
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফিলিস্তিন প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসকে দোহায় সদর দপ্তর ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিতে কাতার কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই পদক্ষেপটি হামাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান নিতে কাতারের উপর ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক চাপ বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য পশ্চিমা মিত্র দেশের চোখে হামাস ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’।
শনিবার (৯ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে টাইমস অব ইসরাইল।
দুই সপ্তাহ আগে বাইডেন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রধান মিত্র কাতারকে তার সীমানার মধ্যে হামাসের কার্যক্রম সীমিত করার আহ্বান জানিয়েছে। হামাস দীর্ঘকাল ধরে দোহায় রাজনৈতিক এবং লজিস্টিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কার্যালয় ব্যবহার করে আসছে। গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় হামাসের সঙ্গে বহুদিনের সম্পর্ক কাতারের। এই পদক্ষেপের সম্পূর্ণ প্রভাব এখনো দেখা বাকি, কারণ হামাসের সাথে কাতারের সম্পর্ক বছরের পর বছর ধরে আঞ্চলিক রাজনীতিতে একটি সংবেদনশীল বিষয়।
হামাসকে তাড়াতে মার্কিন প্রশাসনের এমন আহ্বান, কাতার কীভাবে সামাল দেবে তা দেখতে আরো অপেক্ষা করতে হবে। মূলত দোহায় হামাসের সদর দপ্তর বন্ধ করে, হামাসকে আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে হামাসের প্রভাব রোধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টার প্রতিফলন।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা টাইমস অব ইসরাইলকে বলেছেন, ‘আগস্টের শেষের দিকে আমেরিকান-ইসরাইলি জিম্মি হার্শ গোল্ডবার্গ-পোলিনের সাথে আরও পাঁচ বন্দিকে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। এবং পরবর্তীকালে বারবার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে হামাস। শেষ পর্যন্ত দোহায় পরিচালিত হামাস প্রশাসনের বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দোহায় হামাসের কার্যক্রম ‘আর কার্যকর বা গ্রহণযোগ্য নয়’ বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র’।
বাইডেন প্রশাসনের আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘জিম্মিদের মুক্তির বারবার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায়, হামাস নেতাদের আর কোনো আমেরিকান মিত্র দেশের রাজধানীতে স্বাগত জানানো উচিত নয়’।
মার্কিন কর্মকর্তার অভিযোগ, হামাস যুদ্ধবিরতির আলোচনায় ‘অবাস্তব অবস্থান’ থেকে সরে যাওয়ার কোন লক্ষণ দেখায়নি। এমন শর্ত দিয়েছে যা কার্যকরভাবে হামাসকে গাজায় ক্ষমতায় ধরে রাখা নিশ্চিত করবে। আর এমন কিছু যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল কখনই মেনে নেবে না।
মার্কিন কর্মকর্তা আরো জানিয়েছেন, হামাস কর্মকর্তাদের বহিষ্কার আসলে কখন ঘটবে এবং তাদের কোথায় যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত এখনও কাজ করা হচ্ছে।
এদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় কাতারকে হামাসের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করার এবং হামাস কর্মকর্তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আহ্বান জানিয়েছে।

ফিলিস্তিন প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসকে দোহায় সদর দপ্তর ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিতে কাতার কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই পদক্ষেপটি হামাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান নিতে কাতারের উপর ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক চাপ বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য পশ্চিমা মিত্র দেশের চোখে হামাস ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’।
শনিবার (৯ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে টাইমস অব ইসরাইল।
