ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলায় কিউবার ৩২ যোদ্ধা নিহত

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯: ৫১
ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করতে মার্কিন বাহিনীর চালানো অভিযানে কিউবার ৩২ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।

রোববার (৪ জানুয়ারি) এই তথ্য নিশ্চিত করে কিউবা সরকার নিহতদের স্মরণে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে।

এদিকে আটক মাদুরো ও তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যেখানে আজ সোমবার ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে তাদের হাজির করার কথা রয়েছে। এই অভিযানকে 'নির্মম' আখ্যা দিয়ে ভেনেজুয়েলার সেনাবাহিনী বর্তমানে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

হাভানা সরকার আরও ঘোষণা দেয়, নিহতদের স্মরণে আগামী ৫ ও ৬ জানুয়ারি দুই দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। এ সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং পরে জানাজা ও দাফনের খবর জানানো হবে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা প্রেনসা লাতিনা জানিয়েছে, নিহত কিউবান ‘যোদ্ধারা’ ভেনেজুয়েলা সরকারের অনুরোধে সে দেশের সামরিক বাহিনীর পক্ষে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

সংবাদ সংস্থাটি আরও জানায়, তারা আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে অথবা সামরিক স্থাপনায় বোমা হামলার ফলে নিহত হন। প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলার পরই তারা প্রাণ হারান বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে

ভেনেজুয়েলার সরকারের ঘনিষ্ঠ মিত্র কিউবা বহু বছর ধরেই দেশটিতে সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর সদস্য পাঠিয়ে সহায়তা দিয়ে আসছে।

মার্কিন বাহিনীর অভিযানের পর মাদুরো ও তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের বিরুদ্ধে মাদক পাচারসংক্রান্ত মামলায় বিচার হবে। ৬৩ বছর বয়সি ভেনেজুয়েলার এই নেতাকে আজ ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে হাজির করার কথা আছে। তিনি অবশ্য আগেই সব ধরনের অপরাধের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এদিকে, মার্কিন সেনাদের হাতে চোখ বাঁধা ও হাতকড়া পরা অবস্থায় মাদুরোর ছবিগুলো প্রকাশের পর ভেনেজুয়েলাজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল ভ্লাদিমির পাদ্রিনো রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলায় সেনা, বেসামরিক নাগরিক এবং মাদুরোর নিরাপত্তা দলের ‘একটি বড় অংশ’ নির্মমভাবে নিহত হয়েছেন।

তিনি জানান, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভেনেজুয়েলার সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা অবৈধ: জাতিসংঘ দূত

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলাকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়েছেন ইরানে মানবাধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত মাই সাটো। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, দেশটিতে আগে থেকেই মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল নাজুক। এ হামলার পর সে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটছে এবং মানবিক ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে।

৮ ঘণ্টা আগে

ইরানের নিরাপত্তা প্রধান ও বাসিজ ফোর্স প্রধান নিহত, দাবি ইসরায়েলের

ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) আওতাধীন আধাসামরিক বাহিনী ‘বাসিজ ফোর্সের’ কমান্ডার গোলামরেজা সোলাইমানি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল।

৯ ঘণ্টা আগে

মস্কোয় চিকিৎসা নিচ্ছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা

মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় আহত ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বর্তমানে মস্কোর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কুয়েতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জারিদার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ব্যক্তিগত আমন্ত্রণে তাকে মস্কো পাঠানো হয়েছে।

১০ ঘণ্টা আগে

ইরান, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল— কে কী পেতে চাইছে যুদ্ধ থেকে?

ওয়াশিংটন ও তাদের মিত্রদের জন্য আদর্শ পরিস্থিতি হতো যদি এই যুদ্ধের মাধ্যমে আয়াতুল্লাহদের শাসনের অবসান ঘটে এবং দ্রুত সেখানে একটি শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার আসে; যারা নিজেদের জনগণ বা প্রতিবেশীদের জন্য আর হুমকি হবে না।

১১ ঘণ্টা আগে