গাজায় পুলিশ চেকপোস্টে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা, ৬ প্রাণহানি

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০: ১৫
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

গাজায় যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন। মধ্য গাজার বুরেজ শরণার্থী শিবির এবং দক্ষিণের খান ইউনিসের পুলিশ চেকপোস্ট লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। এমন এক সময়ে এই প্রাণহানি ঘটল যখন আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো গাজায় মানবিক বিপর্যয় রোধে ইসরাইলের নতুন শর্ত ও বিধিনিষেধ নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

হামাস এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, গত ১০ অক্টোবর থেকে চলা যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরাইল প্রায় প্রতিদিনই শর্ত লঙ্ঘন করছে।

উপত্যকাটির নাসের হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, আল-মাওয়াসিতে পুলিশ চেকপোস্টে হামলায় চারজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, বুরেজ শিবিরের প্রবেশপথে হামলায় আরও দুইজন নিহত হয়েছেন জানিয়েছে হাসপাতাল সূত্র।

এ হামলাকে গণহত্যামূলক যুদ্ধের ধারাবাহিকতা হিসেবে বর্ণনা করে নিন্দা জানিয়েছে হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম। এদিকে আল জাজিরার প্রতিবেদক তারেক আবু আজুম জানান, গাজায় আইনশৃঙ্খলা বা জনজীবন পুনর্গঠনের যেকোনো প্রচেষ্টাকে নস্যাৎ করতেই পরিকল্পিতভাবে পুলিশ বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করছে ইসরাইল।

এছাড়া, আগামী ১ মার্চের মধ্যে ৩৭টি আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাকে তাদের ফিলিস্তিনি কর্মীদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে ইসরাইল। এ নির্দেশ পালন করা হলে কর্মীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে এবং মানবিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে জানিয়েছে সংস্থাগুলো।

এ সংকটে ত্রাণ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে গাজার সাধারণ মানুষ চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে সতর্ক করেছে অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল।

এদিকে, গত বৃহস্পতিবার রাফাহ ক্রসিং দিয়ে ২৮৬টি ট্রাক গাজায় প্রবেশ করেছে যার মধ্যে ১১২টি ছিলো ত্রাণবাহী। অথচ গাজায় দৈনিক অন্তত ৬০০ ট্রাক সাহায্যের প্রয়োজন। গাজার সীমান্ত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকলেও ইসরাইলি বিধিনিষেধের কারণে মাত্র কিছু সংখ্যক মানুষ সীমান্ত পার হতে পেরেছেন।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement