
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফ্রান্সে প্রথমবারের মতো ইবোলা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তি একজন চিকিৎসক, যিনি সম্প্রতি ইবোলা প্রাদুর্ভাবকবলিত গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআর কঙ্গো) থেকে মানবিক সহায়তা মিশন শেষে দেশে ফিরেছেন।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশে ফেরার পরপরই চিকিৎসককে বিশেষায়িত হাসপাতালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ভর্তি করা হয় এবং তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি এড়াতে প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, আক্রান্ত চিকিৎসকের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্তের কাজ চলছে। তাদের ২১ দিনের জন্য বাড়িতে কোয়ারেনটিনে থাকতে হবে। তবে ইউরোপের সাধারণ মানুষের জন্য সংক্রমণের ঝুঁকি খুবই কম বলে জানিয়েছে ফরাসি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
বর্তমান প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্র ডিআর কঙ্গোর উত্তরপূর্বাঞ্চলের ইতুরি প্রদেশ। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২১ জুন পর্যন্ত সেখানে এক হাজার ৪৮ জনের ইবোলা শনাক্ত হয়েছে এবং মারা গেছেন ২৬৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ১১২ জন। প্রতিবেশী উগান্ডাতেও ২০ জন আক্রান্ত ও দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) গত ১৫ মে এই প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করে এবং দুদিন পর একে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভাইরাসটি আনুষ্ঠানিকভাবে শনাক্ত হওয়ার কয়েক সপ্তাহ আগেই ডিআর কঙ্গোতে নীরবে ছড়িয়ে পড়েছিল। ফলে প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।
স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন, এটি প্রাদুর্ভাব শুরুর প্রথম মাসেই নিশ্চিত সংক্রমণের সংখ্যার দিক থেকে ইবোলার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিস্তার। পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে ত্রাণ তহবিলের ঘাটতি, সংঘাত এবং বিদ্রোহী তৎপরতা।
এবারের প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী বিরল বান্ডিবুগিও ধরনের ইবোলা ভাইরাস, যার বিরুদ্ধে এখনো কোনো অনুমোদিত টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। বিজ্ঞানীদের মতে, সংক্রমিত আফ্রিকান ফলখেকো বাদুড় থেকে মানুষের মধ্যে ভাইরাসটি ছড়াতে পারে। পরে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত বা শরীরের তরলের সংস্পর্শে অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ঘটে।
জ্বর, তীব্র দুর্বলতা, মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথা ও গলাব্যথা দিয়ে রোগের উপসর্গ শুরু হলেও পরে বমি, ডায়রিয়া, ত্বকে র্যাশ এবং কিডনি ও লিভারের কার্যকারিতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

ফ্রান্সে প্রথমবারের মতো ইবোলা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তি একজন চিকিৎসক, যিনি সম্প্রতি ইবোলা প্রাদুর্ভাবকবলিত গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআর কঙ্গো) থেকে মানবিক সহায়তা মিশন শেষে দেশে ফিরেছেন।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশে ফেরার পরপরই চিকিৎসককে বিশেষায়িত হাসপাতালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ভর্তি করা হয় এবং তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি এড়াতে প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, আক্রান্ত চিকিৎসকের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্তের কাজ চলছে। তাদের ২১ দিনের জন্য বাড়িতে কোয়ারেনটিনে থাকতে হবে। তবে ইউরোপের সাধারণ মানুষের জন্য সংক্রমণের ঝুঁকি খুবই কম বলে জানিয়েছে ফরাসি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
বর্তমান প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্র ডিআর কঙ্গোর উত্তরপূর্বাঞ্চলের ইতুরি প্রদেশ। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২১ জুন পর্যন্ত সেখানে এক হাজার ৪৮ জনের ইবোলা শনাক্ত হয়েছে এবং মারা গেছেন ২৬৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ১১২ জন। প্রতিবেশী উগান্ডাতেও ২০ জন আক্রান্ত ও দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) গত ১৫ মে এই প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করে এবং দুদিন পর একে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভাইরাসটি আনুষ্ঠানিকভাবে শনাক্ত হওয়ার কয়েক সপ্তাহ আগেই ডিআর কঙ্গোতে নীরবে ছড়িয়ে পড়েছিল। ফলে প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।
স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন, এটি প্রাদুর্ভাব শুরুর প্রথম মাসেই নিশ্চিত সংক্রমণের সংখ্যার দিক থেকে ইবোলার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিস্তার। পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে ত্রাণ তহবিলের ঘাটতি, সংঘাত এবং বিদ্রোহী তৎপরতা।
এবারের প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী বিরল বান্ডিবুগিও ধরনের ইবোলা ভাইরাস, যার বিরুদ্ধে এখনো কোনো অনুমোদিত টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। বিজ্ঞানীদের মতে, সংক্রমিত আফ্রিকান ফলখেকো বাদুড় থেকে মানুষের মধ্যে ভাইরাসটি ছড়াতে পারে। পরে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত বা শরীরের তরলের সংস্পর্শে অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ঘটে।
জ্বর, তীব্র দুর্বলতা, মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথা ও গলাব্যথা দিয়ে রোগের উপসর্গ শুরু হলেও পরে বমি, ডায়রিয়া, ত্বকে র্যাশ এবং কিডনি ও লিভারের কার্যকারিতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরানকে আমি ছাড়া আর কেউ চুক্তির জন্য এত সুযোগ-সুবিধা বা ছাড় দেয়নি। তবে এটি দুঃখজনক যে তারা চুক্তি করতে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণেই আজ আমি ইরানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণা করছি। এই অভিযান এতটাই সর্বাত্মক হবে যে এর আগে কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে
৯ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কলকাতার নিউমার্কেটের কাছে অবস্থিত শিখা ইন নামের ওই হোটেলের তৃতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই হোটেলের বিভিন্ন কক্ষে ঘন কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। এরপর আগুন পাশের আরও কয়েকটি হোটেলেও ছড়িয়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডে ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।
১৮ ঘণ্টা আগে
নিহত দেবাশীষ দত্ত আজকের পত্রিকা ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল নাইনের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ছিলেন। পাশাপাশি কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত আজকের আলো পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন তিনি। অগ্নিকাণ্ডে তার স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), ছেলে শর্ণশীষ দত্ত (৩) ও শ্বশুর আকরাম হোসেন (৬০) মারা গেছেন।
১ দিন আগে
বুধবার (১৯ আগস্ট) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি নাগরিক বলে স্থানীয় পুলিশ তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তাদের চারজন একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।
১ দিন আগে