
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশে ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কীভাবে শেখ হাসিনার পতন আন্দোলনে রূপ নিয়েছিল তা জানতো নয়া দিল্লি। কিন্তু শেখ হাসিনা তা বুঝতে চাননি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেছেন। শুক্রবার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়েছে।
কীভাবে কোটা সংস্কার আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল সেই প্রশ্নের জবাবে পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর আন্দোলন বন্ধ হয়ে যেত, যেখানে কোটা মাত্র ৭ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছিল। ওই আন্দোলনে তিন শতাধিক মানুষ নিহত হয়। এর পরে নয় দফা দাবি নিয়ে ফিরেছে আন্দোলনকারীরা। তারা মন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার প্রমুখের পদত্যাগ চেয়েছিলেন। কেন তারা এমনটি চেয়েছিলে তা রহস্যময়। আমার দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে, সেখানে অন্যান্য প্রভাব ছিল - বেশিরভাগ বিদেশী এবং কিছু অভ্যন্তরীণ। হাসিনা স্পষ্টতই তার মন্ত্রীদের বরখাস্ত করতে রাজি না হওয়ায় তারা আবার তাণ্ডব চালায়। এই সময়, আমি মনে করি, তাদের সমর্থনকারীরা খুব ভাল মদদ দিয়েছিল।’
সাবেক এই রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ঢাকামুখী পদযাত্রা ও প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি এতটা রাজনৈতিক হয়ে উঠল কেন? এটাও একটা প্রশ্ন। আমি বলব যে, শেষ পর্যন্ত সেনাবাহিনীই তাকে (শেখ হাসিনা) নিরাশ করেছিল এবং বলেছিল, আমরা আপনাকে রক্ষা করতে পারব না। আমরা এই বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালাতে পারব না।’
শেখ হাসিনার পতন ঘনিয়ে আসার ব্যাপারে ভারত জানতো কিনা সেই বিষয়ে পিনাক রঞ্জন বলেন, ‘বাংলাদেশে যা ঘটছে আমরা কি তা জানতাম? অবশ্যই, আমরা জানতাম। কিন্তু প্রশ্ন হলো শেখ হাসিনা তার পতন প্রত্যাশা করেছিলেন কিনা। আমার বোধ হয় যে, তিনি করেননি, সম্ভবত আপনি যদি ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকেন তবে আপনি অনুভব করবেন যে সবকিছু ঠিক আছে।’

বাংলাদেশে ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কীভাবে শেখ হাসিনার পতন আন্দোলনে রূপ নিয়েছিল তা জানতো নয়া দিল্লি। কিন্তু শেখ হাসিনা তা বুঝতে চাননি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেছেন। শুক্রবার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়েছে।
কীভাবে কোটা সংস্কার আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল সেই প্রশ্নের জবাবে পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর আন্দোলন বন্ধ হয়ে যেত, যেখানে কোটা মাত্র ৭ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছিল। ওই আন্দোলনে তিন শতাধিক মানুষ নিহত হয়। এর পরে নয় দফা দাবি নিয়ে ফিরেছে আন্দোলনকারীরা। তারা মন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার প্রমুখের পদত্যাগ চেয়েছিলেন। কেন তারা এমনটি চেয়েছিলে তা রহস্যময়। আমার দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে, সেখানে অন্যান্য প্রভাব ছিল - বেশিরভাগ বিদেশী এবং কিছু অভ্যন্তরীণ। হাসিনা স্পষ্টতই তার মন্ত্রীদের বরখাস্ত করতে রাজি না হওয়ায় তারা আবার তাণ্ডব চালায়। এই সময়, আমি মনে করি, তাদের সমর্থনকারীরা খুব ভাল মদদ দিয়েছিল।’
সাবেক এই রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ঢাকামুখী পদযাত্রা ও প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি এতটা রাজনৈতিক হয়ে উঠল কেন? এটাও একটা প্রশ্ন। আমি বলব যে, শেষ পর্যন্ত সেনাবাহিনীই তাকে (শেখ হাসিনা) নিরাশ করেছিল এবং বলেছিল, আমরা আপনাকে রক্ষা করতে পারব না। আমরা এই বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালাতে পারব না।’
শেখ হাসিনার পতন ঘনিয়ে আসার ব্যাপারে ভারত জানতো কিনা সেই বিষয়ে পিনাক রঞ্জন বলেন, ‘বাংলাদেশে যা ঘটছে আমরা কি তা জানতাম? অবশ্যই, আমরা জানতাম। কিন্তু প্রশ্ন হলো শেখ হাসিনা তার পতন প্রত্যাশা করেছিলেন কিনা। আমার বোধ হয় যে, তিনি করেননি, সম্ভবত আপনি যদি ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকেন তবে আপনি অনুভব করবেন যে সবকিছু ঠিক আছে।’

শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোরে মধ্য ও দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৭ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
পল অ্যাডামস বলছেন, গত এক বছরে আলোচনার চালাকালে দুবার হামলার শিকার হওয়ার কারণে ইরান এখন নিশ্চয়তা চায়, যেন ভবিষ্যতে আবার এমন হামলা না হয়। তবে বাস্তবতা হলো— কেউই খুব একটা বিশ্বাস করে না যে এসব বড় বড় সমস্যার সমাধান ইসলামাবাদে বসে হয়ে যাবে।
১১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রতিনিধিদলের হয়ে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মূল বৈঠকে বসার আগে জে ডি ভ্যান্স পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় অংশ নিলেন। বৈঠকে ভ্যান্সের সঙ্গে আরও ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।
১১ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও উপস্থিত ছিলেন। তবে বৈঠকের বিস্তারিত সম্পর্কে এখনো কিছু জানানো হয়নি।
১১ ঘণ্টা আগে