দুই সপ্তাহ আগে বাইডেন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রধান মিত্র কাতারকে তার সীমানার মধ্যে হামাসের কার্যক্রম সীমিত করার আহ্বান জানিয়েছে। হামাস দীর্ঘকাল ধরে দোহায় রাজনৈতিক এবং লজিস্টিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কার্যালয় ব্যবহার করে আসছে। গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় হামাসের সঙ্গে বহুদিনের সম্পর্ক কাতারের। এই পদক্ষেপের সম্পূর্ণ প্রভাব এখনো দেখা বাকি, কারণ হামাসের সাথে কাতারের সম্পর্ক বছরের পর বছর ধরে আঞ্চলিক রাজনীতিতে একটি সংবেদনশীল বিষয়।
হামাসকে তাড়াতে মার্কিন প্রশাসনের এমন আহ্বান, কাতার কীভাবে সামাল দেবে তা দেখতে আরো অপেক্ষা করতে হবে। মূলত দোহায় হামাসের সদর দপ্তর বন্ধ করে, হামাসকে আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে হামাসের প্রভাব রোধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টার প্রতিফলন।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা টাইমস অব ইসরাইলকে বলেছেন, ‘আগস্টের শেষের দিকে আমেরিকান-ইসরাইলি জিম্মি হার্শ গোল্ডবার্গ-পোলিনের সাথে আরও পাঁচ বন্দিকে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। এবং পরবর্তীকালে বারবার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে হামাস। শেষ পর্যন্ত দোহায় পরিচালিত হামাস প্রশাসনের বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দোহায় হামাসের কার্যক্রম ‘আর কার্যকর বা গ্রহণযোগ্য নয়’ বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র’।
বাইডেন প্রশাসনের আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘জিম্মিদের মুক্তির বারবার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায়, হামাস নেতাদের আর কোনো আমেরিকান মিত্র দেশের রাজধানীতে স্বাগত জানানো উচিত নয়’।
মার্কিন কর্মকর্তার অভিযোগ, হামাস যুদ্ধবিরতির আলোচনায় ‘অবাস্তব অবস্থান’ থেকে সরে যাওয়ার কোন লক্ষণ দেখায়নি। এমন শর্ত দিয়েছে যা কার্যকরভাবে হামাসকে গাজায় ক্ষমতায় ধরে রাখা নিশ্চিত করবে। আর এমন কিছু যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল কখনই মেনে নেবে না।
মার্কিন কর্মকর্তা আরো জানিয়েছেন, হামাস কর্মকর্তাদের বহিষ্কার আসলে কখন ঘটবে এবং তাদের কোথায় যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত এখনও কাজ করা হচ্ছে।
এদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় কাতারকে হামাসের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করার এবং হামাস কর্মকর্তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আহ্বান জানিয়েছে।

তাসনিম নিউজের খবরে বলা হয়েছে, আকাশ থেকে তোলা ছবিতে কোমে খামেনির বিদায় ও জানাজার অনুষ্ঠানে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে। শোকযাত্রায় ইরানের পাশাপাশি তুরস্ক, ইরাক, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মুসলিম প্রতিনিধিদলও অংশ নেয়।
১১ ঘণ্টা আগে
দেশটির আইনপ্রণেতা জর্জ রদ্রিগেজ সোমবার সর্বশেষ সরকারি হিসাব উল্লেখ করে জানান, ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত ১৬ হাজার ৭৪০ জন আহত হয়েছেন এবং ১৭ হাজার ৮৫৪ জন মানুষ তাঁদের ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভেনেজুয়েলার উপকূলীয় অঞ্চল কারাকাস ও লা গুয়াইরা। এই দুই অঞ্চলের ৮০টি আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে প্র
১৩ ঘণ্টা আগে
কালো পোশাক পরিহিত লাখ লাখ শোকাহত মানুষ তেহরানের রাস্তায় কফিনগুলোর ওপর ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান। এরপর শোকমিছিলটি অত্যন্ত ধীরগতিতে তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলের ঐতিহাসিক আজাদি স্কয়ারের দিকে অগ্রসর হয়। কওম শহরে আজ শোকমিছিলের পর তাঁর দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
ওমানের লিমাহ উপকূলের কাছে একটি অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে দক্ষিণমুখী ওই ট্যাংকারটিতে আগুন ধরে যায় বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)।
১৫ ঘণ্টা আগে