
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের একটি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১১০ শিশুসহ ১৬৮ জনের প্রাণহানির ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে মার্কিন রাজনীতি।
এই বর্বরোচিত হামলার পেছনে মার্কিন বাহিনীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দাবি করেছেন ডেমোক্র্যাট সিনেটররা। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো প্রমাণ ছাড়াই এই ঘটনার দায় ইরানের ওপর চাপিয়েছেন, তবে ভিডিও ফুটেজে মার্কিন 'টমাহক' ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন মেলায় ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য।
গত কয়েক দশকের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে বেসামরিক নাগরিক হতাহতের অন্যতম বড় এই ঘটনাটি এখন পেন্টাগনের জন্য এক বিশাল কূটনৈতিক ও নৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির সামরিক তদন্তকারীরা ধারণা করছেন এই হামলার পেছনে মার্কিন বাহিনীই দায়ী হতে পারে। তবে পেন্টাগন এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে।
সিনেটের প্রায় সব ডেমোক্র্যাট সদস্যের স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে মিনাব এলাকায় চালানো ওই হামলা নিয়ে প্রতিরক্ষা সচিবের কাছে বিস্তারিত প্রশ্ন রাখা হয়েছে। চিঠিতে প্রথমেই জানতে চাওয়া হয়েছে আসলে যুক্তরাষ্ট্রই এই হামলা চালিয়েছে কি না।
সিনেটররা প্রশ্ন তুলেছেন, লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে কোনো পুরনো বা ত্রুটিপূর্ণ তথ্য ব্যবহারের কারণে এই বিদ্যালয়টি আক্রান্ত হয়েছে কি না। একইসঙ্গে তারা প্রতিরক্ষা সচিব হেগসেথের পূর্ববর্তী একটি প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। হেগসেথ বলেছিলেন, এই যুদ্ধে কোনো ‘বোকামিপূর্ণ যুদ্ধের নিয়ম’ থাকবে না। ডেমোক্র্যাটরা জানতে চেয়েছেন, যুদ্ধাপরাধ রোধে নির্ধারিত আন্তর্জাতিক নিয়মগুলো তিনি মেনে চলছেন কি না।
যদি এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হয়, তবে এটি হবে গত কয়েক দশকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন অভিযানে বেসামরিক নাগরিক হতাহতের অন্যতম বড় ঘটনা।
এদিকে, কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ইরান নিজেই এই হামলা চালিয়েছে। যদিও ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের পাশের একটি ইরানি সামরিক ঘাঁটিতে মার্কিন ‘টমাহক’ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানছে।
বিবিসি’র এক প্রশ্নের জবাবে গত সপ্তাহে হেগসেথ জানান, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করে না এবং পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সিনেটরদের চিঠির বিষয়ে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইরানের একটি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১১০ শিশুসহ ১৬৮ জনের প্রাণহানির ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে মার্কিন রাজনীতি।
এই বর্বরোচিত হামলার পেছনে মার্কিন বাহিনীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দাবি করেছেন ডেমোক্র্যাট সিনেটররা। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো প্রমাণ ছাড়াই এই ঘটনার দায় ইরানের ওপর চাপিয়েছেন, তবে ভিডিও ফুটেজে মার্কিন 'টমাহক' ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন মেলায় ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য।
গত কয়েক দশকের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে বেসামরিক নাগরিক হতাহতের অন্যতম বড় এই ঘটনাটি এখন পেন্টাগনের জন্য এক বিশাল কূটনৈতিক ও নৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির সামরিক তদন্তকারীরা ধারণা করছেন এই হামলার পেছনে মার্কিন বাহিনীই দায়ী হতে পারে। তবে পেন্টাগন এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে।
সিনেটের প্রায় সব ডেমোক্র্যাট সদস্যের স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে মিনাব এলাকায় চালানো ওই হামলা নিয়ে প্রতিরক্ষা সচিবের কাছে বিস্তারিত প্রশ্ন রাখা হয়েছে। চিঠিতে প্রথমেই জানতে চাওয়া হয়েছে আসলে যুক্তরাষ্ট্রই এই হামলা চালিয়েছে কি না।
সিনেটররা প্রশ্ন তুলেছেন, লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে কোনো পুরনো বা ত্রুটিপূর্ণ তথ্য ব্যবহারের কারণে এই বিদ্যালয়টি আক্রান্ত হয়েছে কি না। একইসঙ্গে তারা প্রতিরক্ষা সচিব হেগসেথের পূর্ববর্তী একটি প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। হেগসেথ বলেছিলেন, এই যুদ্ধে কোনো ‘বোকামিপূর্ণ যুদ্ধের নিয়ম’ থাকবে না। ডেমোক্র্যাটরা জানতে চেয়েছেন, যুদ্ধাপরাধ রোধে নির্ধারিত আন্তর্জাতিক নিয়মগুলো তিনি মেনে চলছেন কি না।
যদি এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হয়, তবে এটি হবে গত কয়েক দশকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন অভিযানে বেসামরিক নাগরিক হতাহতের অন্যতম বড় ঘটনা।
এদিকে, কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ইরান নিজেই এই হামলা চালিয়েছে। যদিও ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের পাশের একটি ইরানি সামরিক ঘাঁটিতে মার্কিন ‘টমাহক’ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানছে।
বিবিসি’র এক প্রশ্নের জবাবে গত সপ্তাহে হেগসেথ জানান, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করে না এবং পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সিনেটরদের চিঠির বিষয়ে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালিতে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে পরপর তিনটি কার্গো জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে একটি জাহাজে অগ্নিকাণ্ড ঘটায় বেশিরভাগ নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনিকে সমর্থন জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। একই সঙ্গে দেশটির ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘অবৈধ’ হামলার নিন্দা পুনর্ব্যক্ত করেছে পিয়ংইয়ং।
২১ ঘণ্টা আগে
তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধ যখন অবকাঠামোগত যুদ্ধের দিকে বিস্তৃত হচ্ছে, তখন ইরানের `বৈধ লক্ষ্যবস্তু’র পরিধিও বাড়ছে।
২১ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে গঠিত একটি টাস্কফোর্সের মাধ্যমে পররাষ্ট্র দপ্তর ৩০ হাজার নাগরিককে ফিরে আসতে সহায়তা করেছে।
১ দিন আগে