হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইহুদি বিদ্বেষের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস হতে পারে না। একে অবশ্যই মোকাবিলা ও পরাজিত করতে হবে।
এদিকে হামলায় নিহতদের স্মরণে বন্ডি প্যাভিলিয়নে তাৎক্ষণিকভাবে একটি স্মৃতিসৌধ তৈরি করা হয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রিমিয়ার ক্রিস মিনস বলেন, আমি দেখেছি, লোকজন সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করছে। আমরা কমিউনিটির সদস্যদের এটি করতে উৎসাহিত করছি।
সাংবাদিকরা ক্রিস মিনসকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি এ সংক্রান্ত আইনে পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেন। বলেন, সমাজে ব্যবহারিক প্রয়োজন নেই— এমন ভীতিকর অস্ত্রগুলো পাওয়া আরও কঠিন করে তোলার জন্য সংসদে বিল আনতে হবে।
নিউ সাউথ ওয়েলসের সিডনির বন্ডি বিচ অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে সুন্দর সৈকতগুলোর একটি। সেখানে রোববার অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় সেখানে সহস্রাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ঘরবাড়ি ছাড়া লাখো শিশুর শিক্ষাজীবন ও নিরাপত্তা যখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে, তখন বিশ্বনেতাদের দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে ইউনিসেফ সতর্ক করেছে—এই সহিংসতা অবিলম্বে বন্ধ না হলে নিহতের মিছিল আরও দীর্ঘ হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির সামরিক তদন্তকারীরা ধারণা করছেন এই হামলার পেছনে মার্কিন বাহিনীই দায়ী হতে পারে। তবে পেন্টাগন এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
‘কর্তৃপক্ষ আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং সব বাসিন্দা নিরাপদ রয়েছেন। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।’ তবে ড্রোনটি কোথা থেকে এসেছে, সে বিষয়ে ওই পোস্টে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
৭ ঘণ্টা আগে
বুধবার (১১ মার্চ) ছিল ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের দ্বাদশ দিন। আগের ১১ দিনের মতোই এ দিনই উভয় পক্ষই হামলা-পালটা হামলা অব্যাহত রেখেছে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ১২ দিনে এসেও দুপক্ষের কেউই কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে নারাজ বলেই জানিয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে