
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে। যেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা প্রায় ৬২ হাজার ১০০-এ পৌঁছেছে। একই সঙ্গে মানবিক সহায়তা নিতে গিয়ে আরও ৩১ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে অনাহার ও অপুষ্টিতে মৃত্যু হয়েছে আরও তিনজনের।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের হামলায় মোট ৬২ হাজার ৬৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। দৈনিক হালনাগাদে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৩৪৩ জন আহত হয়েছেন। এ নিয়ে গাজায় মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭৩ জনে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, অনাহার ও অপুষ্টিতে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এভাবে অনাহারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬৬-এ, যাদের মধ্যে ১১২ জন শিশু।
অন্যদিকে গাজায় উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে বা রাস্তায় পড়ে থাকলেও, টানা ইসরায়েলি হামলা এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে উদ্ধারকর্মীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।
গত ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি ভঙ্গ করে ইসরায়েল নতুন করে হামলা শুরু করার পর থেকে মোট ১০ হাজার ৫১৮ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৪৪ হাজার ৫৩২ জন আহত হয়েছেন।
এছাড়া, মানবিক সহায়তা নিতে যাওয়ার সময় ইসরায়েলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ জন নিহত এবং ১৯৭ জন আহত হয়েছেন। মে মাসের ২৭ তারিখ থেকে এখন পর্যন্ত খাদ্য ও সহায়তা সরঞ্জাম সংগ্রহের চেষ্টা করার সময় হামলায় ১ হাজার ৯৯৬ জন নিহত এবং ১৪ হাজার ৮৯৮ জন আহত হয়েছেন।
চলতি বছরের মার্চ থেকে চলমান অবরোধ গাজার ২৪ লাখ বাসিন্দাকে চরম দুর্দশায় ঠেলে দিয়েছে। তারা বিস্তৃত অনাহার, রোগের প্রাদুর্ভাব এবং ভাঙাচোরা অবকাঠামোর মধ্যে জীবনযাপন করছেন

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে। যেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা প্রায় ৬২ হাজার ১০০-এ পৌঁছেছে। একই সঙ্গে মানবিক সহায়তা নিতে গিয়ে আরও ৩১ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে অনাহার ও অপুষ্টিতে মৃত্যু হয়েছে আরও তিনজনের।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের হামলায় মোট ৬২ হাজার ৬৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। দৈনিক হালনাগাদে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৩৪৩ জন আহত হয়েছেন। এ নিয়ে গাজায় মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭৩ জনে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, অনাহার ও অপুষ্টিতে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এভাবে অনাহারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬৬-এ, যাদের মধ্যে ১১২ জন শিশু।
অন্যদিকে গাজায় উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে বা রাস্তায় পড়ে থাকলেও, টানা ইসরায়েলি হামলা এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে উদ্ধারকর্মীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।
গত ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি ভঙ্গ করে ইসরায়েল নতুন করে হামলা শুরু করার পর থেকে মোট ১০ হাজার ৫১৮ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৪৪ হাজার ৫৩২ জন আহত হয়েছেন।
এছাড়া, মানবিক সহায়তা নিতে যাওয়ার সময় ইসরায়েলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ জন নিহত এবং ১৯৭ জন আহত হয়েছেন। মে মাসের ২৭ তারিখ থেকে এখন পর্যন্ত খাদ্য ও সহায়তা সরঞ্জাম সংগ্রহের চেষ্টা করার সময় হামলায় ১ হাজার ৯৯৬ জন নিহত এবং ১৪ হাজার ৮৯৮ জন আহত হয়েছেন।
চলতি বছরের মার্চ থেকে চলমান অবরোধ গাজার ২৪ লাখ বাসিন্দাকে চরম দুর্দশায় ঠেলে দিয়েছে। তারা বিস্তৃত অনাহার, রোগের প্রাদুর্ভাব এবং ভাঙাচোরা অবকাঠামোর মধ্যে জীবনযাপন করছেন

পাঞ্জাব রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী খাজা ইমরান নাজির পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজকে জানান, ছাদ ধসের সময় মোট ৩০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী ছিল সেই কোচিং সেন্টারটিতে। ধসের জেরে সবাই কমবেশি আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে অপেক্ষাকৃত বেশি আহত ২০ জন শিশুকে উদ্ধার করে খানা তহসিল হেডকোয়ার্টার (টিএইচকিউ) হাসপাতালে
১৮ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক সংবাদ সম্মেলনে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। চলতি বছরের শুরু থেকে এই পর্যন্ত দেশটিতে ২৯ জন ত্রাণকর্মী নিহত হওয়ার পর এই অঞ্চলে মানবিক সহায়তাকর্মীদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও চরম সংকটে পড়ল।
১৯ ঘণ্টা আগে
সাধারণত ভূমিকম্পের পর প্রথম তিন দিন উদ্ধার কাজের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় বলে ধরা হয়, যখন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া ব্যক্তিদের জীবিত পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। তারও অনেক পরে এই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হলো।
১৯ ঘণ্টা আগে