
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইউক্রেনের ব্যাপক ড্রোন হামলায় রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে একদিনে ৮৪টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে রুশ কর্তৃপক্ষ। এর জেরে রাজধানীর চারটি প্রধান বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হয়। অন্যদিকে রাশিয়ার পালটা হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোর, তার বাবা এবং এক বৃদ্ধাও রয়েছেন। খবর রয়টার্সের।
সোমবার টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীমুখী ৮৪টি ড্রোন গুলি করে নামানো হয়েছে। ড্রোনগুলোর ধ্বংসাবশেষ যেখানে পড়েছে সেখানে জরুরি সেবা সংস্থাগুলো কাজ করছে। একই সময়ে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাতভর দেশটির আকাশে মোট ৩০১টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে, যার মধ্যে রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেনীয় অঞ্চলও রয়েছে।
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা মস্কো অঞ্চলের দুবনা স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্রেও হামলা চালিয়েছে। গত সপ্তাহে মস্কোর একমাত্র তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার পর রাজধানীতে এটি ছিল আরেকটি বড় আকাশ হামলা।
ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলীয় সুমি অঞ্চলে রুশ ড্রোন হামলায় ১৩ বছর বয়সী এক ছেলে, তার ৩৬ বছর বয়সী বাবা এবং ৭৩ বছর বয়সী এক নারী নিহত হন। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জাপোরিঝিয়ায় পৃথক ড্রোন হামলায় আরও দুজন নিহত এবং সাতজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া রোববার সন্ধ্যায় দক্ষিণাঞ্চলীয় ওডেসা অঞ্চলের একটি কৃষি স্থাপনায় ইস্কান্দার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন নিহত ও তিনজন আহত হন। হামলায় যানবাহন ও জ্বালানি সংরক্ষণাগারে আগুন ধরে যায়।
এদিকে রাশিয়া অধিকৃত ক্রিমিয়ার সেভাস্তোপলে নিরাপত্তার কারণে সব উন্মুক্ত জনসমাগমের অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে রাতের সড়কবাতিও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন হামলার কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় ক্রিমিয়ায় সাধারণ মানুষের জন্য জ্বালানি বিক্রিও স্থগিত রাখা হয়েছে।
কৃষ্ণসাগরেও উত্তেজনা বেড়েছে। ইউক্রেনের নৌ বাহিনীর দাবি, রুশ ড্রোন হামলায় পানামার পতাকাবাহী তুর্কি মালিকানাধীন পণ্যবাহী জাহাজ ভিকট্রেস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ৫৮ বছর বয়সী এক মিসরীয় রাঁধুনি নিহত হন এবং তুরস্ক ও ভারতের নাগরিকসহ আট নাবিক লাইফবোটে করে জাহাজ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। এ ছাড়া পালাউ ও বেলিজের পতাকাবাহী আরও দুটি জাহাজও হামলার মুখে পড়লেও সেগুলো পরে যাত্রা অব্যাহত রাখে।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা বলেছেন, কৃষ্ণসাগরের নিরাপত্তা ও বাণিজ্যের জন্য রাশিয়াই এখন সবচেয়ে বড় হুমকি। অন্যদিকে যুদ্ধের শুরু থেকেই রাশিয়া ইউক্রেনের সমুদ্রবন্দর ও রপ্তানি রুটে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে আসছে, যা দেশটির যুদ্ধকালীন অর্থনীতির ওপর বড় চাপ তৈরি করেছে।

ইউক্রেনের ব্যাপক ড্রোন হামলায় রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে একদিনে ৮৪টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে রুশ কর্তৃপক্ষ। এর জেরে রাজধানীর চারটি প্রধান বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হয়। অন্যদিকে রাশিয়ার পালটা হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোর, তার বাবা এবং এক বৃদ্ধাও রয়েছেন। খবর রয়টার্সের।
