
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজায় হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধের ৬ মাসের মাথায় দেশজুড়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন ইসরায়েলিরা। গতকাল শনিবার দেশটির হাজারো নাগরিক সড়কে নেমে প্রতিবাদ বিক্ষোভে অংশ নেন। বিবিসি, এএফপিসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে গাজার শাসক দল হামাসের প্রাণঘাতী হামলার জবাবে ওইদিন থেকেই উপত্যকায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এ হামলার ছয় মাস পূর্তি হয় আজ রবিবার।
আয়োজকরা জানান, প্রায় এক লাখ ইসরায়েলি তেল আবিবের একটি মোড়ে জড়ো হন। বিচার ব্যবস্থায় সংস্কারের প্রতিবাদে গত বছর শুরু হওয়া বিক্ষোভের সময় থেকে মোড়টি ‘গণতন্ত্র চত্বর’ হিসেবে পরিচিতি পায়। যুদ্ধের সপ্তম মাসে পদার্পণের দিনে এই মোড়ে এসে বিক্ষোভকারীরা ‘এখনি নির্বাচন দাও’ স্লোগান দেয় এবং নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবি করে।
ইসরায়েলের অন্যান্য শহরগুলোতেও জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। দেশটির বিরোধী দলের নেতা ইয়াইর লাপিদ আলোচনার জন্য ওয়াশিংটন যাওয়ার আগে কাফার সাবা শহরের সমাবেশে যোগ দেন। এ সময় সরকারের উদ্দেশে লাপিদ বলেন, ‘তারা কোনো শিক্ষা নেয় না, তারা বদলায়নি। আমরা যতক্ষণ না তাদের বাড়িতে পাঠাচ্ছি, তারা এ দেশকে সামনে এগোতে দেবে না।’
এদিকে তেল আবিব শহরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভকারীরা। এ সময় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার পর প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে যোগ দেয় গাজায় অপহৃত লোকজনের আত্মীয়স্বজনরাও।
গত বছর অক্টোবরে চালানো হামাসের হামলায় এক হাজার ১৭০ জন ইসরায়েলি নিহত হয়। সে সময় হামাসের সদস্যরা ২৫০ জন ইসরায়েলিকে পণবন্দী হিসেবে গাজায় নিয়ে আসে। এদের মধ্যে ১২৯ জন এখনো গাজায় বন্দী অবস্থায় রয়েছে বলে দাবি করে আসছে ইসরায়েল।
এদিকে এর পাল্টা প্রতিশোধমূলক হামলায় ইসরায়েলের অবিরাম বিমান হামলা ও সেনা অভিযানে ৩৩ হাজার ১৩৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

গাজায় হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধের ৬ মাসের মাথায় দেশজুড়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন ইসরায়েলিরা। গতকাল শনিবার দেশটির হাজারো নাগরিক সড়কে নেমে প্রতিবাদ বিক্ষোভে অংশ নেন। বিবিসি, এএফপিসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে গাজার শাসক দল হামাসের প্রাণঘাতী হামলার জবাবে ওইদিন থেকেই উপত্যকায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এ হামলার ছয় মাস পূর্তি হয় আজ রবিবার।
আয়োজকরা জানান, প্রায় এক লাখ ইসরায়েলি তেল আবিবের একটি মোড়ে জড়ো হন। বিচার ব্যবস্থায় সংস্কারের প্রতিবাদে গত বছর শুরু হওয়া বিক্ষোভের সময় থেকে মোড়টি ‘গণতন্ত্র চত্বর’ হিসেবে পরিচিতি পায়। যুদ্ধের সপ্তম মাসে পদার্পণের দিনে এই মোড়ে এসে বিক্ষোভকারীরা ‘এখনি নির্বাচন দাও’ স্লোগান দেয় এবং নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবি করে।
ইসরায়েলের অন্যান্য শহরগুলোতেও জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। দেশটির বিরোধী দলের নেতা ইয়াইর লাপিদ আলোচনার জন্য ওয়াশিংটন যাওয়ার আগে কাফার সাবা শহরের সমাবেশে যোগ দেন। এ সময় সরকারের উদ্দেশে লাপিদ বলেন, ‘তারা কোনো শিক্ষা নেয় না, তারা বদলায়নি। আমরা যতক্ষণ না তাদের বাড়িতে পাঠাচ্ছি, তারা এ দেশকে সামনে এগোতে দেবে না।’
এদিকে তেল আবিব শহরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভকারীরা। এ সময় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার পর প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে যোগ দেয় গাজায় অপহৃত লোকজনের আত্মীয়স্বজনরাও।
গত বছর অক্টোবরে চালানো হামাসের হামলায় এক হাজার ১৭০ জন ইসরায়েলি নিহত হয়। সে সময় হামাসের সদস্যরা ২৫০ জন ইসরায়েলিকে পণবন্দী হিসেবে গাজায় নিয়ে আসে। এদের মধ্যে ১২৯ জন এখনো গাজায় বন্দী অবস্থায় রয়েছে বলে দাবি করে আসছে ইসরায়েল।
এদিকে এর পাল্টা প্রতিশোধমূলক হামলায় ইসরায়েলের অবিরাম বিমান হামলা ও সেনা অভিযানে ৩৩ হাজার ১৩৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

পেন্টাগনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৭১ জন সেনাবাহিনীর সদস্য। এ ছাড়া নৌবাহিনীর ৬৩ জন, বিমানবাহিনীর ৬২ জন এবং ১৯ জন মেরিন সেনা আহত হয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে আবারও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। গতকাল সোমবার দুই দেশ একে অপরকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, সম্ভাব্য সংঘাতের জন্য তারা পুরোপুরি প্রস্তুত। এর ফলে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে প্রস্তাবিত দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
অনুসন্ধানে বিবিসি এমন অন্তত পাঁচটি ঘটনা তুলে ধরেছে, যেখানে ট্রাম্পের বড় ধরনের ঘোষণা বা পদক্ষেপের ঠিক আগে আগে বাজারে ঘটে গেছে বড় ধরনের লেনদেন, যার মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ ব্যাপকভাবে লাভবান হয়েছেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
এদিকে, আরেক মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে মার্কিন প্রতিনিধিদল ইতিমধ্যে ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। প্রতিনিধিদলে ভ্যান্সের সঙ্গে রয়েছেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের উপদেষ্টা ও জামাতা জ
১৯ ঘণ্টা আগে