
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজারে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগলে। তার মতে, এবারের বন্যায় প্রাণহানি ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।
ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে ওয়াগলে বলেন, বন্যার প্রভাব ভৌগোলিকভাবে সীমিত এলাকায় হলেও প্রাণহানির মাত্রা ২০১৫ সালের ভূমিকম্পের মতোই ভয়াবহ হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এ তথ্য জানিয়েছে।
২০১৫ সালে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে নেপাল, চীন, ভারত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে প্রায় ৯ হাজার মানুষ নিহত এবং ২১ হাজার আহত হয়েছিলেন।
নেপাল পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, রোববার ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্যায় ১ হাজার ৪৫০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৬ হাজার মানুষ।
নেপালের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথোরিটি জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ১ হাজার ২০৬টি মরদেহের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের ১ হাজার ৮৮৯ স্বজনের কাছ থেকেও নমুনা নেওয়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত মাত্র ১০৫টি মরদেহ শনাক্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হয়েছে।
নিখোঁজদের উদ্ধারে থার্মাল ড্রোন ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে বিশেষজ্ঞদেরও নিয়োগ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি সুড়ঙ্গ থেকে বেশ কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজদের সন্ধানে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্গম পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি, সীমিত আকাশসীমা ও বিপুল পরিমাণ ধ্বংসস্তূপ।
এদিকে বিদেশি নাগরিকদের স্বজনেরা অভিযোগ করেছেন, উদ্ধার অভিযান নিয়ে নিয়মিত দেওয়া তথ্য ও হালনাগাদ সাম্প্রতিক সময়ে কমে গেছে।

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজারে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগলে। তার মতে, এবারের বন্যায় প্রাণহানি ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।
ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে ওয়াগলে বলেন, বন্যার প্রভাব ভৌগোলিকভাবে সীমিত এলাকায় হলেও প্রাণহানির মাত্রা ২০১৫ সালের ভূমিকম্পের মতোই ভয়াবহ হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এ তথ্য জানিয়েছে।
২০১৫ সালে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে নেপাল, চীন, ভারত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে প্রায় ৯ হাজার মানুষ নিহত এবং ২১ হাজার আহত হয়েছিলেন।
নেপাল পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, রোববার ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্যায় ১ হাজার ৪৫০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৬ হাজার মানুষ।
নেপালের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথোরিটি জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ১ হাজার ২০৬টি মরদেহের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের ১ হাজার ৮৮৯ স্বজনের কাছ থেকেও নমুনা নেওয়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত মাত্র ১০৫টি মরদেহ শনাক্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হয়েছে।
নিখোঁজদের উদ্ধারে থার্মাল ড্রোন ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে বিশেষজ্ঞদেরও নিয়োগ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি সুড়ঙ্গ থেকে বেশ কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজদের সন্ধানে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্গম পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি, সীমিত আকাশসীমা ও বিপুল পরিমাণ ধ্বংসস্তূপ।
এদিকে বিদেশি নাগরিকদের স্বজনেরা অভিযোগ করেছেন, উদ্ধার অভিযান নিয়ে নিয়মিত দেওয়া তথ্য ও হালনাগাদ সাম্প্রতিক সময়ে কমে গেছে।

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৫৯.৩২ শতাংশ। আর গণনাকৃত মোট ভোটের ৫৮ শতাংশেরও বেশি পেয়েছে বিজয়ী ইউনাইটেড রাশিয়া। ২০০১ সাল থেকে টানা ২৫ বছর ধরে স্টেট দুমা শাসন করে আসা দলটি বিগত চার মেয়াদের তুলনায় এবারই সবচেয়ে বড় জয় ও সর্বোচ্চ ভোট পেল।
৬ ঘণ্টা আগে
গত আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত নতুন করে তীব্র রূপ নেয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে সংযুক্তকারী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ 'বাব এল মান্দেব' প্রণালি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় হুথি যোদ্ধারা। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্
৮ ঘণ্টা আগে
সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হুতিরা তাইজ ও লাহিজ প্রদেশের কাহবুব পর্বতমালা দখলের চেষ্টা করছে। ওই এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিতে পারলে রেড সি উপকূলের হুতি-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন দক্ষিণাঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হতে পারে। বর্তমানে আল-ওয়াজিয়াহ ও রাস আল-আরা এল
১৭ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে মার্কিন নাগরিক ও কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ দপ্তর (ওএফএসি) থেকে বিশেষ অনুমতি না নিয়ে আইসিসিকে অর্থ, পণ্য বা সেবা দিতে পারবে না। এর আওতায় আদালটির সঙ্গে কাজ করা তৃতীয় পক্ষের প্রতিষ্ঠানও পড়তে পারে।
১৮ ঘণ্টা আগে