সোমবার টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীমুখী ৮৪টি ড্রোন গুলি করে নামানো হয়েছে। ড্রোনগুলোর ধ্বংসাবশেষ যেখানে পড়েছে সেখানে জরুরি সেবা সংস্থাগুলো কাজ করছে। একই সময়ে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাতভর দেশটির আকাশে মোট ৩০১টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে, যার মধ্যে রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেনীয় অঞ্চলও রয়েছে।
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা মস্কো অঞ্চলের দুবনা স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্রেও হামলা চালিয়েছে। গত সপ্তাহে মস্কোর একমাত্র তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার পর রাজধানীতে এটি ছিল আরেকটি বড় আকাশ হামলা।
ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলীয় সুমি অঞ্চলে রুশ ড্রোন হামলায় ১৩ বছর বয়সী এক ছেলে, তার ৩৬ বছর বয়সী বাবা এবং ৭৩ বছর বয়সী এক নারী নিহত হন। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জাপোরিঝিয়ায় পৃথক ড্রোন হামলায় আরও দুজন নিহত এবং সাতজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া রোববার সন্ধ্যায় দক্ষিণাঞ্চলীয় ওডেসা অঞ্চলের একটি কৃষি স্থাপনায় ইস্কান্দার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন নিহত ও তিনজন আহত হন। হামলায় যানবাহন ও জ্বালানি সংরক্ষণাগারে আগুন ধরে যায়।
এদিকে রাশিয়া অধিকৃত ক্রিমিয়ার সেভাস্তোপলে নিরাপত্তার কারণে সব উন্মুক্ত জনসমাগমের অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে রাতের সড়কবাতিও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন হামলার কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় ক্রিমিয়ায় সাধারণ মানুষের জন্য জ্বালানি বিক্রিও স্থগিত রাখা হয়েছে।
কৃষ্ণসাগরেও উত্তেজনা বেড়েছে। ইউক্রেনের নৌ বাহিনীর দাবি, রুশ ড্রোন হামলায় পানামার পতাকাবাহী তুর্কি মালিকানাধীন পণ্যবাহী জাহাজ ভিকট্রেস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ৫৮ বছর বয়সী এক মিসরীয় রাঁধুনি নিহত হন এবং তুরস্ক ও ভারতের নাগরিকসহ আট নাবিক লাইফবোটে করে জাহাজ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। এ ছাড়া পালাউ ও বেলিজের পতাকাবাহী আরও দুটি জাহাজও হামলার মুখে পড়লেও সেগুলো পরে যাত্রা অব্যাহত রাখে।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা বলেছেন, কৃষ্ণসাগরের নিরাপত্তা ও বাণিজ্যের জন্য রাশিয়াই এখন সবচেয়ে বড় হুমকি। অন্যদিকে যুদ্ধের শুরু থেকেই রাশিয়া ইউক্রেনের সমুদ্রবন্দর ও রপ্তানি রুটে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে আসছে, যা দেশটির যুদ্ধকালীন অর্থনীতির ওপর বড় চাপ তৈরি করেছে।

২০১৫ সালে ‘অবাঞ্ছিত সংগঠন’ আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে রাশিয়া শত শত বিদেশি সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। এই তালিকায় রয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, বিভিন্ন স্বাধীন সংবাদমাধ্যম এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও।
১১ ঘণ্টা আগে
সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের পেছনে পেরুর নতুন ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। গত জুলাইয়ে দায়িত্ব নেওয়ার আগেই তিনি মেক্সিকোর সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।
১১ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, গত ১৮ জুলাই থেকে প্রায় প্রতি রাতেই রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ওয়াইল্ডবেরিজের গুদামগুলোতে হামলা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত অন্তত ২০টি গুদাম লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এসব হামলায় বড় অগ্নিকাণ্ড, বিপুল পরিমাণ পণ্যের ক্ষয়ক্ষতি এবং দেশটির বিস্তৃত সরবরাহ নেটওয়ার্কে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়
১২ ঘণ্টা আগে