
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঙ্গরাজ্যের ইয়াকুতাত অঞ্চলের কাছাকাছি ৭.০ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাতে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, আলাস্কা ও কানাডার ইউকন সীমান্তের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এটি জুনো থেকে প্রায় ৩৭০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর না পাওয়া গেলেও, রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ জানিয়েছে যে অনেকে ভূমিকম্পটি অনুভব করার কথা জানিয়েছেন। তবে, আশার কথা হলো, মার্কিন সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র এই ঘটনায় সুনামির কোনো সতর্কতা জারি করেনি।
ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি আলাস্কার জুনো থেকে প্রায় ২৩০ মাইল (৩৭০ কিলোমিটার) উত্তর-পশ্চিমে এবং ইউকনের হোয়াইটহর্স থেকে ১৫৫ মাইল (২৫০) পশ্চিমে আঘাত হেনেছে।
মার্কিন সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পরে আপাতত কোনো সুনামির আশঙ্কা নেই।
হোয়াইটহর্সের রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ সার্জেন্ট ক্যালিস্টা ম্যাকলিওড জানান, ভূমিকম্প সম্পর্কে তারা পৃথক দুটি ৯১১ নম্বরে কল পেয়েছেন।
তিনি বলেন, ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক মানুষ এটি (ভূমিকম্প) অনুভব করেছেন বলে জানিয়েছেন।
কানাডার ভূকম্পবিদ অ্যালিসন বার্ড বলেন, ইউকনের যে অংশে ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে এটি ছিল পাহাড়ি এলাকা। সেখানে খুব পরিমাণ মানুষ বসবাস করে।
তিনি বলেন, বেশিরভাগ মানুষই তাক ও দেয়াল থেকে জিনিসপত্র পড়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
গার্ডিয়ান বলছে, ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬ মাইল (১০ কিলোমিটার) ভূগর্ভে উৎপত্তি হয়েছে।এর পরে আরও কয়েকটি ছোট ছোট আফটারশক অনুভূত হয়। ইউএসজিএস একই অঞ্চলে আরও কয়েকটি আফটারশকের খবর দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঙ্গরাজ্যের ইয়াকুতাত অঞ্চলের কাছাকাছি ৭.০ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাতে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, আলাস্কা ও কানাডার ইউকন সীমান্তের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এটি জুনো থেকে প্রায় ৩৭০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর না পাওয়া গেলেও, রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ জানিয়েছে যে অনেকে ভূমিকম্পটি অনুভব করার কথা জানিয়েছেন। তবে, আশার কথা হলো, মার্কিন সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র এই ঘটনায় সুনামির কোনো সতর্কতা জারি করেনি।
ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি আলাস্কার জুনো থেকে প্রায় ২৩০ মাইল (৩৭০ কিলোমিটার) উত্তর-পশ্চিমে এবং ইউকনের হোয়াইটহর্স থেকে ১৫৫ মাইল (২৫০) পশ্চিমে আঘাত হেনেছে।
মার্কিন সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পরে আপাতত কোনো সুনামির আশঙ্কা নেই।
হোয়াইটহর্সের রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ সার্জেন্ট ক্যালিস্টা ম্যাকলিওড জানান, ভূমিকম্প সম্পর্কে তারা পৃথক দুটি ৯১১ নম্বরে কল পেয়েছেন।
তিনি বলেন, ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক মানুষ এটি (ভূমিকম্প) অনুভব করেছেন বলে জানিয়েছেন।
কানাডার ভূকম্পবিদ অ্যালিসন বার্ড বলেন, ইউকনের যে অংশে ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে এটি ছিল পাহাড়ি এলাকা। সেখানে খুব পরিমাণ মানুষ বসবাস করে।
তিনি বলেন, বেশিরভাগ মানুষই তাক ও দেয়াল থেকে জিনিসপত্র পড়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
গার্ডিয়ান বলছে, ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬ মাইল (১০ কিলোমিটার) ভূগর্ভে উৎপত্তি হয়েছে।এর পরে আরও কয়েকটি ছোট ছোট আফটারশক অনুভূত হয়। ইউএসজিএস একই অঞ্চলে আরও কয়েকটি আফটারশকের খবর দিয়েছে।

হুতিদের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, জাহাজ চলাচলে হামলার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে গোষ্ঠীটি। ইয়েমেনের হোদেইদাহ ও এডেন উপসাগরের দিকে নজর রাখা পার্বত্য এলাকায় এবং লোহিত সাগরের প্রবেশপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশপাশে তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মোতায়েন করেছে। এখন শুধু হামলা শুরুর নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে তা
১৯ ঘণ্টা আগে
স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা আর অনুমতি ছাড়া তাদের শিক্ষাগত লক্ষ্য পরিবর্তন করতে পারবেন না বা অন্য কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর হতে পারবেন না। এ ছাড়া ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার জন্য যে ৬০ দিনের ‘গ্রেস পিরিয়ড’ ছিল, তা কমিয়ে ৩০ দিন করা হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
র্যানসমওয়্যার গোষ্ঠী ‘ওয়ার্ল্ড লিকস’ ভারতের শিল্পগোষ্ঠী রিলায়েন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের সার্ভারে সাইবার হামলা চালিয়ে দেশটির বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কুদানকুলাম-সংক্রান্ত হাজারো সংবেদনশীল নথি ফাঁস করেছে।
১ দিন আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, জুনের শেষ দিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নৌকা দুটি যাত্রা শুরু করে। এতে ৫০০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন, যাদের বেশির ভাগই জাতিগত সংখ্য
১ দিন আগে