
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরপরই ভবিষ্যৎ কোনো শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের হেফাজতে নিতে প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে রাশিয়া। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ক্রেমলিন এ প্রস্তাব পুনর্ব্যক্ত করে বলেছে, পশ্চিম এশিয়ায় বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যেও বিষয়টি এখনো আলোচনার টেবিলে রয়েছে।
সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের প্রশ্নটি সম্ভাব্য সমঝোতা প্রতিষ্ঠার অন্যতম কেন্দ্রীয় ইস্যু হয়ে উঠেছে। আস্থা তৈরির পদক্ষেপ হিসেবে মস্কো এর আগেও একাধিকবার ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুত নিজেদের কাছে সংরক্ষণের প্রস্তাব দিয়েছিল।
এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রথম এ প্রস্তাব দিয়েছিলেন। প্রস্তাবটি এখনো বহাল আছে, তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
ইরানের কাছে ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম আছে, যা ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধ বা পরিশুদ্ধ। জাতিসংঘের পরমাণু প্রকল্প পর্যবেক্ষণ সংস্থার (আইএইএ) তথ্য অনুযায়ী এই বিশুদ্ধতার মান ৯০ শতাংশে উন্নীত করা হলেই পরমাণু বোমা তৈরি করতে পারবে ইরান।
ইরান অবশ্য বরাবরই পরমাণু প্রকল্পের আড়ালে বোমা তৈরির প্রচেষ্টার কথা অস্বীকার করে আসছে। তবে পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে প্রায় দুই যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে বিরোধ চলছে যুক্তরাষ্ট্রের। এই বিরোধের জেরেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল।
মার্চের প্রথম সপ্তাহে ইরানকে ১৫টি পয়েন্টের একটি শান্তি প্রস্তাবনা পাঠিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই প্রস্তাবনার একটি পয়েন্টে উল্লেখ করা হয়েছে— ইরানের এই ইউরেনিয়াম হয় ধ্বংস করতে হবে, নয়তো অপসারণ করতে হবে।
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হেফাজতে নেওয়ার প্রস্তাব— রাশিয়ার এ নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা এমন সময়ে সামনে এলো, যখন সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়েছে। ফলে ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে শুরু হওয়া সংঘাত দ্রুত শেষ হওয়ার আশা অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালি অবরোধের সাম্প্রতিক মার্কিন হুমকিরও সমালোচনা করেছে ক্রেমলিন। রাশিয়ার মতে, এমন পদক্ষেপ বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। পেসকভ বলেন, ‘এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক বাজারে নেতিবাচক প্রভাব অব্যাহত রাখবে বলেই মনে হচ্ছে।’
অন্যদিকে, রোববার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। ওই আলাপে পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি প্রচেষ্টায় সহায়তার প্রস্তুতির কথা জানান তিনি।
ক্রেমলিনের বিবৃতিতে বলা হয়, পুতিন সংঘাতের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধান এগিয়ে নিতে নিজের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে বর্তমানে যুদ্ধবিরতি চলছে, যা আগামী ২১ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথা। তবে কূটনৈতিক অচলাবস্থার পর ইরানে নতুন করে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা শুরুর আশঙ্কা করা হলেও এখন পর্যন্ত সংঘাত শুরুর কোনো খবর পাওয়া যায়নি। বৈশ্বিক নেতারা এখনো উভয় পক্ষকে সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছেন।
এর আগে শনিবার (১১ এপ্রিল) ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তান সফর করে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রতিনিধিদল ও ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ নেতৃত্বাধীন ইরানি প্রতিনিধিদল।
তবে কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে ‘ইসলামাবাদ টকস’ নামের হাইপ্রোফাইল এ আলোচনা। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে যার যার মতো আগের অবস্থানেই। দুই দেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনায় সম্ভাব্য সবকিছুই উঠেছে এসেছে টেবিলে। তবে দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতায় বাধা হয়েছে দাঁড়িয়েছে মূলত দুটি ইস্যু— হরমুজ প্রণালি ও পারমাণবিক কর্মসূচি।

পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরপরই ভবিষ্যৎ কোনো শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের হেফাজতে নিতে প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে রাশিয়া। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ক্রেমলিন এ প্রস্তাব পুনর্ব্যক্ত করে বলেছে, পশ্চিম এশিয়ায় বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যেও বিষয়টি এখনো আলোচনার টেবিলে রয়েছে।
সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের প্রশ্নটি সম্ভাব্য সমঝোতা প্রতিষ্ঠার অন্যতম কেন্দ্রীয় ইস্যু হয়ে উঠেছে। আস্থা তৈরির পদক্ষেপ হিসেবে মস্কো এর আগেও একাধিকবার ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুত নিজেদের কাছে সংরক্ষণের প্রস্তাব দিয়েছিল।
এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রথম এ প্রস্তাব দিয়েছিলেন। প্রস্তাবটি এখনো বহাল আছে, তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
ইরানের কাছে ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম আছে, যা ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধ বা পরিশুদ্ধ। জাতিসংঘের পরমাণু প্রকল্প পর্যবেক্ষণ সংস্থার (আইএইএ) তথ্য অনুযায়ী এই বিশুদ্ধতার মান ৯০ শতাংশে উন্নীত করা হলেই পরমাণু বোমা তৈরি করতে পারবে ইরান।
ইরান অবশ্য বরাবরই পরমাণু প্রকল্পের আড়ালে বোমা তৈরির প্রচেষ্টার কথা অস্বীকার করে আসছে। তবে পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে প্রায় দুই যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে বিরোধ চলছে যুক্তরাষ্ট্রের। এই বিরোধের জেরেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল।
মার্চের প্রথম সপ্তাহে ইরানকে ১৫টি পয়েন্টের একটি শান্তি প্রস্তাবনা পাঠিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই প্রস্তাবনার একটি পয়েন্টে উল্লেখ করা হয়েছে— ইরানের এই ইউরেনিয়াম হয় ধ্বংস করতে হবে, নয়তো অপসারণ করতে হবে।
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হেফাজতে নেওয়ার প্রস্তাব— রাশিয়ার এ নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা এমন সময়ে সামনে এলো, যখন সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়েছে। ফলে ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে শুরু হওয়া সংঘাত দ্রুত শেষ হওয়ার আশা অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালি অবরোধের সাম্প্রতিক মার্কিন হুমকিরও সমালোচনা করেছে ক্রেমলিন। রাশিয়ার মতে, এমন পদক্ষেপ বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। পেসকভ বলেন, ‘এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক বাজারে নেতিবাচক প্রভাব অব্যাহত রাখবে বলেই মনে হচ্ছে।’
অন্যদিকে, রোববার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। ওই আলাপে পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি প্রচেষ্টায় সহায়তার প্রস্তুতির কথা জানান তিনি।
ক্রেমলিনের বিবৃতিতে বলা হয়, পুতিন সংঘাতের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধান এগিয়ে নিতে নিজের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে বর্তমানে যুদ্ধবিরতি চলছে, যা আগামী ২১ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথা। তবে কূটনৈতিক অচলাবস্থার পর ইরানে নতুন করে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা শুরুর আশঙ্কা করা হলেও এখন পর্যন্ত সংঘাত শুরুর কোনো খবর পাওয়া যায়নি। বৈশ্বিক নেতারা এখনো উভয় পক্ষকে সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছেন।
এর আগে শনিবার (১১ এপ্রিল) ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তান সফর করে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রতিনিধিদল ও ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ নেতৃত্বাধীন ইরানি প্রতিনিধিদল।
তবে কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে ‘ইসলামাবাদ টকস’ নামের হাইপ্রোফাইল এ আলোচনা। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে যার যার মতো আগের অবস্থানেই। দুই দেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনায় সম্ভাব্য সবকিছুই উঠেছে এসেছে টেবিলে। তবে দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতায় বাধা হয়েছে দাঁড়িয়েছে মূলত দুটি ইস্যু— হরমুজ প্রণালি ও পারমাণবিক কর্মসূচি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক বিমান হামলায় টানা ৩৬ বছর ৬ মাস ইরানের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকা এই শীর্ষ নেতার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্ব রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অবশেষে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তার শেষকৃত্যের তারিখ ঘোষণা করল দেশটির প্রশাসন।
১২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে বহুল প্রতীক্ষিত সমঝোতা চুক্তি সই হতে যাচ্ছে আগামীকাল রোববার (১৪ জুন)। তবে ইরানের পক্ষ থেকে চুক্তির সময় এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। উলটো রোববার এ চুক্তি সই হবে না বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র।
২০ ঘণ্টা আগে
তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনায় অগ্রগতির খবরের মাঝেই পারস্য উপসাগরে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। শুক্রবার হরমুজ প্রণালির দিকে ধেয়ে আসা ইরানের বেশ কয়েকটি ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন’ (আত্মঘাতী ড্রোন) গুলি করে বিধ্বস্ত করেছে মার্কিন বাহিনী।
১ দিন আগে
দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অবশেষে একটি শান্তি চুক্তির রূপরেখায় সম্মত হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দেশ দুটির মধ্যে এই প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। আজ শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এমনটাই জানিয়েছেন।
১ দিন আগে