
মালয়েশিয়া প্রতিনিধি

মালয়েশিয়ায় মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) সেবা বন্ধ হওয়ায় হাজার হাজার প্রবাসী বিপাকে পড়েছেন। মালয়েশিয়ায় যারা পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদন করছেন তারা পাসপোর্ট পাচ্ছেন না। এতে একদিকে গ্রেফতার হওয়া, সময়মতো ভিসা নবায়ন করতে না পারা, অন্যদিকে জরিমানা গোনার আশঙ্কায় রয়েছেন তারা।
কয়েকজন প্রবাসী অভিযোগ করেন, সময়মতো পাসপোর্টের আবেদন করেও তারা পাচ্ছেন না। অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। পাসপোর্ট না থাকায় অবৈধ হয়ে পড়েছেন অনেকে। পাসপোর্ট না পেলে তাদের সবকিছু গুটিয়ে দেশে চলে আসতে হবে।
বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর জানায়, এমআরপির জন্য প্রিন্টিংয়ে অপেক্ষমাণ থাকা আবেদনকারীরা ফি জমা দিয়ে আবেদন করলে দ্রুত ই-পাসপোর্ট দেওয়া হবে।
অন্যদিকে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এমআরপির বুকলেট, লেমিনেশন ফয়েল পেপার ঘাটতি ও এমআরপির প্রিন্টিং মেশিনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বাংলাদেশ থেকে পাসপোর্ট প্রিন্ট হতে দেরি হচ্ছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজারো প্রবাসী।
বর্তমানে মালয়েশিয়ায় এমআরপি নবায়নের জন্য ২৫ হাজারের বেশি প্রবাসী আবেদন করে রেখেছেন। পাসপোর্ট না থাকায় কেউ কেউ এরই মধ্যে অবৈধ হয়ে পড়েছেন, অনেকে রয়েছেন অবৈধ হওয়ার ঝুঁকিতে। এমন অবস্থায় নতুন করে ই-পাসপোর্ট নিতে আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান ইএসকেএলে প্রতিদিনই আবেদন করছেন অনেকে। তাতেও আবেদন করে সময়মতো পাসপোর্ট পাচ্ছেন না প্রবাসীরা।
এদিকে, হাইকমিশন থেকে বলা হয়, এমআরপির জন্য যারা আগে আবেদন করেছেন তাদের সেই ব্যাংক স্লিপ কপির সঙ্গে অতিরিক্ত ৫১ রিঙ্গিত জমা দিতে হবে। তবে ই-পাসপোর্ট আবেদনের সুযোগ থাকলেও নাম-বয়স জটিলতায় সংশোধনী আবেদন করতে পারছেন না অনেক প্রবাসী। এতেও ভোগান্তির অভিযোগ অনেকের। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন পাসপোর্ট সেবাপ্রত্যাশী মালয়েশিয়া প্রবাসীরা।
শুক্রবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রবাসী ক্ষোভে বলেন, এসেছিলাম পাসপোর্ট আবেদন করতে। জোহর বারু থেকে রাতে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে শেষে সকালে বলা হয় সার্ভার ডাউন আবেদন জমা নেওয়া হবে না। পাসপোর্ট নিয়ে কেন এ সংকট?

মালয়েশিয়ায় মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) সেবা বন্ধ হওয়ায় হাজার হাজার প্রবাসী বিপাকে পড়েছেন। মালয়েশিয়ায় যারা পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদন করছেন তারা পাসপোর্ট পাচ্ছেন না। এতে একদিকে গ্রেফতার হওয়া, সময়মতো ভিসা নবায়ন করতে না পারা, অন্যদিকে জরিমানা গোনার আশঙ্কায় রয়েছেন তারা।
কয়েকজন প্রবাসী অভিযোগ করেন, সময়মতো পাসপোর্টের আবেদন করেও তারা পাচ্ছেন না। অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। পাসপোর্ট না থাকায় অবৈধ হয়ে পড়েছেন অনেকে। পাসপোর্ট না পেলে তাদের সবকিছু গুটিয়ে দেশে চলে আসতে হবে।
বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর জানায়, এমআরপির জন্য প্রিন্টিংয়ে অপেক্ষমাণ থাকা আবেদনকারীরা ফি জমা দিয়ে আবেদন করলে দ্রুত ই-পাসপোর্ট দেওয়া হবে।
অন্যদিকে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এমআরপির বুকলেট, লেমিনেশন ফয়েল পেপার ঘাটতি ও এমআরপির প্রিন্টিং মেশিনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বাংলাদেশ থেকে পাসপোর্ট প্রিন্ট হতে দেরি হচ্ছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজারো প্রবাসী।
বর্তমানে মালয়েশিয়ায় এমআরপি নবায়নের জন্য ২৫ হাজারের বেশি প্রবাসী আবেদন করে রেখেছেন। পাসপোর্ট না থাকায় কেউ কেউ এরই মধ্যে অবৈধ হয়ে পড়েছেন, অনেকে রয়েছেন অবৈধ হওয়ার ঝুঁকিতে। এমন অবস্থায় নতুন করে ই-পাসপোর্ট নিতে আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান ইএসকেএলে প্রতিদিনই আবেদন করছেন অনেকে। তাতেও আবেদন করে সময়মতো পাসপোর্ট পাচ্ছেন না প্রবাসীরা।
এদিকে, হাইকমিশন থেকে বলা হয়, এমআরপির জন্য যারা আগে আবেদন করেছেন তাদের সেই ব্যাংক স্লিপ কপির সঙ্গে অতিরিক্ত ৫১ রিঙ্গিত জমা দিতে হবে। তবে ই-পাসপোর্ট আবেদনের সুযোগ থাকলেও নাম-বয়স জটিলতায় সংশোধনী আবেদন করতে পারছেন না অনেক প্রবাসী। এতেও ভোগান্তির অভিযোগ অনেকের। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন পাসপোর্ট সেবাপ্রত্যাশী মালয়েশিয়া প্রবাসীরা।
শুক্রবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রবাসী ক্ষোভে বলেন, এসেছিলাম পাসপোর্ট আবেদন করতে। জোহর বারু থেকে রাতে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে শেষে সকালে বলা হয় সার্ভার ডাউন আবেদন জমা নেওয়া হবে না। পাসপোর্ট নিয়ে কেন এ সংকট?

ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগেও গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে, প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থাকাকালে তিনি দ্বীপটি কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে তখনই ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়— গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়।
১ দিন আগে
গার্ডয়ানের খবরে বলা হয়েছে, বিক্ষোভ শুরুর পর প্রথমবারের মতো দেওয়া ভাষণে খামেনি আন্দোলনকারীদের ‘ভাঙচুরকারী’ ও ‘নাশকতাকারী’ বলে অভিহিত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিক্ষোভ বিদেশি এজেন্ডা দ্বারা পরিচালিত এবং আন্দোলনকারীরা অন্য দেশের নেতাদের সন্তুষ্ট করতেই রাস্তায় নেমেছে।
১ দিন আগে
এ প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, আগামী সপ্তাহের কোনো একটি সময়ে তিনি এখানে আসবেন বলে জেনেছি। এবং আমি তার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। এবং আমি জেনেছি তিনি এটি করতে (নোবেল পুরস্কার দিতে) চান। এটি আমার জন্য সম্মানের বিষয় হবে।
১ দিন আগে