
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন পতাকাবাহী একটি তেল ট্যাংকারকে আটকের চেষ্টা চালিয়েছে ইরানি নৌবাহিনী।
মঙ্গলবার অন্তত ছয়টি সশস্ত্র স্পিডবোট নিয়ে ইরানি সেনারা 'স্টেনা ইম্পেরেটিভ' নামক ট্যাংকারটির গতিরোধ করে এবং ইঞ্জিন বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। তবে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে এবং ক্যাপ্টেনের বুদ্ধিমত্তায় বড় ধরনের সংঘাত বা আটকের হাত থেকে রক্ষা পায় জাহাজটি। বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের কৌশলগত এই পথে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার এই মুখোমুখি অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় নতুন করে স্নায়ুযুদ্ধ ও অস্থিরতা বাড়িয়ে দিয়েছে।
প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশের সময় ইরানি নৌবাহিনীর তিনটি সশস্ত্র স্পিডবোট ‘স্টেনা ইম্পেরেটিভ’ নামে মার্কিন ওই ট্যাংকারটির গতিরোধ করার চেষ্টা করে।
সমুদ্র নিরাপত্তাবিষয়ক সংস্থা ‘ভ্যানগার্ড টেক’ তাদের গ্রাহকদের পাঠানো বার্তায় জানায়, ৫০ ক্যালিবার মেশিনগান সজ্জিত ইরানের অন্তত ছয়টি স্পিডবোট মার্কিন জাহাজটিকে ঘিরে ফেলে। এ সময় ইরানি সেনারা ট্যাংকারটির নাবিকদের ইঞ্জিন বন্ধ করার নির্দেশ দেন ও জাহাজে ওঠার প্রস্তুতি নেন। তবে ট্যাংকারটির ক্যাপ্টেন নির্দেশ অমান্য করে দ্রুত গতি বাড়িয়ে দেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ও ট্যাংকারটিকে নিরাপত্তা দিয়ে সরিয়ে নিয়ে যায়।
এদিকে, যুক্তরাজ্যভিত্তিক মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন্স এজেন্সি (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, তারা ওমানের উপকূল থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার উত্তরে একটি জাহাজ ‘আক্রান্ত’ হওয়ার খবর পেয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, মার্কিন পতাকাবাহী ওই ট্যাংকারটিই সেখানে বাধার মুখে পড়েছিল।
সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালী ও ওমান উপসাগরীয় এলাকায় বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর নজরদারি ও আটকের ঘটনা কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত কৌশলগত একটি সমুদ্রপথ। এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট বাণিজ্যিক তেলের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য পদক্ষেপের প্রতিশোধ হিসেবে ইরান বহু বছর ধরে এই প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন পতাকাবাহী একটি তেল ট্যাংকারকে আটকের চেষ্টা চালিয়েছে ইরানি নৌবাহিনী।
মঙ্গলবার অন্তত ছয়টি সশস্ত্র স্পিডবোট নিয়ে ইরানি সেনারা 'স্টেনা ইম্পেরেটিভ' নামক ট্যাংকারটির গতিরোধ করে এবং ইঞ্জিন বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। তবে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে এবং ক্যাপ্টেনের বুদ্ধিমত্তায় বড় ধরনের সংঘাত বা আটকের হাত থেকে রক্ষা পায় জাহাজটি। বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের কৌশলগত এই পথে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার এই মুখোমুখি অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় নতুন করে স্নায়ুযুদ্ধ ও অস্থিরতা বাড়িয়ে দিয়েছে।
প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশের সময় ইরানি নৌবাহিনীর তিনটি সশস্ত্র স্পিডবোট ‘স্টেনা ইম্পেরেটিভ’ নামে মার্কিন ওই ট্যাংকারটির গতিরোধ করার চেষ্টা করে।
সমুদ্র নিরাপত্তাবিষয়ক সংস্থা ‘ভ্যানগার্ড টেক’ তাদের গ্রাহকদের পাঠানো বার্তায় জানায়, ৫০ ক্যালিবার মেশিনগান সজ্জিত ইরানের অন্তত ছয়টি স্পিডবোট মার্কিন জাহাজটিকে ঘিরে ফেলে। এ সময় ইরানি সেনারা ট্যাংকারটির নাবিকদের ইঞ্জিন বন্ধ করার নির্দেশ দেন ও জাহাজে ওঠার প্রস্তুতি নেন। তবে ট্যাংকারটির ক্যাপ্টেন নির্দেশ অমান্য করে দ্রুত গতি বাড়িয়ে দেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ও ট্যাংকারটিকে নিরাপত্তা দিয়ে সরিয়ে নিয়ে যায়।
এদিকে, যুক্তরাজ্যভিত্তিক মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন্স এজেন্সি (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, তারা ওমানের উপকূল থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার উত্তরে একটি জাহাজ ‘আক্রান্ত’ হওয়ার খবর পেয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, মার্কিন পতাকাবাহী ওই ট্যাংকারটিই সেখানে বাধার মুখে পড়েছিল।
সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালী ও ওমান উপসাগরীয় এলাকায় বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর নজরদারি ও আটকের ঘটনা কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত কৌশলগত একটি সমুদ্রপথ। এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট বাণিজ্যিক তেলের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য পদক্ষেপের প্রতিশোধ হিসেবে ইরান বহু বছর ধরে এই প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে।

হামলার পরপরই পাল্টা জবাব হিসেবে মার্কিন বাহিনী ইরানের খার্গ দ্বীপের কাছে 'এম/টি ডাউনি' এবং জাস্ক উপকূলের কাছে 'এম/টি স্টার্ক ১' নামের দুটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু বানায় এবং সেগুলোকে ‘স্থায়ীভাবে অচল’ করে দেয়। এছাড়া ওমান উপসাগরের কাছে থাকা 'এম/টি কায়লো' (যা 'নোক্সেন' নামেও পরিচিত) নামের আরেকটি খা
৮ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায়, কালো পোশাক ও মুখোশ পরা বিপুলসংখ্যক মানুষ দলবদ্ধভাবে ডোভার বন্দরের দিকে হাঁটছেন। পরে তারা এ২০ সড়কে হাত ধরে মানবপ্রাচীর তৈরি করে যান চলাচল বন্ধ করে দেন।
২০ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে বলা হয়েছিল, সেনারা গাড়ির ভেতরে হামাসের সদস্য থাকার ভুল ধারণা থেকে হামলা চালিয়েছিল। আইডিএফ পরে স্বীকার করে যে ঘটনাটিতে গুরুতর ভুল হয়েছিল এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছিল।
২১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেকের তৃতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদক ইরান। যুদ্ধ শুরুর আগে দেশটির অপরিশোধিত তেলের ৯০ শতাংশই খারগ দ্বীপের মাধ্যমে রপ্তানি করা হতো। তবে এপ্রিলের মাঝামাঝি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানির ওপর অবরোধ আরোপের পর থেকে এই তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে।
২১ ঘণ্টা আগে