
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধের চুক্তিতে পৌঁছাতে পাঁচটি শর্ত দিয়েছে ইরান। হিব্রু সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত থামাতে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু কঠোর দাবি তুলেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত পরোক্ষ আলোচনার অংশ হিসেবে তেহরান এই শর্তগুলো সামনে এনেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান চাইছে— যুদ্ধ আর নতুন করে শুরু হবে না এমন নিশ্চয়তা দিতে হবে। পাশাপাশি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নতুন একটি ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়েছে তেহরান, যার মাধ্যমে ওই অঞ্চলে তাদের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো বন্ধ করার দাবি তুলেছে ইরান। একই সঙ্গে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণও চেয়েছে দেশটি।
ইরানের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ প্রচারণা চালানো সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। তেহরানের দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি বা সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের তাদের কাছে হস্তান্তর করতে হবে অথবা সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অনুযায়ী বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
এর আগে সোমবার ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন বেশ কিছুদিন ধরে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করছে এবং ‘এবার তারা (ইরান) বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে’।
এর আগে গত সোমবার ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে তার ‘অত্যন্ত ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে বলে দাবি করে পাঁচ দিনের জন্য ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলা স্থগিতের ঘোষণা দেন।
তবে এর পরপরই ট্রাম্পের এই দাবি অস্বীকার করে ইরান জানিয়েছে, ট্রাম্পের এমন মন্তব্য এবং ইরানে হামলা স্থগিতের ঘোষণার উদ্দেশ্য হলো জ্বালানির দাম কমানো এবং তার সামরিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সময় ক্ষেপণ করা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধের চুক্তিতে পৌঁছাতে পাঁচটি শর্ত দিয়েছে ইরান। হিব্রু সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত থামাতে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু কঠোর দাবি তুলেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত পরোক্ষ আলোচনার অংশ হিসেবে তেহরান এই শর্তগুলো সামনে এনেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান চাইছে— যুদ্ধ আর নতুন করে শুরু হবে না এমন নিশ্চয়তা দিতে হবে। পাশাপাশি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নতুন একটি ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়েছে তেহরান, যার মাধ্যমে ওই অঞ্চলে তাদের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো বন্ধ করার দাবি তুলেছে ইরান। একই সঙ্গে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণও চেয়েছে দেশটি।
ইরানের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ প্রচারণা চালানো সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। তেহরানের দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি বা সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের তাদের কাছে হস্তান্তর করতে হবে অথবা সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অনুযায়ী বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
এর আগে সোমবার ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন বেশ কিছুদিন ধরে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করছে এবং ‘এবার তারা (ইরান) বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে’।
এর আগে গত সোমবার ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে তার ‘অত্যন্ত ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে বলে দাবি করে পাঁচ দিনের জন্য ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলা স্থগিতের ঘোষণা দেন।
তবে এর পরপরই ট্রাম্পের এই দাবি অস্বীকার করে ইরান জানিয়েছে, ট্রাম্পের এমন মন্তব্য এবং ইরানে হামলা স্থগিতের ঘোষণার উদ্দেশ্য হলো জ্বালানির দাম কমানো এবং তার সামরিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সময় ক্ষেপণ করা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইয়েমেন সরকারের চারটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, মোখা দখলের মধ্য দিয়ে লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তের বাব এল-মান্দেব প্রণালির ওপর হুতিদের প্রভাব আরও বেড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালির কৌশলগত হানিশ দ্বীপপুঞ্জেও হুতিরা হামলা চালাচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
১৭ ঘণ্টা আগে
ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
২১ ঘণ্টা আগে
আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।
২১ ঘণ্টা আগে