
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর অবশেষে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে ইসরায়েল। শনিবার (১১ অক্টোবর) গাজা সিটির কয়েকটি এলাকাসহ খান ইউনিসের পূর্বাংশ ও দক্ষিণাঞ্চল থেকে ইসরায়েলি বাহিনী সেনা সরিয়ে নিয়েছে। এর ফলে ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২ বছর পর নিজেদের বাসভূমিতে ফিরতে শুরু করেছেন লাখ লাখ ফিলিস্তিনি।
আনাদোলু বার্তা সংস্থার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সারাদিন দক্ষিণ গাজার অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে উত্তর গাজায় ফিরে গেছেন হাজার হাজার ফিলিস্তিনি। যানবাহনের পরিমাণ কম এবং তেলের সংকট থাকায় অধিকাংশ ফিলিস্তিনি যাত্রা করেছেন পায়ে হেঁটে।
একই ভাবে দক্ষিণ গাজার যেসব বাসিন্দা গাজার মধ্যঞ্চলীয় শহর গাজা সিটি এবং পূর্ব গাজায় আশ্রয় নিয়েছিলেন তারাও নিজ নিজ এলাকায় ফেরা শুরু করেছেন। বাড়ি ফেরার জন্য সমুদ্রের তীরবর্তী আল রশিদ স্ট্রিট এবং সালাহ আল দীন রোড এ দুটি সড়ক ব্যবহার করছেন তারা।
ইসরায়েলি বাহিনীর গত ২ বছরের অভিযানে গাজার ৯০ শতাংশ ভবন সম্পূর্ণ ধ্বস হয়ে গেছে। বাকি ১০ শতাংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত। ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর একটি বড় অংশই ঘরবাড়ি।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর অবশেষে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে ইসরায়েল। শনিবার (১১ অক্টোবর) গাজা সিটির কয়েকটি এলাকাসহ খান ইউনিসের পূর্বাংশ ও দক্ষিণাঞ্চল থেকে ইসরায়েলি বাহিনী সেনা সরিয়ে নিয়েছে। এর ফলে ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২ বছর পর নিজেদের বাসভূমিতে ফিরতে শুরু করেছেন লাখ লাখ ফিলিস্তিনি।
আনাদোলু বার্তা সংস্থার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সারাদিন দক্ষিণ গাজার অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে উত্তর গাজায় ফিরে গেছেন হাজার হাজার ফিলিস্তিনি। যানবাহনের পরিমাণ কম এবং তেলের সংকট থাকায় অধিকাংশ ফিলিস্তিনি যাত্রা করেছেন পায়ে হেঁটে।
একই ভাবে দক্ষিণ গাজার যেসব বাসিন্দা গাজার মধ্যঞ্চলীয় শহর গাজা সিটি এবং পূর্ব গাজায় আশ্রয় নিয়েছিলেন তারাও নিজ নিজ এলাকায় ফেরা শুরু করেছেন। বাড়ি ফেরার জন্য সমুদ্রের তীরবর্তী আল রশিদ স্ট্রিট এবং সালাহ আল দীন রোড এ দুটি সড়ক ব্যবহার করছেন তারা।
ইসরায়েলি বাহিনীর গত ২ বছরের অভিযানে গাজার ৯০ শতাংশ ভবন সম্পূর্ণ ধ্বস হয়ে গেছে। বাকি ১০ শতাংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত। ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর একটি বড় অংশই ঘরবাড়ি।

বুধবার (১১ মার্চ) ছিল ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের দ্বাদশ দিন। আগের ১১ দিনের মতোই এ দিনই উভয় পক্ষই হামলা-পালটা হামলা অব্যাহত রেখেছে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ১২ দিনে এসেও দুপক্ষের কেউই কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে নারাজ বলেই জানিয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালিতে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে পরপর তিনটি কার্গো জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে একটি জাহাজে অগ্নিকাণ্ড ঘটায় বেশিরভাগ নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনিকে সমর্থন জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। একই সঙ্গে দেশটির ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘অবৈধ’ হামলার নিন্দা পুনর্ব্যক্ত করেছে পিয়ংইয়ং।
২১ ঘণ্টা আগে
তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধ যখন অবকাঠামোগত যুদ্ধের দিকে বিস্তৃত হচ্ছে, তখন ইরানের `বৈধ লক্ষ্যবস্তু’র পরিধিও বাড়ছে।
১ দিন আগে