
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে অন্তত ১০ জন নিহত এবং দুই শিশুসহ ৫৬ জন আহত হয়েছেন। হামলায় বেশকিছু আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, একটি নয়তলা ভবনের অংশ ধসে পড়েছে এবং শহরের একটি কেন্দ্রীয় সড়কের হোটেলে আগুন লেগেছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো জানিয়েছেন, বুধবার রাতভর রাশিয়ার হামলায় কিয়েভের প্রায় তিন ডজন স্থানে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে তিনি ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত জানাননি।
তিমুর তকাচেঙ্কো টেলিগ্রামে লেখেন, ‘শত্রুপক্ষ আবারও ইচ্ছাকৃতভাবে আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়ে বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং শিশুদেরসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ হতাহত হয়েছেন।’

কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো টেলিগ্রামে জানান, একটি আবাসিক ভবনে সরাসরি আঘাত হানার পর ভবনটির প্রথম থেকে ষষ্ঠ তলা পর্যন্ত ধসে পড়ে। হামলায় আহতদের মধ্যে একটি অ্যাম্বুলেন্স স্টেশনের প্যারামেডিক ও চালকরাও রয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি আবাসিক ভবনের ভেতরে এখনো কিছু মানুষ আটকা পড়ে আছেন।
রাতভর মেট্রো স্টেশনে আশ্রয়
রাশিয়ার হামলার সময় শিশু, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, তাঁবু ও পোষা প্রাণী নিয়ে অসংখ্য মানুষ কিয়েভের ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নেন। বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের অধিকাংশ অঞ্চলে বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়। জুনের মাঝামাঝি সময়ের পর এটিই দেশটির ওপর রাশিয়ার সবচেয়ে বড় হামলা।

যুক্তরাষ্ট্রে ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত ওলহা স্টেফানিশিনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘শহরের বাসিন্দাদের জন্য এটি ছিল আরেকটি ভয়াবহ রাত। তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে রাত কাটাতে বাধ্য হতে হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘শহরের বিভিন্ন জেলায় বেসামরিক অবকাঠামো ও আবাসিক ভবনে আগুন এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে।’
সফর সংক্ষিপ্ত করলেন জেলেনস্কি
এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাতের সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আবর্তনশীল সভাপতির দায়িত্বে আয়ারল্যান্ডের ছয় মাসের মেয়াদ শুরুর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ডাবলিন সফর সংক্ষিপ্ত করে তিনি দেশে ফিরছেন।
রাশিয়ার দাবি, এটি পালটা হামলা
এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কিয়েভসহ বিভিন্ন স্থানে দূরপাল্লার উচ্চ-নির্ভুলতাসম্পন্ন আকাশ, স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক অস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের দাবি, কিয়েভের আশপাশের সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনা এবং পোলতাভা ও দিনিপ্রোপেত্রোভস্কসহ কয়েকটি অঞ্চলের সামরিক বিমানঘাঁটিতে আঘাত হানা হয়েছে। তাদের ভাষ্য, ইউক্রেন সম্প্রতি বেসামরিক অবকাঠামোতে যে হামলা চালিয়েছে, তার প্রতিশোধ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে অন্তত ১০ জন নিহত এবং দুই শিশুসহ ৫৬ জন আহত হয়েছেন। হামলায় বেশকিছু আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, একটি নয়তলা ভবনের অংশ ধসে পড়েছে এবং শহরের একটি কেন্দ্রীয় সড়কের হোটেলে আগুন লেগেছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো জানিয়েছেন, বুধবার রাতভর রাশিয়ার হামলায় কিয়েভের প্রায় তিন ডজন স্থানে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে তিনি ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত জানাননি।
তিমুর তকাচেঙ্কো টেলিগ্রামে লেখেন, ‘শত্রুপক্ষ আবারও ইচ্ছাকৃতভাবে আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়ে বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং শিশুদেরসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ হতাহত হয়েছেন।’

কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো টেলিগ্রামে জানান, একটি আবাসিক ভবনে সরাসরি আঘাত হানার পর ভবনটির প্রথম থেকে ষষ্ঠ তলা পর্যন্ত ধসে পড়ে। হামলায় আহতদের মধ্যে একটি অ্যাম্বুলেন্স স্টেশনের প্যারামেডিক ও চালকরাও রয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি আবাসিক ভবনের ভেতরে এখনো কিছু মানুষ আটকা পড়ে আছেন।
রাতভর মেট্রো স্টেশনে আশ্রয়
রাশিয়ার হামলার সময় শিশু, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, তাঁবু ও পোষা প্রাণী নিয়ে অসংখ্য মানুষ কিয়েভের ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নেন। বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের অধিকাংশ অঞ্চলে বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়। জুনের মাঝামাঝি সময়ের পর এটিই দেশটির ওপর রাশিয়ার সবচেয়ে বড় হামলা।

যুক্তরাষ্ট্রে ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত ওলহা স্টেফানিশিনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘শহরের বাসিন্দাদের জন্য এটি ছিল আরেকটি ভয়াবহ রাত। তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে রাত কাটাতে বাধ্য হতে হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘শহরের বিভিন্ন জেলায় বেসামরিক অবকাঠামো ও আবাসিক ভবনে আগুন এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে।’
সফর সংক্ষিপ্ত করলেন জেলেনস্কি
এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাতের সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আবর্তনশীল সভাপতির দায়িত্বে আয়ারল্যান্ডের ছয় মাসের মেয়াদ শুরুর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ডাবলিন সফর সংক্ষিপ্ত করে তিনি দেশে ফিরছেন।
রাশিয়ার দাবি, এটি পালটা হামলা
এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কিয়েভসহ বিভিন্ন স্থানে দূরপাল্লার উচ্চ-নির্ভুলতাসম্পন্ন আকাশ, স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক অস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের দাবি, কিয়েভের আশপাশের সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনা এবং পোলতাভা ও দিনিপ্রোপেত্রোভস্কসহ কয়েকটি অঞ্চলের সামরিক বিমানঘাঁটিতে আঘাত হানা হয়েছে। তাদের ভাষ্য, ইউক্রেন সম্প্রতি বেসামরিক অবকাঠামোতে যে হামলা চালিয়েছে, তার প্রতিশোধ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে